এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > বহুতল নির্মাণে অবাধ অনুমতি দিলেও নিকাশি অর্থ আদায় নেই – পুরসভার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ

বহুতল নির্মাণে অবাধ অনুমতি দিলেও নিকাশি অর্থ আদায় নেই – পুরসভার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ

শহরে বহুতল তৈরি করতে একের পর এক অনুমতি দিয়ে গেছে কলকাতা পৌরসভা। শুধু বহুতল নয়, যে সমস্ত বেআইনি তলগুলো ছিল সেগুলোকে আইনে পরিণত করতে নিজেদের আইনে সংশোধনীও এনেছে পুর কর্তৃপক্ষ। কিন্তু সমস্যা হল যে, এই বহুতল নির্মাণের নকশা অনুমোদন করা হলেও সেখানকার নিকাশি উন্নয়নের জন্য গত তিনটি আর্থিক বর্ষে ঠিকমতো অর্থ আদায় করতে ব্যর্থ হয়েছে কলকাতা পৌরসভা।

জানা গেছে নিকাশি ব্যবস্থা তৈরিতে নির্দিষ্ট অঙ্কের একটি টাকা আদায় করতে পারে পৌরসভা। কিন্তু 2013-14 ও 2015-16 আর্থিক বর্ষ সেই টাকা আদায়ের ঘাটতি অনেকটাই চোখে পড়েছে। এমনকি বিভিন্ন ওয়ার্ডে টাকা আদায়ের ক্ষেত্রে পৃথকীকরণ করা নিয়েও উঠতে শুরু করেছে প্রশ্ন।

জানা গেছে, পুরসভার 1 থেকে 6 এবং 101 থেকে 144 নম্বর ওয়ার্ডে এই বহুতল নির্মাণের সময় নিকাশি প্রণালী তৈরীর জন্য একরকম টাকা, আবার অন্যদিকে 7 থেকে 100 নম্বর ওয়ার্ডের জন্য আবার এক রকম টাকা নেওয়া হয়। আর এখানেই সিএজি তাদের রিপোর্টে ব্যাপক ক্ষতির কথা তুলে ধরেছে। কিন্তু কি সেই রিপোর্ট? সিএনজির তরফে পেশ করা রিপোর্টে দেখা গেছে, 2013-14 বর্ষে 100 নম্বর ওয়ার্ডে 4 কোটি 42 লক্ষ 51 হাজার 966 টাকার বিল হলেও সেখানে পুরসভা আদায় করেছিল মোটে 3 কোটি 59 লাখ 93 হাজার 639 টাকা।

পাশাপাশি সেই একই বছরে পুরসভার 1 থেকে 6 নম্বর এবং 101 থেকে 144 নম্বর ওয়ার্ডে 16 কোটি 60 লক্ষ 67 হাজার 403 টাকার বিল হলেও সেখানে পুরসভা আদায় করে মোটে 15 কোটি 81 লক্ষ 54 হাজার 279 টাকা। অন্যদিকে শুধু 2013-14 নয়, নিকাশী আদায়ের অর্থ কম হয়েছে 14-15 সালেও। সূত্রের খবর, 2014-15 সালে 7 থেকে 100 নম্বর ওয়ার্ডে 5 কোটি 52 লক্ষ 80 হাজার 391 টাকার বিল হলেও পুরসভা আদায় করেছিল 4 কোটি 88 লক্ষ 40 হাজার 833 টাকা।

ফলে সেখানে 64 লক্ষ 38 হাজার 558 টাকা আদায়ই করা হয়নি। পাশাপাশি এই বছরে 1 থেকে 6 এবং 101 থেকে 144 নম্বর ওয়ার্ডের এই নিকাশি ব্যবস্থার 30 কোটি 11 লক্ষ 9 হাজার 775 টাকার বিল হলেও পুরসভা আদায় করে 20 কোটি 65 লক্ষ 24 হাজার 65 টাকা। হলে এখানেও 2 কোটি 45 লক্ষ 85 হাজার 710 টাকা অনাদায়ী হিসেবেই থেকে যায়। অন্যদিকে 2015-16 তেও এই একই গরমিল দেখা দেয়। আর সিএজির এই রিপোর্টে মাথায় হাত পড়ে পুরসভার অনেক কর্মচারীদেরই। তবে বিষয়টি নিয়ে তেমন মাথা ঘামাতেই দেখা যায়নি পুর প্রশাসনকে।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

 

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

জানা গেছে, সিএজির এই রিপোর্টের ব্যাখ্যা হিসেবে পুরসভার বিল্ডিং বিভাগ একটি নোট পাঠিয়েছিল। কিন্তু সিএজির দাবি, পুরসভার এই ব্যাখ্যায় তারা এতোটুকুও সন্তুষ্ট নয়। সব মিলিয়ে এবার সিএজির রিপোর্টের ভিত্তিতে অনাদায়ী নিকাশি অর্থ আদায়ে ঠিক কী পদক্ষেপ নেয় কলকাতা পৌরসভা এখন সেদিকেই তাকিয়ে সকলে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!