এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > পুলিশ সদর দপ্তরের ঢিলছোৱা দূরত্ত্বে ভাড়াটে গুন্ডা দিয়ে পুলিশ স্বামীকে পেটাল স্ত্রী

পুলিশ সদর দপ্তরের ঢিলছোৱা দূরত্ত্বে ভাড়াটে গুন্ডা দিয়ে পুলিশ স্বামীকে পেটাল স্ত্রী

ভর সন্ধেবেলা রাজ্য পুলিশের সদর দফতর লাল বাজারের একদম নাকের ডগায় ভাড়াটে গুন্ডা নিয়ে এসে পুলিশ স্বামীকে বেধড়ক মারের অভিযোগ উঠলো স্তী’র বিরুদ্ধে। জানা যাচ্ছে এদিন রাত ৮ টা নাগাদ চিৎপুর নিবাসী লালবাজারে হোমগার্ড পদে নিযুক্ত সৌমজিৎ সরকার কাজ শেষ করে বাড়ি ফিরছিলেন।  তিনি দাবি করলেন বউবাজারের কাছাকাছি আসতেই আচমকা বেশ কয়েক জন লোক তাঁকে ঘিরে ধরেন। ব্যাপার টা বুঝে ওঠার আগেই ঐ অজ্ঞাত লোকজন তাঁকে বেধড়ক মারতে শুরু করে। এমন সময়ে আক্রান্ত সৌমজিৎ বাবু দেখতে পান তাঁর স্ত্রী সৌরাঙ্কি ঘটনাস্থলের পাশেই দাঁড়িয়ে রয়েছে। তখনই গোটা বিষয় টা স্পষ্ট হয়ে যায় তাঁর কাছে যে ভাড়াটে গুন্ডা নিয়ে এসে স্ত্রী-ই তাঁকে মারধর করাচ্ছেন। কোনো মতে তিনি নিজের প্রাণ বাঁচিয়ে লাল বাজারে ফিরে যান। তাঁর সহকর্মীরা জামাকাপড় ছেঁড়া, বিধ্বস্ত অবস্থায় তাঁকে দেখে অবাক হয়ে যান। আক্রান্ত সৌমজিৎ বাবুর থেকে ঘটনার বিস্তারিত তথ্য পেয়ে তাঁর সহকর্মীরা তাঁকে চিকিৎসার জন্যে হাসপাতালে নিয়ে যান । এরপরে তিনি বউবাজার থানায় তাঁর স্ত্রী এবং কয়েক জনের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ দায়ের করেন।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

উল্লেখ্য ২০১৬ সালে ৯ই ডিসেম্বর সৌম্যজিৎ বাবুর সাথে  পাণ্ডুয়া নিবাসী সৌরাঙ্কির বিয়ে হয়েছিল। বিয়ের পর থেকেই তাঁদের মধ্যে অশান্তি লেগেই থাকত। এই বিষয়ে উভয় পক্ষ চিৎপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। সৌমজিৎ জানা যাচ্ছে কথা অনুসারে জানা যাচ্ছে গত মার্চে তাঁর স্ত্রী বাড়ি ছেড়ে পাণ্ডুয়ায় চলে যান। তারপর থেকে সৌরাঙ্কি দেবী তিনি সেখানেই ছিলেন। ঐদিন রাতে সৌমজিৎ বাবুকে শাস্তি দিতেই দুষ্কৃতীদের সঙ্গে নিয়ে এসে মারধর করেন। যদিও এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ নাকচ করে সৌরাঙ্কি দেবী বললেন, “আমি পাণ্ডুয়াতে ছিলাম। এ ঘটনার সঙ্গে কোনও ভাবেই জড়িত নই।” উলটে সৌমজিৎ বাবু এবং তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে তিনি বললেন, “গত তিন মাস ধরে ওঁরা আমাকে বাড়িতে ঢুকতে দিচ্ছে না। এমনকী মারধরও করেছে আমাকে।” পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে বলে জানিয়েছে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!