এখন পড়ছেন
হোম > বিশেষ খবর > ‘নিরাপদ’ আসন খুঁজছেন খোদ তৃণমূল সভাধিপতি, জল্পনা বাড়িয়ে উঠছে একাধিক প্রশ্ন

‘নিরাপদ’ আসন খুঁজছেন খোদ তৃণমূল সভাধিপতি, জল্পনা বাড়িয়ে উঠছে একাধিক প্রশ্ন

রাজ্যজুড়ে পঞ্চায়েতের তপ্ত আবহের মধ্যেই বাঁকুড়া জেলার ইন্দাস নিয়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজ্য-রাজীনীতিতে। সংরক্ষণের আওতায় পড়ায় আর জেলা পরিষদের সভাপতি পদে পুনর্নির্বাচিত হতে পারবেন না বাঁকুড়ার দাপুটে তৃণমূল নেতা অরূপ চক্রবর্তী, ওই আসনটি এবারে সংরক্ষিত তপসিলি মহিলা উপজাতিদের জন্য। তবুও তিনি এবারেও নির্বাচনে লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, জমা দিয়েছেন মনোনয়ন। কিন্তু তাঁর দীর্ঘদিনের আসন বাঁকুড়া শহর সংলগ্ন পুয়াবাগান ছেড়ে সুদূর ইন্দাসের ৪১ নম্বর আসন থেকে তিনি এবার পঞ্চায়েতের যুদ্ধ লড়তে চলেছেন। আর তারফলেই ছড়িয়েছে চূড়ান্ত জল্পনা, বিরোধীদের তীব্র কটাক্ষের মুখে তিনি। এমনিতেই জেলায় অরূপবাবু ‘হেভিওয়েট’ নেতা বলে গণ্য হন, তার উপরে তিনি দীর্ঘদিন ধরেই বাঁকুড়া শহরের বাসিন্দা। এমনকি বিদায়ী পঞ্চায়েতে জেলা পরিষদের সভাধিপতি – আর শাসকদলের দাবি বাঁকুড়াতে ‘উন্নয়ন’ দারুণভাবে হয়েছে। তাহলে তাকে কেন নিজের আসন ছেড়ে ‘নিরাপদ’ গ্রামীণ আসনে ছুটতে হল?

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এই প্রসঙ্গে বিজেপির বাঁকুড়া জেলা সভাপতি বিবেকানন্দ পাত্র বলেছেন, বাঁকুড়া জেলায় তৃণমূল আজ মানুষের রায়ে ভোটে জেতার ব্যাপারে যথেষ্ট সন্দিহান। সে কারণেই ওরা সব জায়গায় বিজেপি কর্মীদের মনোনয়নপত্র জমা দিতে বাধা সৃষ্টি করছে। জেলা জুড়ে সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করছে। মনোনয়নপত্র দাখিল, সুষ্ঠুভাবে ও নিরপেক্ষভাবে ভোট হলে সভাধিপতি যেখান থেকেই ভোটে লড়ুন উনি নিশ্চিত্‍ হারবেন। প্রশাসনের নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি আর সুষ্ঠ ও অবাধ ভোট হলেই সমগ্র বাঁকুড়া জেলাতেই ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূল ধুয়ে মুছে সাফ হয়ে যাবে। উল্টোদিকে অরূপবাবু নিজে সাংবাদিকদের তাঁর এই আসন বদল প্রসঙ্গে জানিয়েছেন, প্রতি বছর পুজোতে ইন্দাসে আসি। তাছাড়া এখানকার ব্লক সভাপতি আমাকে ইন্দাস থেকে ভোটে লড়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। ইন্দাসের প্রতি ভালোবাসার টানেই এখানে ছুটে আসা। বাঁকুড়া জেলার প্রতিটি অংশই ‘পলিটিক্যালি সেফ জোন’। এই নির্বাচনে তৃণমূল আবারও নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে বলে আমি দৃঢ়বিশ্বাসী।

Top
error: Content is protected !!