এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > হারানো জমি পুনরুদ্ধারে পিকে এবার তৃণমূলের সংগঠনে ঢুকিয়ে দিলেন সিপিএমের স্ট্র্যাটেজি!

হারানো জমি পুনরুদ্ধারে পিকে এবার তৃণমূলের সংগঠনে ঢুকিয়ে দিলেন সিপিএমের স্ট্র্যাটেজি!

সদ্যসমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে বাংলায় তৃণমূল কংগ্রেস কিছুটা ধাক্কা খাওয়ার পরই হুশ ফেরে তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। সংগঠনকে এবার একটু পরিবর্তন করা দরকার, সেই ব্যাপারে সজাগ হয়ে ভোটগুরু হিসেবে প্রশান্ত কিশোরকে নিজের দলের রণনীতিকার হিসেবে নিয়োগ করেন তৃণমূল সুপ্রিমো। যার পরেই সেই প্রশান্ত কিশোর এবং তার টিমের প্ল্যানে চলতে শুরু করে গোটা তৃণমূল পরিবার।

“দিদিকে বলো” কর্মসূচিকে দিয়ে ইতিমধ্যেই গোটা তৃণমূল দলের জনপ্রতিনিধিদেরকে সাধারণ মানুষের দুয়ারে দুয়ারে পাঠিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছেন সেই প্রশান্ত কিশোর। আর তৃণমূলের এই জনসংযোগ কর্মসূচি কার্যত বিজেপির নকল করা বলে পাল্টা ঘাসফুল শিবিরের বিরুদ্ধে সুর চড়াতে দেখা গেছে বঙ্গ বিজেপি নেতাদের। কিন্তু তাতে কান দেয়নি তৃনমূল। তবে এবার বিজেপির পর সিপিএমের পথেই হাঁটতে শুরু করল রাজ্যের শাসক দল।

বস্তুত, এতদিন বামপন্থী দলেই “ক্যাডার” নামক শব্দটি ব্যবহার হত। কিন্তু এবার সেই ক্যাডার শব্দটিকে তৃণমূলের পাশেও বসিয়ে দিতে চাইছেন প্রশান্ত কিশোর। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, দক্ষিণপন্থী দলগুলোর সাংগঠনিক বিন্যাসে তেমনভাবে ক্যাডারের কোনো জায়গা ছিল না। একমাত্র বামপন্থী দল এবং সিপিএমের সংগঠনেই এই ক্যাডার শব্দটি প্রচলিত ছিল। দলের সংগঠন কিভাবে চলবে, তা মূলত বামপন্থীদের এই ক্যাডাররাই নির্ধারণ করে দিত। কিন্তু এবার তৃনমূলের অভিধানেও সেই ক্যাডার শব্দটি প্রবেশ করল।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

জানা গেছে, দলের সংগঠনকে চাঙ্গা করতে এই ক্যাডারদের নাম এবং ফোন নম্বর বিধায়কদের কাছে চেয়ে পাঠিয়েছে প্রশান্ত কিশোরের টিম। কিন্তু যেখানে তৃণমূলের বিধায়ক বা জনপ্রতিনিধিরাই শেষ কথা বলে, সেখানে ক্যাডারদের উপর কেন এত ভরসা করতে শুরু করলেন প্রশান্ত কিশোর!

বিশ্লেষকরা বলছেন, যদি কোথাও জনসংযোগ কর্মসূচিতে তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিকে কাজের মনে না হয়, তাহলে এই ক্যাডারদের মধ্যে থেকেই কাউকে বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। আর তাই তৃণমূলে ক্যাডাররাজ আনার চিন্তাভাবনা শুরু করেছেন ভোটগুরু।

কিন্তু ক্ষমতায় আসার আগে অর্থাৎ 2011 সালের আগে তৎকালীন বাম সরকারের ক্যাডারদের বিরুদ্ধে যেভাবে প্রায়শই আক্রমণ করতে দেখা যেত তৃণমূলকে, ক্ষমতায় এসে সেই তৃণমূল সিপিএমের পন্থা অনুসরণ করলে সাধারন মানুষ কি তা ভালো চোখে নেবে!

এদিন এই প্রসঙ্গে তৃণমূলের এক শীর্ষ নেতা বলেন, “ব্যাপারটা আলাদা কিছু নয়। আমরা কখনও দলীয় কর্মী সমর্থকদের ক্যাডার হিসেবে উল্লেখ করি না। কারণ দল হিসেবে তৃণমূল সিপিএম বা অন্য কমিউনিস্ট পার্টির ঘরানার নয়।” আর তৃনমূলের এই নেতার কথাতেই স্পষ্ট যে, ভোটগুরু প্রশান্ত কিশোর তৃণমূলকে ক্যাডার সম্বল দল করতে চাইলেও তাতে যে কিছুটা হলেও আপত্তি রয়েছে একাংশের, তা বুঝতে বাকি নেই কারোরই।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!