এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > পিকের নতুন নির্দেশে ঘুম ছুটেছে তৃণমূলের নেতাদের, বাড়ছে ক্ষোভ, জেনে নিন বিস্তারিত

পিকের নতুন নির্দেশে ঘুম ছুটেছে তৃণমূলের নেতাদের, বাড়ছে ক্ষোভ, জেনে নিন বিস্তারিত

Priyo Bandhu Media

লোকসভা ভোটে তৃণমূলের বিপর্যয়ের পর দলে জনসংযোগে যে যথেষ্ট অভাব রয়েছে, তা অনুধাবন করে প্রশান্ত কিশোরের প্ল্যানে পথ চলতে শুরু করেছে গোটা তৃণমূল পরিবার। “দিদিকে বলো” নামে প্রকল্পের কথা ঘোষণা করে দলের সমস্ত জনপ্রতিনিধিদের সাধারণ মানুষের সঙ্গে আরও বেশি করে মেশার নির্দেশ দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

কিন্তু “দিদিকে বলো” এই কর্মসূচীর আরও ব্যাপ্তি ছড়িয়ে দিতে সোমবার কলকাতায় রাজ্যের প্রত্যেক জেলার তৃণমূলের সভাপতি এবং কো-অর্ডিনেটর নিয়ে একটি বৈঠক করেন সেই প্রশান্ত কিশোর। যে বৈঠকে প্রতি জেলার পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন কোচবিহার জেলা তৃণমূলের সভাপতি বিনয়কৃষ্ণ বর্মন এবং কো-অর্ডিনেটর পার্থপ্রতিম রায়।

এদিকে সোমবারের পর মঙ্গলবার একাধিক জেলার ব্লক পর্যায়ের যুব তৃণমূল নেতাদের নিয়ে একটি বৈঠক করেন প্রশান্ত কিশোর। সূত্রের খবর, ওই বৈঠকেই প্রত্যেক নেতৃত্বকে গ্রামে গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে যেভাবে এতকাল বিধায়করা রাত কাটিয়েছেন, ঠিক একইভাবে তৃণমূলের নেতাদেরও রাত কাটানোর নির্দেশ দেন তৃনমূলের রননীতিকার।

WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

শুধু তাই নয়, ওই নেতাদের কাছ থেকে আগে-ভাগেই প্রকৃত সমাজসেবকদের তালিকা নিয়ে একটি তালিকাও তৈরি করেছে প্রশান্ত কিশোরের টিম। কিন্তু এই সমাজসেবকদের তালিকা নিয়ে কি হবে! জানা গেছে, পিকের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, যারা তৃণমূল থেকে নিজেদের স্বঘোষিত সমাজসেবক বলে পরিচয় দেন, তাদের বদলে যারা প্রকৃতই সমাজসেবী, তাদের নাম নথিভুক্ত করতে হবে। আর এখন এই প্রকৃত সমাজসেবকদের খুঁজে বের করতে রীতিমতো কালঘাম ছুটছে তৃণমূল নেতাদের।

এক তৃণমূল কর্মীর কথায়, “কে কি বলবেন কিচ্ছু বুঝতে পারছি না। তাই একটু টেনশন হচ্ছে।” অন্যদিকে এই প্রসঙ্গে তিনি কিছুই জানেন না বলে জানান কোচবিহার জেলা তৃণমূলের কার্যকরী সভাপতি পার্থপ্রতিম রায়। অবশ্য দলের একাংশ একে ভালো চোখে দেখলেও ক্ষোভ বাড়ছে অনেকেরই। তাদের দাবি আমরা দলের হয়ে কাজ করলেও সমাজসেবাই করি। আমাদের দিয়ে হবে না। এ কেমন কথা। তবে কি ভালো কাজ করা ছেড়ে দেব?

রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রশান্ত কিশোর চাইছেন কোচবিহারের মত জেলাগুলিতে যেভাবে তৃণমূলের ভরাডুবি হয়েছে, সেখানে সমাজসেবকদের নিয়ে এসে তৃণমূল সম্পর্কে সাধারণ মানুষের যে খারাপ ভাবমূর্তি আছে, তা স্বচ্ছ করতে। আর সেই ক্ষেত্রে প্রকৃত সমাজসেবকদের তালিকা খুঁজে বের করবার জন্য জেলার নেতাদের দায়িত্ব দিয়েছেন তিনি বলে মত বিশ্লেষকদের একাংশের।

তবে বিজেপি অবশ্য তৃণমূলের এহেন উদ্যোগকে গুরুত্ব দিতে নারাজ। তাদের দাবি, গ্রামের কোনো মানুষ এখন আর তৃণমূলকে চাইছে না। তাই যারা সমাজসেবামূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত, তাদের কেউই তৃণমূলের হয়ে কাজ করবেন না।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!