এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > পিকের টিমকে কাজে “বাধা” দিয়েই কি বদলি দুই শীর্ষ সরকারি আধিকারিক? তোলপাড় রাজ্য

পিকের টিমকে কাজে “বাধা” দিয়েই কি বদলি দুই শীর্ষ সরকারি আধিকারিক? তোলপাড় রাজ্য

লোকসভা নির্বাচনে দলের ভরাডুবির পর দলকে জনসংযোগে পাঠিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলের রণনীতি নির্ধারণ করতে ভোটগুরু হিসেবে পরিচিত প্রশান্ত কিশোরকে নিয়োগ করেছেন তৃণমূল নেত্রী। আর এরপরই কিছুদিন আগেই “দিদিকে বলো” নামে একটি কর্মসূচি তৈরি করে সাধারণ মানুষ যাতে একটি নির্দিষ্ট নম্বরে সমস্ত অভাব, অভিযোগ সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পৌঁছে দিতে পারেন, তার জন্য একটি প্রকল্পের সূচনা করা হয়।

কিন্তু এবার সেই প্রশান্ত কিশোরের টিমের বিরুদ্ধে প্রশ্ন তুলে চাকরি খোয়াতে হল মুখ্যমন্ত্রীর জন অভিযোগ সেলের সরকারি কর্তাদের‌। জানা যায়, গত বুধবার কলকাতার বিবাদীবাগের খাদি ভবনে তৈরি হওয়া জন অভিযোগ সেলে যান প্রশান্ত কিশোরের দলের 7 থেকে 8 জন সদস্য।

আর সেখানেই উপস্থিত সরকারি অফিসারদের প্রশান্ত কিশোরের টিমের তরফে বলা হয়, দিদিকে বলো কর্মসূচির সঙ্গে সরকারি জন অভিযোগ সেলের সমন্বয় সাধন করতেই তারা এখানে এসেছেন। এখানে বসে তারা কাজ করতে চান। তবে এতেই আপত্তি জানান সেই সরকারি কর্তারা।

তাঁরা প্রশ্ন তোলেন, যেখানে আইএস, ডব্লিউবিসিএস অফিসারের কাজ করছেন, সেখানে বেসরকারি রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সদস্যরা একসঙ্গে কিভাবে কাজ করবেন! আর এতেই পরিস্থিতি বেগতিক আকার নেয়। বিকেলে খাদি ভবন ছেড়ে প্রশান্ত কিশোরের টিম চলে গেলে শনিবার পর্যন্ত আর সেখানে তারা আসেননি।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

এদিকে এই ঘটনার পরই গত বৃহস্পতিবার তৃণমূলের এক যুব নেতা সেই জন অভিযোগ সেলের এক কর্তাকে ডেকে পাঠান। যেখানে পিকের টিমের সঙ্গে তারা একসাথে থেকে কাজ করবে বলে তৃণমূলের ওই যুব নেতা সরকারি কর্তাদের বোঝান বলে জানা যায়। তবে তাতে রাজি হননি সেই জন অভিযোগ সেলের প্রধান আমলা ওঙ্কার সিংহ মিনা এবং ডব্লুবিসিএস অফিসার অভিজিৎ লাটুয়া। আর এর পরেই তৈরি হয় জটিলতা।

সূত্রের খবর, শুক্রবার সন্ধ্যায় সেই মিনা এবং লাটুয়া সাহেবকে বদলি করে দেওয়া হয়। তাহলে কি তৃণমূলের ভোটগুরু হিসেবে পরিচিত প্রশান্ত কিশোর এবং তাঁর টিমের কথা না শোনাতেই সরকারি 2 কর্তাকে বদলি হতে হল, এখন তা নিয়েই উঠতে শুরু করেছে প্রশ্ন। যদিও বা এই যুক্তি মানতে নারাজ নবান্ন।

তাদের দাবি, এর সঙ্গে বদলি হওয়ার কোনো যোগ নেই। তবে সরকারের প্রধান ভবন থেকে যে দাবিই করা হোক না কেন, তৃণমূলের ভোটব্যাঙ্ক ফেরানো প্রশান্ত কিশোরের টিমের কথা না শোনার পরেই যে দুই সরকারি কর্তার এইভাবে বদলির ঘটনা ঘটল, সেই ব্যাপারে একপ্রকার নিশ্চিত বিশ্লেষকরা।

Top
error: Content is protected !!