এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > আবার প্রধানমন্ত্রীর ধামাকা! ‘ইনকাম ট্যাক্স রিফান্ড’ নিয়ে যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত সাধারণ মধ্যবিত্তের জন্য

আবার প্রধানমন্ত্রীর ধামাকা! ‘ইনকাম ট্যাক্স রিফান্ড’ নিয়ে যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত সাধারণ মধ্যবিত্তের জন্য

দিন দুয়ের আগেই দেশের কৃষকসমাজকে খুশি করতে বিনা সুদে কৃষিঋণ পাওয়া নিয়ে বড়সড় পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিল মোদী সরকার। এবার ইনকাম ট্যাক্স রিফান্ড নিয়ে মধ্যবিত্তের জন্য যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নিয়ে নয়া চমক দিল কেন্দ্র। এবার থেকে মাত্র ২৪ ঘন্টাতেই মিলবে আয়করের রিফান্ড। অসমের তৈল শোধনাগারের পন্য পাওয়া যাবে শিলিগুড়িতেই।

বস্ত্রশিল্পে বাড়তি ব্যাঙ্কের সুবিধাও পাওয়া যাবে। ২২ বছর ধরে জমে থাকা বকেয়া মিলবে সরকারি বিদ্যুৎ সংস্থার কর্মীদের। এসবের সূত্র ধরে বাড়বে কর্মসংস্থানের সুযোগও। এরকম আরো একগুচ্ছ জনস্বার্থমুখী সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রীসভা।

সাধারণত ‘রিফান্ড’ অর্থাৎ আয়করে কোনো ভুল হিসাববশত গ্রাহকের থেকে বাড়তি কর কেটে নিলে সেই টাকা ফেরত পাওয়া যায়। তবে তার প্রক্রিয়া এতোটাই দীর্ঘমেয়াদী যে আমজনতার রুদ্ধশ্বাস উঠে যাওয়ার জোগার হয়। তবে এবার থেকে আর এমনটা হবে না। যেখানে রিফান্ডের টাকা ফেরত পেতে ৬৩ দিন মতো সময় লাগে এবার তা মিলবে ২৪ ঘন্টাতেই।

নতুন এই ব্যবস্থা কার্যকর করতে ৪ হাজার ২৪১ কোটি ৯৭ লক্ষ টাকা খরচ বরাদ্দ করা হয়েছে কেন্দ্রের তরফ থেকে। নতুন আয়কর ব্যবস্থা সরলীকরণ করার পাশাপাশি দ্রুত রিফান্ডের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। এই ব্যবস্থা কার্যকর করতে নিদেনপক্ষে দেড় বছর সময় লাগবে বলেই জানান রেল ও কয় লামন্ত্রী পীযূষ গোয়েল।

অন্যদিকে,সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে হিন্দিবলয়ের তিন রাজ্যে ভরাডুবি হওয়ায় বিজেপিশিবিরে জোর ধাক্কা তো লেগেছেই। তাছাড়া জাতীয় নাগরিকপঞ্জি ইস্যুতে অসমেও ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়েছে মোদীর। তাই আসন্ন লোকসভা ভোটে উত্তর-পূর্ব ভারতের ভোটব্যাঙ্ক দখলে রাখতে এই অংশের মানুষের মন জয় করতে সরকারি উদ্যোগ বাড়িয়েছেন মোদী। এমনটাই অভিমত ওয়াকিবহালমহলের।

 

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

আর সেজন্যেই ঠিক লোকসভা ভোটের মুখেই অসমের নুমালিগড় তৈল শোধনাগারের শোধন ক্ষমতা তিনগুন বাড়ানোর পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়ি পর্যন্ত শোধনাগারের প্রোডাক্ট পাইপলাইন ব্যবস্থা এবং ওড়িশার পারাদ্বীপ পর্যন্ত ক্রুড ওয়েল পাইপলাইন তৈরির সিদ্ধান্ত নিলেন প্রধানমন্ত্রী। ২২ হাজার ৫৯৪ কোটি টাকা বরাদ্দের এই প্রকল্প শেষ করতে সময়সীমা রাখা হয়েছে ৪ বছর। এই প্রকল্পের সূত্র ধরে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে ব্যাপক পরিমান কর্মসংস্থান হবে বলেই বৈঠক পরবর্তী সাংবাদিক সম্মেলনে দাবী করলেন রেলমন্ত্রী।

এসবের পাশাপাশি চারটি বিদ্যুৎ সংস্থার কর্মীদের ভোটব্যাঙ্ক দখলে রাখতে তাঁদের দীর্ঘ দু’দশক ধরে ঝুলে থাকা বকেয়া মেটানোর সিদ্ধান্ত নিল মোদী সরকার। ন্যাশনাল হাইড্রো ইলেকট্রিক পাওয়ার কর্পোরেশন লিমিটেড, নর্থ ইস্ট ই঩লেকট্রিক পাওয়ার কর্পোরেশন, তেহরি হাইড্রো ডেভলপমেন্ট কর্পোরেশন লিমিটেড এবং সৎলুজ জলবিদ্যুৎ নিগম লিমিটেড, এই চারটি সংস্থার বোর্ড লেভেল এক্সিকিউটিভদের পে-স্কেলের পাওনাও মিটিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের।

১৯৯৭ সালের ১ লা জানুয়ারি থেকে আটকে থাকা সমস্যা সমাধানে খরচ করা হচ্ছে ৩২৩ কোটি টাকা। এর পাশাপাশি আমদানি রপ্তানি ক্ষেত্রে ঋণ দেওয়ার যে এক্সিম’ (এক্সপোর্ট ইমপোর্ট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া) ব্যাঙ্ক রয়েছে তার জন্য ছ’হাজার কোটি টাকা খরচ করে ব্যাঙ্কটিকে চাঙ্গা করে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মোদী। এর জেরে বস্ত্রশিল্পের সঙ্গে যুক্ত ব্যবসায়ীদের বাড়তি আয়ের পথ সুগম হবে বলেই দাবী করছে কেন্দ্র।

উল্লেখ্য,আর হাতে গোনা কয়েকমাস বাকি লোকসভা ভোটের। এই কেন্দ্রীয় সরকারে মেয়াদ আর মাত্র ১২৯ দিন। কাজেই ফের ক্ষমতায় ফিরতে গেল নয়া চমক দেওয়া অত্যন্ত জরুরি বলেই মনে করছেন বিজেপির অভিজ্ঞমহল। যেভাবে গোটা দেশে বিজেপিবিরোধী হাওয়া প্রবল হয়ে উঠেছে,শরিক দলগুলো যেভাবে বিরোধীদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে মোদীবিদ্বেষী রূপ সামনে আনছে তাতে দেশের ভোটব্যাঙ্ক দখলে রাখতে হলে ফ্রন্টফুটে খেলতে হবে বিজেপি সরকারকে।

আর তাই আসন্ন ভোট-অন-অ্যাকাউন্ট) বাজেটে সাধারণের আয়কর ছাড়ের ঊর্ধ্বসীমা পাঁচ লক্ষ টাকা হোক বা নাহোক, তার আগেই আমজনতার মনে বিজেপি সরকারের প্রতি ভরসা তৈরি করতে বিভিন্ন ক্ষেত্রে একাধিক জনস্বার্থমুখী সিদ্ধান্ত নেওয়া হল বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!