এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > মেদিনীপুর > প্রধানমন্ত্রীর পাল্টা সভায় শামিয়ানাই রাখতে চাইছে না তৃণমূল,কারণ নিয়ে বাড়ছে জল্পনা

প্রধানমন্ত্রীর পাল্টা সভায় শামিয়ানাই রাখতে চাইছে না তৃণমূল,কারণ নিয়ে বাড়ছে জল্পনা

দিনকয়েক আগেই মেদিনীপুর কলেজ মাঠে মোদীজির  ‘কৃষক কল্যাণ সমাবেশ’ হয়েছিলো। কৃষিপন্যের সহায়ক মূল্য বৃদ্ধিসংক্রান্ত একাধিক ইস্যুতে চর্চা করতেই মোদীজি একই সভা করেছিলেন। এবার সেই একই মাঠে আগামী ২৮ জুলাই (শনিবার) সভা করা সিদ্ধান্ত নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়,এমনটাই জানালেন তিনি ২১-এর মঞ্চ থেকে। কেন্দ্রীয় সরকার কীভাবে কৃষকদের প্রতি প্রতারণা করছে তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতেই এই সভা করতে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। সভায় উপস্থিত থাকার কথা  অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, শুভেন্দু অধিকারী,পার্থ চট্টোপাধ্যায়, সুব্রত বক্সি ও ফিরহাদ হাকিমকের।

এদিন এ ব্যাপারেই মেদিনীপুরে তৃণমূলের শীর্ষনেতৃত্বদের মিটিং বসে। বৈঠকের পরই তৃণমূল নেতৃত্বরা মাঠ পরিদর্শন করেন। হাজির ছিলেন পুরসভার চেয়ারম্যান প্রণব বসু,বিধায়ক গীতা ভুঁইয়া,শ্রীকান্ত মাহাত,প্রদ্যোৎ ঘোষ,শংকর দোলাই সহ আরো অনেকে। এরাই মাঠে দাঁড়িয়ে দর্শকদের জন্য শামিয়ানা তৈরিতে কড়া আপত্তি জানায়। সম্ভবত, প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় শামিয়ানা ভেঙে পড়ার পরই এই সিদ্ধান্ত নিলেন তৃণমূল নেতৃত্বরা। এমনটাই জানা যাচ্ছে।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

——————————————————————————————-

 এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

বিধায়ক দীনেন রায় স্পষ্টভাবেই জানিয়ে দেন,শামিয়ানা তৈরির প্রয়োজন। নেই। এতে অনেক সমস্যা রয়েছে।  আর একজন নেতা জানান,২১ জুলাই-এর সভাতেও তো বৃষ্টিতে সকলে ভিজেছে। শামিয়ানা ছাড়া জনসভার আয়োজন করলে কোনো সমস্যাই হবে না। বরং শামিয়ানা করতেই বেশি সময় নষ্ট হবে। অন্যদিকে,তৃণমূলের জেলা সভাপতি  আগাম ঘোষণা করলেন যে রেকর্ড ভীড় হবে ওদিন। শুধু পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার মানুষই ভড়িয়ে দেবে জনসভা চত্বর। হাতে সময় খুব কম। তবে সবরকম আয়োজন সময়েই করে ফেলার আশ্বাসই দিলেন তিনি।

জেলা তৃণমূল সূত্রের খবর থেকে আরো জানা যাচ্ছে, ইতিমধ্যে জনসভা নিয়ে কর্মতৎপরতা তুঙ্গে রয়েছে দলীয় অন্দরে। কাজে কোনো রকম ফাঁক রাখতে চাননা তাঁরা। কোথা থেকে কত লোক আনা হবে,কীভাবে গোটা সপ্তাহ ধরে প্রচার চালানো হবে সে বিষয়েও বৈঠক হয়ে গেছে তৃণমূলের কোর কমিটির।  এদিকে মোদীজির জনসভার ভাঙা শামিয়ানা অবিলম্বে সরানোর নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে সংস্থার উদ্যোক্তাদের। সেইমতো কাজও শুরু করা হয়েছে। যদিও সিবিআই তদন্তের জন্য শামিয়ানা না সরানোর নির্দেশ ছিল পুলিশ প্রশাসনের,তবুও তৃণমূলের সভার জন্য তড়িঘড়ি সেসব সরাতে হল ঠিকাদারদের। এতে তাঁরা বেজায় খুশি। এ প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সম্পাদক তুষার মুখোপাধ্যায় জানান,এতোদিন চেয়েও শামিয়ানা সরানোর অনুমতি মেলেনি। আর এখন তৃণমূলের সভা করার জন্য তড়িঘড়ি করে শামিয়ানা সরানো হচ্ছে। ঝড় বৃষ্টিতে মাঠে পড়ে অনেক কিছুই নষ্ট হয়েছে বলেও জানান তিনি। তবে তৃণমূলের জনসভায় শামিয়ানা না রাখার সিদ্ধান্ত নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে উঠেছে রাজ্য রাজনৈতিকমহলে। তবে কি প্রধানমন্ত্রীর সভায় শামিয়ানা দুর্ঘটনা হওয়ার জেরেই এই সিদ্ধান্ত তৃণমূল কর্তাদের? তাঁদের কাছ থেকে স্পষ্ট জবাব না মিললেও,এই আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছেন না রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!