এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে “সংকীর্ণ রাজনীতি” করব না বলেও, যুদ্ধ থেকে মোদীর লাভ “আটকানোয়” লক্ষ্য – স্পষ্ট করলেন মমতারা

জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে “সংকীর্ণ রাজনীতি” করব না বলেও, যুদ্ধ থেকে মোদীর লাভ “আটকানোয়” লক্ষ্য – স্পষ্ট করলেন মমতারা

গত 14 ই ফেব্রুয়ারি ভালোবাসার পবিত্র দিনে ভারতের জম্মু কাশ্মীরের পুলওয়ামা জেলায় পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠনের আঘাতে প্রাণ হারান দেশের প্রায় 42 জন জওয়ান। আর এই ঘটনায় দেশের আবেগকে গুরুত্ব দিয়ে দলমত নির্বিশেষে প্রায় প্রতিটি রাজনৈতিক দলই সরকারের পাশে থেকে পাকিস্তানের প্রতি চরম আঘাত হানার দাবি জানান।

আর দেশের প্রতিটি মহল থেকে পাকিস্তানের প্রতি বদলা আনার দাবিতে প্রায় প্রত্যেকেই সোচ্চার হলে সম্প্রতি ভারতীয় বায়ুসেনা পাকিস্তানে ঢুকে তাদের জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি প্রায় 300 জন জঙ্গিকে হত্যা করে বলে খবর। আর ভারতীয় বায়ুসেনার এহেন সাফল্যে প্রশংসায় পঞ্চমুখ দেশের সকলে।

আর এহেন একটা পরিস্থিতিতে প্রথমে পুলওয়ামার নৃশংস হত্যাকাণ্ড নিয়ে রাজনীতি করা হবে না বলে জানালেও এবার সেই রাজনীতির সুরই টেনে আনলেন বিরোধী মহাজোটের নেতা-নেত্রীরা। যা দেখে হতবাক রাজনৈতিক মহলের একাংশও। সূত্রের খবর, গতকাল 21 টি বিরোধী দলের নেতা-নেত্রীদের নিয়ে দিল্লিতে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। কংগ্রেসের আয়োজনে সংসদের লাইব্রেরী বিল্ডিংয়ে দুপুরের এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সোনিয়া গান্ধী।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

এদিকে বৈঠকের প্রথম দিকে রাহুল গান্ধী, মনমোহন সিং, শরদ পাওয়ার, চন্দ্রবাবু নাইডু, সীতারাম ইয়েচুরি, শিবু সোরেন, মায়াবতী, সতীশ মিশ্র আসলেও উপস্থিত হননি তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিকে তৃণমূল নেত্রীর এই বৈঠকে আসতে দেরি দেখে তাঁকে ফোন করেন আহমেদ প্যাটেল। আর এরপরই ডেরেক ও ব্রায়েনকে সাথে নিয়ে সেই মিটিংয়ে উপস্থিত হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

আর তিন ঘণ্টার এই বৈঠকে প্রায় সমস্ত বিরোধী দলই পাকিস্তানের আচরণের নিন্দা করার পাশাপাশি ভারতের বায়ুসেনার সাফল্যের কথা উল্লেখ করে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হন। বায়ুসেনার তরফে পাকিস্তানের প্রতি বদলা এবং ভারতের এই সাফল্যে কোনোভাবেই নরেন্দ্র মোদিকে রাজনৈতিক ফায়দা তুলতে দেওয়া হবে না বলে এই মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত নেন বিরোধীরা। আর বিরোধীদের এহেন সিদ্ধান্তের ঘটনাতেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র জল্পনা।

একাংশের মতে, যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ বিজেপি বিরোধী দলের নেতা নেত্রীরা একসময় জাতীয় আবেগের কথা উল্লেখ করে দলমত নির্বিশেষে পুলওয়ামার ঘটনায় সকলের সরকারের পাশে থাকা উচিত বলে উল্লেখ করেছেন, সেই তারাই বিরোধীদের মহাজোটে কেন্দ্রের শাসকদল বিজেপি যাতে রাজনৈতিক ফায়দা তুলতে না পারে তার জন্য সেই কথা তুলে ধরে এক সিদ্ধান্ত নিলেন।

আর বিরোধী মহাজোটের এহেন সিদ্ধান্তেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে যে, তাহলে কি বিজেপি রাজনৈতিক ফায়দা আনছে এই কথা বলে আদতে জাতীয় নিরাপত্তা ইস্যুতে লোকসভা নির্বাচনের আগে নিজেদের রাজনৈতিক ফায়দা তোলারই চেষ্টা করছে বিরোধী মহাজোট! প্রশ্নটা থেকেই যাচ্ছে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!