এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > পুলিশে অভিযোগের পরেই ‘হঠাৎ নিখোঁজ’ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি, এলাকায় চাঞ্চল্য

পুলিশে অভিযোগের পরেই ‘হঠাৎ নিখোঁজ’ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি, এলাকায় চাঞ্চল্য

উত্তর বঙ্গের রায়গঞ্জের কংগ্রেস কর্মী এবং রায়গঞ্জ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি লিয়াকত আলি’র আকষ্মিক নিরুদ্দেশের ঘটনায় এলাকা জুড়ে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ালো। কংগ্রেস নেতা পবিত্র চন্দের অভিযোগ অনুয়ারী এদিন প্রায় কয়েক ঘন্টা যাবৎ লিয়াকত আলি এবং তাঁর স্ত্রীর কোনো খবর পাওয়া যাচ্ছেনা।উল্লেখ্য এদিন সকালে লিয়াকত আলির বাড়ি ঘেরাও করে তাঁকে একপ্রকার গৃহবন্দী করে রাখার প্রচেষ্টায় গোটা রায়গঞ্জ শহর উত্তাল হয়ে ওঠে। জেলা কংগ্রেসের পক্ষ থেকে অভিযোগ উঠেছে গতদিন রাত থেকেই রায়গঞ্জের পূর্বাশা পাড়ায় তার বাড়ি ঘিরে ধরে প্রায় ২০ জন যুবক। এদিন সকাল অবধি কার্যতই তাঁকে গৃহবন্দি করে রাখা হয়।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

কংগ্রেস জেলা নেতৃত্ব থেকে পাওয়া খবর অনুয়ারী এদিন সকালে লিয়াকত বাবুর নিজের গ্রামের বাড়িতে চলে যাওয়ার কথা ছিল এবং সেখান থেকেই তিনি নির্বাচনী প্রচারে অংশ গ্রহণ করবেন এমন পরিকল্পনা ছিলো। কিন্তু তার আগেই হঠাৎ তিনি নিরুদ্দেশ হয়ে যাওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই গোটা শহর জুড়েই ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।জেলা কংগ্রেসের তরফে অভিযোগ করা হয়েছে, দলীয় কর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে দুষ্কৃতীরা রাস্তা ছেড়ে আশেপাশের বাড়িতে লুকিয়ে পড়ে এবং সেখান থেকেই পরিস্থিতির ওপরে নজর রাখতে শুরু করেন। এদিন লিয়াকত আলি-তাঁর এবং তাঁর পরিবারের নিরাপত্তার আর্জি জানিয়ে জেলাশাসক ও জেলা পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ জানান। আর যেহেতু তিনি ঐ সময়ে গৃহবন্দী ছিলেন তাই জেলা কংগ্রেসের পঞ্চায়েত ভোটের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা পবিত্র চন্দ মারফত তাঁর লিখিত অভিযোগ জেলা শাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে পাঠিয়ে দেন। এছাড়াও লিয়াকত আলির নিরুদ্দেশের খবর জানার পরবর্তীতে জেলা কংগ্রেস সভাপতি মোহিত সেনগুপ্ত জেলাশাসক ও সুপারের কাছে মৌখিক অভিযোগও জানান। কিন্তু এতবার করে মৌখিক অভিযোগ জানানোর পরেও পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। এখন অভিযোগ উঠছে প্রশাসনের কর্তব্যের গাফিলতির কারণেই এই অপহরণের ঘটনা ঘটলো জেলায়।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!