এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > নরেন্দ্র মোদীর বিদেশ নীতিই কি এই কঠিন পরিস্থিতিতে ভারতকে বিশ্বের দরবারে কূটনৈতিক সাহায্য পেতে সাহায্য করছে?

নরেন্দ্র মোদীর বিদেশ নীতিই কি এই কঠিন পরিস্থিতিতে ভারতকে বিশ্বের দরবারে কূটনৈতিক সাহায্য পেতে সাহায্য করছে?

২০১৪ সালে কেন্দ্রের ক্ষমতায় আসার পরই বিজেপির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী প্রায়ই বিদেশ সফরে যাওয়ার কর্মসূচি রাখতেন। আর এই ঘটনা নিয়ে বিরোধীদের প্রবল কটাক্ষের মুখে পড়তে হয়েছিল কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকে। প্রধানমন্ত্রী “ভ্রমণ পিপাসু” মানুষ বলেও নরেন্দ্র মোদিকে তুলোধুনা করতে দেখা গেছে বিরোধীদের – এমনকি লোকসভার আসনে বসেও ‘সিট-বেল্ট’ খুঁজছেন প্রধানমন্ত্রী বলেও কম হাসি-মস্করা হয় নি। তবে বিরোধীদের এহেন কটাক্ষের মাঝেও প্রধানমন্ত্রীর দাবি ছিল, তিনি ভারতের বিদেশ নীতিকে শক্তিশালী করার জন্যই এত বিদেশ সফরে যাচ্ছেন।

তবে বিরোধীদের তরফে অবশ্য তখন সেই সমস্ত দাবি মানা হয়নি। কিন্তু “সবুরে যে মেওয়া ফলে” তা প্রমাণ করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাইতো যখন ১৪ ই ফেব্রুয়ারি ভালোবাসার দিনে ভারতবর্ষের ৪২ জন সেনাকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিল পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠন, ঠিক তখনই পাকিস্তানের প্রতি বদলা নিতে ভারতের পাশে দাঁড়াতে দেখা গেল বিশ্বের তাবড় তাবড় দেশের রাষ্ট্রনায়কদের। আর দুঃসময়ে ভারত যেভাবে সকল রাষ্ট্রনায়কদের পাশে পেল এর পেছনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সফল বিদেশ নীতিই রয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

আপনার মতামত জানান -

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বিভিন্ন দেশ সফর করে সেই দেশের রাষ্ট্রনায়কদের কাছে এটা প্রমাণ করবার চেষ্টা করেছেন যে, ভারত বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী গণতান্ত্রিক দেশ। সুতরাং সেই দেশগুলোর সঙ্গে ভারতবর্ষের সম্পর্ক সবাইকে সমস্ত সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেবে ভারত। আর প্রধানমন্ত্রীর এই বিদেশনীতি যে অত্যন্ত ভালোভাবেই কাজে দিয়েছে তা প্রমাণ হয়ে গেল পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠনের দ্বারা ভারতের সেনাদের প্রতি এই নৃসংশ আক্রমণের ঘটনাতেই। পাকিস্তানের প্রতি বদলা নেওয়ার জন্য ইতিমধ্যেই ভারতবর্ষের পাশে দাঁড়াতে দেখা যায় আমেরিকার মতো দেশগুলিকে।

চীনও কিছুটা হলেও তাঁদের সুর নরম করেছে। আর এখানেই কেন্দ্রের শাসকদলের যুক্তি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী অত্যন্ত শক্তিশালী বিদেশ নীতির জন্যই ভারতের এই দুঃসময়ে বিশ্বের সমস্ত দেশের রাষ্ট্রনায়ক ভারতের পাশে দাঁড়াচ্ছেন। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, লোকসভা নির্বাচনের আগে বিরোধীরা যখন প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর নিয়ে বারে বারেই কেন্দ্রকে কটাক্ষ করছে, ঠিক তখনই ভারতের এই দুঃসময়ে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনায়ক ভারতের পাশে দাঁড়ানোয় প্রধানমন্ত্রীর সেই বিদেশনীতি যে অত্যন্ত ভালো ভাবেই কাজে দিয়েছে, সেই ব্যাপারটি ফের আরও একবার স্পষ্ট হয়ে গেল।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!