এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > লক্ষ্য কি 100 শতাংশ? মাধ্যমিকে পরপর ছদিন প্রশ্নফাঁসের ‘ছক্কা’ হাঁকিয়ে কঠিন প্রশ্নের মুখে শিক্ষাদপ্তর

লক্ষ্য কি 100 শতাংশ? মাধ্যমিকে পরপর ছদিন প্রশ্নফাঁসের ‘ছক্কা’ হাঁকিয়ে কঠিন প্রশ্নের মুখে শিক্ষাদপ্তর

জীবনের সবথেকে বড় পরীক্ষা যেন আজব ভাবে দিচ্ছেন রাজ্যের মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীরা। প্রথম দিন থেকেই শুরু হয়েছে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ট্র্যাডিশন। আর এবার সেই ট্র্যাডিশন বজায় রইল সেই মাধ্যমিক পরীক্ষার ষষ্ঠ দিন অর্থাৎ আজ ভৌতবিজ্ঞান পরীক্ষার সময়ও।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার থেকে রাজ্যে শুরু হওয়া মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রথম দিনেই বাংলা ভাষার পরীক্ষা শুরুর আধঘন্টার মধ্যেই হোয়াটসঅ্যাপে সেই প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়ে যায়। এরপর পরবর্তী পরীক্ষাগুলিতেও পরীক্ষা শুরুর আধ ঘন্টা থেকে একঘণ্টার মধ্যে একই ভাবে প্রশ্ন ফাঁস হতে শুরু করে।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

এদিকে পরিস্থিতি বেগতিক দেখে কিভাবে প্রশ্নপত্র ফাঁস হচ্ছে তা তদন্তের জন্য বিধাননগর সাইবার সেদকে দায়িত্ব দিলেও কাজের কাজ কিছুই হয় না। আর এরপরেই এই ঘটনায় তদন্তভার দেওয়া হয় সিআইডিকে। আর এরপরই প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় সিআইডি পক্ষ থেকে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয় কিছুটা হলেও আশ্বস্ত হয়েছিল সেই পরীক্ষার্থী থেকে অভিভাবক অভিভাবিকারা। কিন্তু হায়! মাধ্যমিক পরীক্ষার ষষ্ঠ দিনেও সেই প্রশ্ন ফাঁসের ট্রাডিশন বজায় রইল।

সূত্রের খবর এদিন ভৌত বিজ্ঞান পরীক্ষা শুরু হওয়ার আধা ঘন্টার মধ্যেই হোয়াটসঅ্যাপে একটি প্রশ্নপত্র ভাইরাল হয়ে যায়। তবে সেই ভাইরাল হওয়া প্রশ্নটিই আসল প্রশ্নপত্র কি না তা নিয়ে কোনোরূপ প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

তবে একাংশের মনে ইতিমধ্যেই এই ব্যাপারে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে যে, যে মধ্যশিক্ষা পর্ষদের কর্তাব্যক্তিরা এবারের মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরুর আগে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছিলেন, সেই কর্তা ব্যক্তিদের মুখে এখন কুলুপ কেন? কেন মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি এই ব্যাপারে কোনরুপ কথা বলছেন না? তাহলে কি গোড়াতেই কোনো গলদ রয়েছে? প্রশ্নটা থেকেই যাচ্ছে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!