এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > মেদিনীপুর > শুভেন্দু-গড়ে মুখ্যমন্ত্রীর দেওয়া দুর্গাপূজার অনুদানের টাকা ফিরিয়ে দিয়ে চমকে দিল পূজা কমিটি

শুভেন্দু-গড়ে মুখ্যমন্ত্রীর দেওয়া দুর্গাপূজার অনুদানের টাকা ফিরিয়ে দিয়ে চমকে দিল পূজা কমিটি

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্ত্বাধীন বর্তমান রাজ্য সরকারের একটি সিদ্ধান্ত ঘিরে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছিল দুর্গাপূজার আগে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন রাজ্যের মোট ২৮ হাজার পূজা কমিটিকে ১০ হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়া হবে, যার জন্য তিনি মোট ২৮ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছিলেন রাজ্যের কোষাগার থেকে। আর এই সিদ্ধান্ত ঘিরেই তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছিল রাজ্য জুড়ে – যার জের গড়িয়েছে আদালত পর্যন্ত।

রাজ্যের সরকারি কোষাগার মানে আদতে জনগনের ট্যাক্সের টাকা – মুখ্যমন্ত্রী এমনিতেই অভিযোগ করেন বাম আমলের করা দেনার দায়ে ডুবে রয়েছে রাজ্য সরকার। আর সেই কারণেই রাজ্যের উন্নয়ন করতে তীব্র বাধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে তাঁকে। সেই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠেছিল জনগনের ট্যাক্সের টাকা কি এইভাবে কোন ধর্মীয় কারণে ব্যবহার করা যায়? যদিও, মুখ্যমন্ত্রী নিজে জানিয়েছিলেন ইতিমধ্যেই সেই টাকা পূজা কমিটিগুলিকে দিয়ে দেওয়া হয়েছে – সুতরাং তা আর ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না – তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

এই পরিস্থিতিতে মামলা গড়ায় সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। কিন্তু, পূজা কমিটিকে দেওয়া অনুদান নিয়েই এবার উলোট পুরান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিশ্বস্ত সৈনিক হিসাবে পরিচিত শুভেন্দু অধিকারীর খাসতালুকে। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ভীমেশ্বরী বাজার এলাকার ভগবানপুর থানার অধীনস্ত ‘অভিযাত্রী’ নামে পূজা কমিটি মুখ্যমন্ত্রীর দেওয়া এই অনুদান ফিরিয়ে দিল বলে সূত্রের খবর। রাজ্য-রাজনীতিতে কার্যত যা নজিরবিহীন। আর ‘অভিযাত্রীর’ এই সিদ্ধান্ত ঘিরেই শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক।

স্থানীয় সূত্রের খবর অনুযায়ী, অভিযাত্রী ক্লাবও বাংলার আর পাঁচটা পূজা কমিটির মত আর্থিক সমস্যায় আছে। কিন্তু পূজা কমিটিকে টাকা নেওয়ার জন্য ভগবানপুর থানা থেকে ডেকে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু পূজা কমিটি নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়, যতই নিজেদের আর্থিক সমস্যা থাকুক – এইভাবে জনগনের ট্যাক্সের টাকা এইভাবে খরচ করা সঠিক নয়, আর তাই সেই অনুদান নেওয়া সঠিক হবে না। এমনকি, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পূজা কমিটির কর্তার কথায়, যেহেতু ভারতবর্ষ ধর্মনিরপেক্ষ দেশ, তাই ধর্মের কারণে কোন রাজ্য সরকারের অনুদান নেওয়া বাঞ্ছণীয় নয়। যদিও, ‘অভিযাত্রীর’ এই সিদ্ধান্তের পিছনে রাজনৈতিক কারণও দেখছেন কেউ কেউ – সবমিলিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু দুর্গাপুজোয় মুখ্যমন্ত্রীর দেওয়া অনুদান নিয়ে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!