এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > উত্তরবঙ্গ > নেত্রীর নির্দেশেই সৌরভের পর পদ হারালেন এই হেভিওয়েট নেতা ,জোর জল্পনা রাজ্যে

নেত্রীর নির্দেশেই সৌরভের পর পদ হারালেন এই হেভিওয়েট নেতা ,জোর জল্পনা রাজ্যে

Priyo Bandhu Media


অনেকদিন ধরেই জল্পনা চলছিল। অবশেষে সেই জল্পনায় সীলমোহর পড়ল। পদ খোয়া গেল জলপাইগুড়ি জেলা তৃণমূল সভাপতি সৌরভ চক্রবর্তীর। বস্তুত, লোকসভা নির্বাচনে এবার তৃণমূল মোটে 22 টি আসন বাংলা থেকে দখল করেছে। আর দলের এই খারাপ ফলাফলের পেছনে সব থেকে বেশি দায়ী উত্তরবঙ্গ।

কেননা এখানে আটটি আসনের মধ্যে একটি আসনও দখল করতে পারেনি ঘাসফুল শিবির। আর এরপরই ফলাফল পর্যালোচনার বৈঠকে একাধিক জেলার সংগঠনে পরিবর্তন আনেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় সংগঠনের ক্ষেত্রে তৃণমূল নেত্রী পরিবর্তন আনলেও জলপাইগুড়ি জেলায় তৃণমূলের সভাপতি পদ থেকে সৌরভ চক্রবর্তীকে সরাননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

মঙ্গলবার জলপাইগুড়ি ক্লাবের পূর্ত দপ্তরের পরিদর্শন বাংলোতে জেলা তৃণমূল নেতৃত্বের সাথে বৈঠক করেন জেলা তৃণমূলের পর্যবেক্ষক তথা রাজ্যের পূর্তমন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। আর সেখানেই আলিপুরদুয়ারের বিধায়ক তথা জলপাইগুড়ি জেলা তৃণমূল সভাপতি সৌরভ চক্রবর্তীকে জেলা তৃণমূল সভাপতি পদ থেকে সরিয়ে সেখানে দায়িত্ব দেওয়া হয় সেই সৌরভবাবুরই ঘোর বিরোধী বলে পরিচিত প্রাক্তন জেলা সভাপতি কৃষ্ণকুমার কল্যানীকে।

প্রসঙ্গত, এর আগে সৌরভ চক্রবর্তীকে শিলিগুড়ি জলপাইগুড়ি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান পদ থেকে সরিয়ে সেখানে প্রাক্তন সাংসদ বিজয়চন্দ্র বর্মনকে চেয়ারম্যান করা হয়েছিল। তবে এদিন শুধু সৌরভবাবুই পদ হারাননি।

এদিন আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়ি দুই জেলার সভাপতি বদল করে তৃণমূল। আলিপুরদুয়ার জেলা সভাপতির পদ থেকে মোহন শর্মাকে সরিয়ে সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয় জেলার পুরনো তৃণমূল কংগ্রেস নেতা দেবাশিস গোস্বামীকে (মৃদুল)।

ওই বৈঠকে দুই জেলার সভাপতি বদলের সিদ্ধান্ত জানিয়ে তিনি বলেন, “সামনে ২১ এ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে এই দুই জেলায় দলকে আরও শক্তিশালী করার জন্য এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশেই দুই জেলার সভাপতি বদল করা হয়েছে। দলের কর্মীদের আরও ভালো ভাবে কাজ করতে বলা হয়েছে।”

আর এই মন্তব্যের পর জল্পনা যে এতদিন পর কেন সভাপতি বদল। লোকসভা ভোট মিটে গেছে অনেক দিন। তবে কি অন্য কোনো কারণেই পদ হারালেন দুই হেভিওয়েট নেতা , জল্পনা তুঙ্গে।

 

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!