এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > প্রধানমন্ত্রীর মেদিনীপুরের কৃষক সভাতে মঞ্চ ভাঙা কান্ডে বিস্ফোরোক তথ্য উঠে এল

প্রধানমন্ত্রীর মেদিনীপুরের কৃষক সভাতে মঞ্চ ভাঙা কান্ডে বিস্ফোরোক তথ্য উঠে এল

মেদিনীপুরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভায় আচমকা প্যান্ডেলের একটা অংশ ভেঙে পড়ায় সোরগোল পড়ে যায় সভাস্থলে। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালেও ভর্তি হন অনেকে। মঙ্গলবার কোলকাতায় পৌছেই এই ঘটনায় সঠিক তদন্তের জন্য কেন্দ্রীয় তদন্তকারী দলের তরফে কেন্দ্রের নিরাপত্তা বিষয়ক সচিব এস কে সিনহা এবং যুগ্মসচিব আরতি ভাটনগর মেদিনীপুরের ওই এলাকা পরিদর্শন করেন এবং রাজ্যের পুলিশ প্রশাসন ও বিজেপি নেতাদের সাথে দফায় দফায় আলোচনা করেন।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

——————————————————————————————-

 এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

বুধবার মেদিনীপুর সার্কিট হাউসে এই কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদলের তরফে রাজ্যের পূর্ত দপ্তরের কর্তাদের ডাকা হলে সেখানে উপস্থিত হন রাজ্যের পূর্ত দপ্তরের এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার প্রদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল। জানা গেছে,এদিন জেলার সার্কিট হাউসের বৈঠকে কেন এই অনুষ্টানের ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছিল? এই প্রশ্ন কেন্দ্রের তরফে রাজ্যের কর্তাদের কাছে করা হলে তাঁরা জানান, সভার তিন দিন আগে এসপিজির সাথে তাঁদের একটি সমন্বয় বৈঠক হয়। আর এরপরই শুধুমাত্র প্রধানমন্ত্রীর মঞ্চ পরিদর্শন করেন রাজ্যের পূর্ত দপ্তরের কর্তারা।

কিন্তু এছাড়াও তো আরও তিনটি পৃথক পৃথক মঞ্চ ছিল! সেগুলো কেন পরিদর্শন করা হয়নি! উত্তরে রাজ্যের পূর্ত দপ্তরের কর্তারা জানান, প্রধানমন্ত্রীর মঞ্চ বাদে বাকিটা দেখার দায়িত্ব তাঁদের ছিল না। আর এতেই রিতীমত হতবাক হয়ে যান কেন্দ্রের তদন্তকারী আধিকারিকেরা। কারন এসপিজির সাথে বৈঠকে স্থানীয় প্রশাসন শুধুমাত্র প্রধানমন্ত্রীর সভামঞ্চরই তদারকি করবেন আর বাকি মঞ্চগুলোর করবেন না তা কখনই হতে পারে না। সাথে সাথে কেন্দ্রের আধিকারিকেরা রাজ্যের আধিকারিকদের জানিয়ে দেয়, প্রধানমন্ত্রীর মঞ্চের দায়িত্বে এসপিজি থাকলেও সেই এলাকায় যাতে কোনো সমস্যা বা দুর্ঘটনা না ঘটে তা দেখার দ্বায়িত্ব পুরোটাই রাজ্যের।

জানা গেছে, মঙ্গলবার দিনভর কেন্দ্রীয় আধিকারিকেরা বিভিন্ন অফিসারদের সাথে মেদিনীপুর সার্কিট হাউসে বৈঠক করেন। বুধবার সকালে সেই স্থান পরিদর্শন করলেও এখনও পর্যন্ত 16 ই জুলাইয়ের প্রধানমন্ত্রীর সভার আয়োজক ও রাজ্য প্রশাসনের কর্তাদের মধ্যে বড় মাপের বৈসাদৃশ্য লক্ষ করছেন কেন্দ্রের তদন্তকারী আধিকারিকেরা। জানা গেছে, প্রয়োজনে তদন্তের স্বার্থে নবান্নর সাথে কথা বলে বুধবার বিকেলেই তাঁরা সব দিক খতিয়ে দেখে নিজেদের রিপোর্ট পেশ করবেন। সব মিলিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভায় মঞ্চ ভাঙা নিয়েও ফের কেন্দ্র ও রাজ্য প্রশাসনের মধ্যে ফাটল ধরতে শুরু করল।

আপনার মতামত জানান -
Top