এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > প্রধানমন্ত্রীর “ইমেইল, ডিজিটাল ক্যামেরা” নিয়ে জোর বিতর্ক, সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া

প্রধানমন্ত্রীর “ইমেইল, ডিজিটাল ক্যামেরা” নিয়ে জোর বিতর্ক, সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া

লোকসভা নির্বাচন শেষ হতে বাকি আর কয়েকটা দিন। ধীরে ধীরে সপ্তম তথা শেষ দফার নির্বাচনের দিকে এগোচ্ছে সকলে। আর শেষ দফায় কোন দল বাজিমাত করবে, কে শেষ পর্যায়ের প্রচারে টেক্কা দেবে তা নিয়ে যখন সমস্ত রাজনৈতিক দলের অন্দরেই জোর প্রস্তুতি চলছে, ঠিক তখনই এবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ইমেইল ব্যবহারের মন্তব্যকে ঘিরে সরগরম হয়ে উঠল জাতীয় রাজনীতি।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, সম্প্রতি একটি সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, “1987-88 সালের দিকে গুজরাটের ভিরামগাম নামে জায়গায় লালকৃষ্ণ আদবানির এক জনসভায় আমি উপস্থিত ছিলাম। তখন ভারতের খুব কম মানুষের হাতেই ডিজিটাল ক্যামেরা ছিল। কিন্তু আমার কাছে সেই সময় একটা ডিজিটাল ক্যামেরা ছিল এবং সেই ক্যামেরায় আমি একটি ছবি তুলে তারপর সেই ছবিটি ইমেইল মারফত দিল্লিতে পাঠিয়ে দিই। যেখান থেকে পরেরদিন তা রঙিন ছবি আকারে প্রকাশিত হয়। যা দেখে আদবানীজি অবাক হয়ে গিয়েছিলেন।” এদিকে প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সোশ্যাল মিডিয়ার নানা মহল থেকে নানা বিবৃতি আসতে থাকে।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

অনেকেই বলেন, আশির দশকে যেখানে ডিজিটাল ক্যামেরার ব্যবহার সেইভাবে ছড়িয়েই পড়েনি, সেখানে কিভাবে নরেন্দ্র মোদী সেই সময়ে সেই ক্যামেরা ব্যবহার করার কথা বললেন! আর শেষ দফার ভোটের আগে প্রধানমন্ত্রীর এহেন বক্তব্যকে হাতিয়ার করেই এবার তা নিয়ে বিজেপি তথা মোদির বিরুদ্ধে বিদ্রূপ করতে শুরু করেছে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো।

কংগ্রেসের পক্ষ থেকে ঠাট্টা করে প্রশ্ন করা হয়েছে, কেউ কি আন্দাজ করতে পারেন যে সেই সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ইমেইল অ্যাড্রেসটা কি ঠিক ছিল? আর এবার প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্য নিয়ে মুখ খুলতে দেখা গেল সুইডেনের বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসার অশোক সাইনকে।

সূত্রের খবর, এদিন তিনি একটি টুইট করে লেখেন, “1993 সালে সুইডেনের বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম ব্যক্তিগত ইমেইল অ্যাড্রেস চালু হয়। সেখানে 1988 সালে প্রধানমন্ত্রী কিভাবে ইমেইল অ্যাড্রেস পেলেন!” সব মিলিয়ে এবার প্রধানমন্ত্রীর ইমেইল ব্যবহার করার বক্তব্য নিয়ে জোর বিতর্ক ছড়িয়ে পড়ল জাতীয় রাজনীতিতে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!