এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > এবার রাহুল গান্ধীর অস্বস্তি বহুগুন বাড়িয়ে দিলেন মনমোহন সিং মন্ত্রীসভার হেভিওয়েট – জানুন বিস্তারিত

এবার রাহুল গান্ধীর অস্বস্তি বহুগুন বাড়িয়ে দিলেন মনমোহন সিং মন্ত্রীসভার হেভিওয়েট – জানুন বিস্তারিত

লোকসভা ভোটের মুখে রাহুল গান্ধী যেখানে দফায় দফায় মোদী বিরোধী সুর চড়া করে নিজের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে নেমেছেন সেখানে তাঁর বিরুদ্ধে এই যুদ্ধকালীন তৎপরতার মুহূর্তে অভিযোগে সরব হলেন এক কংগ্রেস নেতাই। সংবিধান বা দলীয় অনুশাসন কোনোকিছুকেই গ্রাহ্য করেন না রাহুল গান্ধী।

জাতীয় কংগ্রেস সভাপতির বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ তুলেই রাজনৈতিক মহলে শোরগোল ফেলে দিলেন মনমোহন সিং মন্ত্রীসভার হেভিওয়েট ব্যক্তিত্ব এসএম কৃষ্ণ। একসময়ের কংগ্রেসের একনিষ্ঠ সাধক হয়েও বর্তমান জাতীয় কংগ্রেস সুপ্রিমোর বিরুদ্ধে ঠিক লোকসভা ভোটের মুখে কেন এমন বিতর্কিত অভিযোগ তুললেন তিনি? এই প্রশ্নকে ঘিরেই ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিকমহলে।

জানা গিয়েছে,রাজনৈতিক জীবনের দীর্ঘ সময় ধরে কংগ্রেসের সেবা করেছেন দক্ষিণের রাজ্য কর্নাটকের বাসিন্দা এসএম কৃষ্ণ। গান্ধী পরিবারের সঙ্গে সম্পর্কও ছিল মধুর। কংগ্রেসের সঙ্গে থেকেই বিধানসভার স্পীকার থেকে শুরু করে রাজ্যপালের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। ২০০৯ সালে ইউপিএ সরকার যখন কেন্দ্রের ক্ষমতায় আসে সেসময় প্রধানমন্ত্রীর পদে আসেন মনমোহন সিং।

হোয়াটস্যাপের কিছু টেকনিক্যাল অসুবিধার জন্য আমরা ধীরে ধীরে হোয়াটস্যাপ সাপোর্ট বন্ধ করে দিয়ে, পরবর্তীকালে শুধুমাত্র Telegram অ্যাপেই নিউজের লিঙ্ক শেয়ার করব

তাই আপনাদের কাছে একান্ত অনুরোধ – প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর নিয়মিত ভাবে পেতে হলে Telegram অ্যাপটি ইনস্টল করুনআমাদের Telegram গ্রূপে যোগ দিন। যাঁরা Telegram-এ নতুন, ভয় পাবেন না – এটি হোয়াটস্যাপের মতোই সমস্ত ফিচার যুক্ত এবং আরো আরো সহজে ব্যবহার করা যায়।

যোগ দিন আমাদের Telegram Group – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে
আর এখনও যাঁরা আমাদের WhatsApp Group-এ যোগ দিতে চান, তাঁরা ক্লিক করুন এই লিঙ্কে (কিন্তু, মনে রাখবেন এই হোয়াটস্যাপ সাপোর্ট আমরা হয়ত খুব বেশিদিন আর চালু রাখব না)

সেই প্রথম ইউপিএ সরকারের মন্ত্রীসভার বিদেশমন্ত্রী ছিলেন এসএম কৃষ্ণ। তবে তাঁর দায়িত্বের মেয়াদ শেষের আগেই ইস্তফা দিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। এরপর ২০১৭ সালে তিনি কংগ্রেসের সঙ্গে সম্পর্কচ্যূত হন এই নেতা। কানাঘুষো শোনা যাচ্ছিল,তিনি নাকি বিজেপি শিবিরে যোগ দিয়েছেন। তবে প্রকাশ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি কিছুই।

এরপর দিন দুয়েক আগেই রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে তাঁর বিস্ফোরক অভিযোগ প্রকাশ্যে আসে। কংগ্রেসের যে কোনো বিষয়ে রাহুলের অহেতুক দাদাগিরিতেই বিরক্ত হয়ে মন্ত্রীত্ব থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন তিনি,এমনটাই বলেন। তাঁর বক্তব্য, ‘আমি সাড়ে তিন বছর বিদেশমন্ত্রী ছিলাম। প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংহের সঙ্গে কোনও সমস্যা ছিল না। রাহুল গান্ধী তখন দলের সাধারণ সম্পাদকও ছিল না। কিন্তু প্রবীণ নেতাদের উপরেও কতৃত্ব ফলাতে চাইতেন। বিষয়টা জানতে পেরেই আমি ইস্তফা দিয়ে দিয়েছিলাম।’

মন্ত্রীর গুরুত্ব না দিয়েও নাকি রাহুল গান্ধী মর্জি খাটিয়ে রাহুল গান্ধী অনেক কিছু করতেন বলেও দাবী করেন এসএম কৃষ্ণ। একসময় ক্যাবিনেটে পাস হয়ে যাওয়ার অর্ডিন্যান্স ছিঁড়ে ফেলেছিলেন রাহুল গান্ধী। সেকথা আর গোপন থাকেনি পরে। এদিন সে প্রসঙ্গ তুলে ধরেই রাহুলের বিরুদ্ধে সাংবিধানিক অধিকার খর্ব করার অভিযোগ তোলেন এই বর্ষীয়ান নেতা। তিনি আরো বলেন,’রাহুল গান্ধী কারো কাছে উত্তর দিতেন না। সংসদ বা সরকার কাউকেই পাত্তা দিতেন না।’

এদিকে,লোকসভা ভোটের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে হঠাৎ করে এসএম কৃষ্ণের রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে এধরনের বড়সড় অভিযোগ মোটেই ঠিকভাবে মেনে নিতে পারলেন না কর্ণাটকের প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি দীনেশ গুণ্ডু রাও। এর প্রতিবাদ করে তিনি বললেন,’এসএম কৃষ্ণের প্রতি আমার যে এক শতাংশ সম্মান অবশিষ্ট ছিল তা আজ ফুরিয়ে গেল। এসব কথা বলে উনি কী পাচ্ছেন উনিই জানেন।’

অর্থাৎ এসএম কৃষ্ণের অভিযোগ যে সম্পূর্ণই ভিত্তিহীন এমনটাই দাবী করলেন তিনি। পাশাপাশি গর্জে উঠে এটাও বললেন,এতে কংগ্রেসের কোনো ক্ষতি হবে না। বরং তাঁর নিজের সম্মানই এর জেরে নষ্ট হল। এই প্রেক্ষিতে বিজেপিকে একহাত দিয়ে দীশেস গুণ্ডু রাও বললেন,’কংগ্রেস বলেই এখনও এসএম কৃষ্ণকে নিয়ে ভাবছে, বিজেপি তাঁকে নিয়ে কোনও কথা কখনও বলবে না।’ তবে যাঁর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ সেই জাতীয় কংগ্রেস সুপ্রিমোর এ ব্যাপারে কোনো প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি।

Top
Close
error: Content is protected !!