এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > লোকসভার আগে কি ক্রমশ ব্যাকফুটে নরেন্দ্র মোদী? সিবিআইয়ের পর নতুন চাপ আরবিআইয়ের!

লোকসভার আগে কি ক্রমশ ব্যাকফুটে নরেন্দ্র মোদী? সিবিআইয়ের পর নতুন চাপ আরবিআইয়ের!

সিবিআই কর্তাদের মতো এবার মোদী সরকারের সমালোচনায় মুখর আরবিআই কর্তারাও। ঠিক লোকসভা ভোটের আসন্নকালেই বিজেপি সরকারের কাজে অসন্তোষ প্রকাশ করলেন আরবিআই কর্তারা। নোটবন্দি,জিএসটি চালু করার সময় প্রধানমন্ত্রী বারবার বলেছেন,দেশের আর্থিক ব্যবস্থার উন্নয়নের স্বার্থেই এই পরিবর্তন আনা হচ্ছে।

এতে প্রথমে একটু সমস্যা হলেও আসলে তা দেশের অর্থনীতির চেহারাই পাল্টে দেবে। নরেন্দ্র মোদীর এই কথার সঙ্গে সহমত পোষণ করতে পারছেন না রিজার্ভ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ভিরাল আচার্য। উল্টে মোদীসরকারের কাজের ত্রুটি গুলোই প্রকাশ পেল তাঁর বক্তব্যে।

বললেন,কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কগুলো ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করার স্বার্থে কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে চাইছে। কিন্তু হটকারী সিদ্ধান্তে স্বল্প সময়ে ভালো থাকার আশায় ব্যাংকের আর্থিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বিপদ ডেকে আনছে। এই মানসিকতা থেকে ব্যাংকগুলোকে বাঁচাতে হলে কেন্দ্রীয় সরকারের হস্তক্ষেপ থেকে শীর্ষ ব্যাঙ্কগুলোকে দূরে রাখতে হবে।

রিজার্ভ ব্যাঙ্কগুলোর স্বাধীনতায় সরকারের অযথা নাক গলানোর জেরে ব্যাঙ্কগুলোর স্বয়ংক্রিয়তা আপাতত প্রশ্ন চিহ্নের মুখে। বললেন,”সাময়িক সুরাহার জন্য টি-২০ খেলছে কেন্দ্র, কিন্তু আমরা টেস্ট ক্রিকেটে বিশ্বাসী।” স্পষ্টভাবে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের স্বাধীনতায় কেন্দ্রীয় সরকারের অযৌক্তিক হস্তক্ষেপ এবং মধ্যস্থতা করার বিরুদ্ধে সওয়াল তুললেন তিনি।

রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গর্ভনর উর্জিত প্যাটেলের সঙ্গে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলির সম্পর্ক ভালো নেই। একসময়ের নরেন্দ্র মোদী ঘনিষ্ট ব্যক্তিটি এখন জেটলির চোখের কাঁটার মতো। এমনটাই সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছিল একটি জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যমে। বিভিন্নচ ব্যাঙ্ক জালিয়াতির পরিমান বেড়ে যাওয়ার অভিযোগেই সম্পর্ক আদায় কাঁচকলায় হয়েছে দুজনের। ব্যাঙ্ক জালিয়াতির জন্য কেন্দ্রে যতটা না দায়ী,তার থেকে বেশি দোষী ব্যাঙ্কগুলো। এমনটাই দাবীতে জানিয়েছিলেন জেটলি।

জেটলির এই দাবীর পরই কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সমালোচনার ঝড় তুলে দেন রিজার্ভ ব্যাঙ্ক আধিকারিকরা। গর্জে উঠে প্রতিবাদে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সরব হলেন উর্জিতের ডিপুটি। বললেন,”অনেক সময় ব্যাংকের ঋণ দেওয়ার পদ্ধতিতে হস্তক্ষেপ করছে কেন্দ্র। নিয়মে শিথিলতা আনার জন্য বারবার চাপ দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে প্রদেয় ঋণ পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে ঝুঁকি বেড়ে যাচ্ছে।” লোকসভা ভোটের আগে মোদীসরকার ফের চাপের মুখে আরবিআই কর্তাদের অসন্তোষের জেরে।

 

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

 

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

এর আগেও বিরোধীরা বিজেপি সরকারের নোট বাতিল,জিএসটি চালু করার তীব্র সমালোচনা করেছে। দফায় দফায় আক্রমণ শানিয়েছে। এবার তাঁদের বিরোধের পাল্লা ভারী হল আর্থিক সংস্কারকে কেন্দ্র করে আরবিআই কর্তাদের কেন্দ্র বিরোধী ক্ষোভ উগড়ে দেওয়ায়। আর এই সুযোগটাকে মোদীবিরোধীতায় ফের কাজে লাগাবে অবিজেপি রাজনৈতিক দলগুলো। এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!