এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > পূজাশেষের বিষাদের মধ্যেই প্রয়াত হলেন বিজেপি ও কংগ্রেস – দুই শিবিরের দুই হেভিওয়েট নেতা

পূজাশেষের বিষাদের মধ্যেই প্রয়াত হলেন বিজেপি ও কংগ্রেস – দুই শিবিরের দুই হেভিওয়েট নেতা

একদিকে বিজয়া দশমীতে গৌরীর পতিগৃহে যাত্রাকে কেন্দ্র করে মন খারাপ ৮থেকে৮০ সবার।মা আসবে আবার বছর পর তাই বিষাদগ্রস্ত সবাই।ইর এই বিষাদের স্বাদকে কিছুটা বাড়িয়ে দিয়েই দীর্ঘ রোগভোগের পর চলে গেলেন উত্তরপ্রদেশ এবং উত্তরাখণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী নারায়ণ দত্ত তিওয়ারি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৩ বছর। ম্যাক্স হাসপাতালের তরফে জানানো হয়, বৃহস্পতিবার দুপুর ২.৫০ নাগাদ তাঁর মৃত্যু হয়। গত বছর সেপ্টেম্বর থেকে জ্বর এবং নিউমোনিয়া নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী নারায়ণ দত্ত তিওয়ারি তারপর আর তাঁর বাড়ি যাওয়া হল না।

কংগ্রেসের এই প্রবীণ নেতা উত্তরাখণ্ডের নৈনিতালে ১৯২৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা পূর্ণনন্দ তিওয়ারি ছিলেন বন দফতের অফিসার। এলাহবাদ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাজনীতি নিয়ে স্নাতক করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া কালিনই স্বাধীনতা আন্দোলনের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন তিনি। স্বাধীনতার পর অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্ট কংগ্রেস (এআইএসসি)-র মুখ্য সচিব হন তিনি।

১৯৫২ সালে স্বাধীনতার পর উত্তর প্রদেশে প্রথম বিধানসভা নির্বাচনে প্রজা সমাজবাদী পার্টির টিকিটে জিতে বিধায়ক হন এনডি তিওয়ারি। এর পর ১৯৬৩ সালে কংগ্রেসে যোগ দেন তিনি। উল্লেখ্য, ১৯৭৬-৭৭, ১৯৮৪-৮৫, ১৯৮৮-৮৯ তিন বার উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন তিনি।কেন্দ্রেও মন্ত্রীত্ত্ব খরেন তিনি রাজীব গান্ধীর প্রধানমন্ত্রীত্ব কালে বিদেশ ও অর্থ মন্ত্রক সামলাতে হয়েছে তাঁকে। তিনিই দেশের প্রথম ব্যক্তি, উত্তর প্রদেশের পর অন্য একটি রাজ্যের (উত্তরাখণ্ড) মুখ্যমন্ত্রী হন। এমনকি তিওয়ারিই একমাত্র উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীর পূর্ণ মেয়াদ সম্পূর্ণ করেন। এখনও পর্যন্ত উত্তরাখণ্ডের কোনও মুখ্যমন্ত্রীর এই কৃতিত্ব নেই। ২০০৭ সালে অন্ধ্র প্রদেশের রাজ্যপালও ছিলেন এনডি তিওয়ারি।

আবার একদিকে যেখানে উত্‍সবের মেজাজে সকলে দসেরাতে ব্যস্ত। অন্যদিকে তখন সেখানেই বিজেপি শিবিরে শোকের ছায়া। বিহারের বেগুসরাইয়ে লোকসভার সাংসদ ভোলা সিং দিল্লিতে মনোহর লোহিয়া হাসপাতালে এদিন পরলোকগমন করেপ।

উল্লেখ্য, বহুদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন বিজেপির এই নেতা। দিল্লিতে মনোহর লোহিয়া হাসপাতালে অনেক দিন থেকেই চিকিত্‍সাধীন ছিলেন তিনি। শুক্রবার তাঁর প্রয়াণে শোকের ছায়া শিবিরে। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৭।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো  করুন এই লিঙ্কেখবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

 

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক

প্রসঙ্গত, শহরের উন্নয়নমন্ত্রীও ছিলেন তিনি। ১৯৬৭ সালে বেগুসরাইয়ে নির্দলীয় বিধায়ক হিসেবে তাঁকে নির্বাচন করা হয়েছিল। ৮ বার তিনি বেগুসরাই থেকে বিধায়ক হিসেবে নির্বাচিত হন। ২০০৯ সালে নওয়াদা এবং ২০১৪ সালে বেগুসরাই থেকে সাংসদও হন তিনি। এছাড়া বিহারের শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্বও সামলেছিলেন তিনি। বিজেপি নেতার প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করে ট্যুইট করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!