এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর রাজনৈতিক যাত্রাপথে সব থেকে বড় অস্বস্তির কারণ হবে তাঁরই একান্ত আপনজন?

প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর রাজনৈতিক যাত্রাপথে সব থেকে বড় অস্বস্তির কারণ হবে তাঁরই একান্ত আপনজন?

বরাবরই কংগ্রেসের ফার্স্ট ফ্যামিলি হিসেবে পরিচিত নেহেরু গান্ধী পরিবার দীর্ঘদিন ধরেই ভারতবর্ষের রাজনীতিতে এবং কংগ্রেসের সর্বোচ্চ ক্ষমতায় রয়েছে এই বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। ইতিপূর্বে রাজীব গান্ধীর মৃত্যুর পর যেমন কংগ্রেসের মধ্যে অস্থিরতা দেখা দিয়েছিল, তখন দলের অন্দর থেকেই আওয়াজ উঠেছিল সোনিয়া লাও কংগ্রেস বাঁচাও।

তারপরে দীর্ঘদিন ভারতবর্ষের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় ইউপিএ ওয়ান এবং ইউপিএ 2 সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে মনমোহন সিংকে পেলেও দলের অন্তরাত্মা হিসেবে কাজ করেছেন সোনিয়া গান্ধী। 2018 সালে প্রবল মোদি ঝড়ে যখন কংগ্রেস শিবির প্রায় বিধ্বস্ত, ঠিক সেইসময় কংগ্রেস থেকে একাধিকবার আওয়াজ উঠেছে “প্রিয়াঙ্কা লাও কংগ্রেস বাচাও”।

প্রথমদিকে শুধু সোনিয়া এবং রাহুল গান্ধীর নির্বাচনী ক্ষেত্রে প্রচার করলেও অভ্যন্তর থেকে দলকে বিভিন্নভাবে পরামর্শ দিয়েছেন প্রিয়াঙ্কা। কিন্তু 2019 সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে সক্রিয় রাজনীতিতে একেবারে কংগ্রেসের মহাসচিব পদে অভিষিক্ত হয়ে রীতিমতো রাজনৈতিক চমক দিলেন প্রিয়াঙ্কা।

স্বাভাবিকভাবেই ভারতবর্ষে রাজনীতিতে আয়রন লেডি হিসেবে পরিচিত ইন্দিরা গান্ধীর প্রতিচ্ছবি প্রিয়াঙ্কার মধ্যে দেখা যায় এ কথা শত্রু মিত্র উভয়ই মানেন। তাই বরাবরই রাজনৈতিক দিক থেকে দাদা রাহুলের থেকে অনেকটাই এগিয়ে বোন প্রিয়াঙ্কা। তাই এবার সেই ভাবমূর্তিকেই সরাসরি সংগঠন ও ভোটের বাক্সে প্রতিফলিত করতে চায় ভারতের জাতীয় কংগ্রেস।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

আর এখানে উঠছে প্রশ্নে পাকিস্তানের ভূতপূর্ব প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টো যেমন তাঁর স্বামী আসিফ আলি জারদারির দুর্নীতির জন্য অনেকটাই রাজনৈতিক সমস্যায় পড়েছিলেন, ঠিক তেমনি প্রিয়াঙ্কা সামনে উপস্থিত প্রশ্ন তিনি কি স্বামী রবাট বঢ়রার অর্থনৈতিক কেলেঙ্কারির বেড়াজাল কাটিয়ে নিজের রাজনৈতিক প্রতিপত্তি বৃদ্ধি করতে পারবেন? ভারতবর্ষে লোকসভা ভোটের আগে এটাই এখন বড় প্রশ্ন।

যদিও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ায় যথেষ্ট আত্মবিশ্বাস ও ও পুনর্জীবনের টনিক পেয়েছে কংগ্রেস, তথাপি একটা প্রশ্ন থেকেই যায় বিকানের জমি কেলেঙ্কারি সহ একাধিক কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত রবাট বঢ়রা কি বিঘ্নিত করবে প্রিয়াঙ্কার ভাবমূর্তি? বিগত মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান এবং ছত্রিশগড়ের বিধানসভা নির্বাচনের জয় যেমন চাঙ্গা করেছে কংগ্রেসকে, ঠিক তেমনই প্রিয়াঙ্কার রাজনৈতিক রণাঙ্গনে সরাসরি অংশগ্রহণ কংগ্রেসের রাজনৈতিক চমক বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

তাই কেন্দ্রের শাসক দল বিজেপি থেকে আসছে একের পর এক কটাক্ষ। যদিও রাহুল গান্ধীকে একাধিকবার কটাক্ষ করলেও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে কখনোই সেই অর্থে কটাক্ষ করতে দেখা যায়নি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। তবুও প্রশ্ন থেকেই যায় 2019 র এই লড়াইয়ে শত্রুপক্ষকে প্রতিহত করতে পারবেন কি ভাই-বোনের জুড়ি? আর ব্যক্তিগত পারিবারিক দুর্নীতির অভিযোগে কি হবে প্রিয়াঙ্কার পায়ের বেড়ি? এই প্রশ্নেই এখন তোলপাড় জাতীয় রাজনীতি।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!