এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > পুজোর মরশুমে রেশনে বড় রকমের খুশির খবর শোনালো রাজ্যসরকার

পুজোর মরশুমে রেশনে বড় রকমের খুশির খবর শোনালো রাজ্যসরকার

বিশ্ব খাদ্য দিবস উপলক্ষ্যে পুজোর মুখেই খুশির খবর শোনালো রাজ্যসরকার। চলতি মাসের ১৬ অক্টোবর বিশ্ব খাদ্য দিবস। আর ঘটনাক্রমে ওইদিনই মহাসপ্তমী পড়েছে। তাই সরকারি অফিস কাছারি সবই বন্ধ থাকবে ওদিন। তাই দিন পাঁচেক আগেই বহরমপুর জেলা প্রশাসনিক ভবনে পালন করা হল বিশ্ব খাদ্য দিবস। এদিন বহরমপুরের ৫০ টি আদিবাসী দুঃস্থ পরিবারের মধ্য চাল,ডাল বিতরণ করল জেলা খাদ্য দপ্তর। একইসঙ্গে জেলার ৬ লক্ষ ১০ হাজার পরিবারের জন্য পুজোর প্যাকেজও ঘোষণা করা হয়েছে। প্যাকেজে থাকছে সর্ষের তেল,রাইসব্রান অয়েল,ময়দা ও চিনি। আগামী সপ্তাহ থেকে রেশন দোকানের মারফত তা বিতরণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।এদিনের অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন জেলা খাদ্য নিয়ামক অরবিন্দ সরকার, জেলা গ্রামোন্নয়ন শাখার আধিকারিক দেবাহুত ইন্দ্র, উপ ভূমি ও ভূমি সংস্কার আধিকারিক কৃষ্ণেন্দু মণ্ডল, এআরসিএস বিনয় বিশ্বাস প্রমুখরা। নানান অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মহা সমারোহে পালিত হল বিশ্ব খাদ্যদিবস।

খাদ্য দপ্তর সূত্র থেকে জানা গিয়েছে জেলায় রেশন দোকান রয়েছে ১২৭০ টি। অন্ত্যোদয় পরিবারের সংখ্যা ১লক্ষ ১৫ হাজার ৪১৪ এবং বিশেষ অগ্রাধিকারভুক্ত পরিবারের সংখ্যা ৪লক্ষ ৯৫ হাজার ১৩২টি। এই পরিবারগুলি গতবছরের মতো এবছরও রেশন দোকান থেকে ১৫দিন অন্তর ৫০০মিলিলিটার করে সর্ষের তেল ও রাইসব্র্যান অয়েল পাবেন। ৫০০মিলিলিটার সর্ষের তেলের প্যাকেটের দাম ধার্য করা হয়েছে ৫২টাকা। এর বাইরে ৩৮ টাকা কেজি দরে ৫০০গ্রাম করে চিনি ও ২৩ টাকা কেজি দরো ময়দা দেওয়া হবে।
জেলা খাদ্য নিয়ামক এ প্রসঙ্গে জানিয়েছে, তেল, চিনি ও ময়দার নমুনা সংগ্রহের কাজ চলছে এখন। আগামী সপ্তাহ থেকে সংশ্লিষ্ট খাদ্যদ্রব্যগুলি বিলি করা হবে অন্ত্যোদয় ও বিশেষ অগ্রাধিকারভুক্ত পরিবারগুলির মধ্যো। ছটপুজো পর্যন্ত চালু থাকবে রাজ্য সরকারের নির্দেশে অনুসারে এই প্যাকেজটি। এমনটাই জানানো হয়েছে।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

জেলা খাদ্য নিয়ামকের তরফ থেকে আরো জানা গেল বিশ্ব খাদ্য দিবস পালনের অনুষ্ঠানে আদিবাসী পরিবারগুলোকে ৫ কেজি চাল এবং ১ কেজি মসুর ডাল সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে দেওয়া হয়েছে। জেলা গ্রামোন্নয়ন শাখা এরজন্যে সংশ্লিষ্ট আদিবাসী পরিবারগুলোর নামের তালিকাও প্রস্তুত করেছে এর জন্য। এর পাশাপাশি দৃষ্টান্তমূলক ভালো কাজের পুরস্কার হিসাবে একজন কৃষক, একটি রাইস মিল, একটি সমবায় সমিতি এবং এক ডিস্ট্রিবিউটরকে স্মারক দিয়ে সম্মানিত করা হয়েছে। তবে গতবছরের তুলনায় এবছর চাল নেওয়ার উপভোক্তা কমেছে। গত বছর ১০০ টি পরিবারকে চাল দেওয়া হয়েছিল। এবছর মাত্র ৫০ টি পরিবারকে চাল দিয়েছে খাদ্য দপ্তর। তবে কেন এমন হল এটা নিয়ে স্পষ্ট করে কিছু জানাতে পারলেন না প্রশাসনিক কর্তারা।

Top
error: Content is protected !!