এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > পুরুলিয়া-ঝাড়গ্রাম-বাঁকুড়া > সর্ষের মধ্যেই ভূত! পুলিশের বাড়িতে চোলাইয়ের কারবারের খবর পেয়ে তদন্তে গিয়ে মার খেলেন আবগারি দপ্তরের কর্মী!

সর্ষের মধ্যেই ভূত! পুলিশের বাড়িতে চোলাইয়ের কারবারের খবর পেয়ে তদন্তে গিয়ে মার খেলেন আবগারি দপ্তরের কর্মী!


বিষমদ কান্ড নিয়ে রীতিমত উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। বিষমদ কাণ্ডে মৃত্যুর পর স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চোলাই বন্ধে কড়া নির্দেশ দিয়েছেন রাজ্য প্রশাসনকে। আর তারপর থেকেই রাজ্যের আবগারি দপ্তরের তৎপরতা চোখে পড়ার মত বৃদ্ধি পেয়েছে।

কিন্তু, সেই চোলাই কাণ্ডে এবার সর্ষের মধ্যেই ভূত! সূত্রের খবর পেয়ে ঝাড়গ্রামের জামবনী থানা এলাকায় জেলা পুলিশেরই এক কনস্টেবেলের বাড়িতে হানা দেন আবগারি দপ্তরের লোকজন – যে দলের নেতৃত্ত্বে ছিলেন রজত দাস নামে আবগারি দপ্তরের আসিস্ট্যান্ট সাব-ইন্সপেক্টর।

WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

যে সময় হানা দেওয়া হয়, তখন চোলাই তৈরী হচ্ছিল বলে জানা গেছে। কিন্তু, আবগারি দপ্তরের দলটি পৌঁছাতেই মহিলারা লাঠি নিয়ে তেড়ে আসেন এবং রজতবাবুকে গাছের ডাল দিয়ে পেটানো হয় বলে অভিযোগ। এরপর স্থানীয় বাসিন্দাদের তাড়ায় পিছু হটতে বাধ্য হন আবগারি দপ্তরের আধিকারিক ও কর্মীরা। পরে অবশ্য এই নিয়ে জামবনী থানায় অভিযোগ জানানো হয়।

তবে, সবথেকে বড় কথা রজতবাবুদের মহিলারা লাঠি উঁচিয়ে ভয় দেখালেও মারেননি বলে অভিযোগ। এমনকি, স্থানীয় বাসিন্দারা তীর, ধনুক, কুড়ুল, লাঠি নিয়ে আবগারি দপ্তরের লোকজনকে তাড়া করেন বা ফের গ্রামে ঢুকলে প্রাণে মারার হুমকি দেন। কিন্তু, রজতবাবুকে পিছনের দিক থেকে ওই পুলিশ কর্মী গাছের মোটা ডাল দিয়ে মারধর করেন বলে অভিযোগ। সব মিলিয়ে চোলাই অভিযানে গিয়ে – পুলিশের হাতেই মার খাওয়া নিয়ে রীতিমত শোরগোল পরে গেছে আবগারি দপ্তরে।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!