এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > ‘পিসি-ভাইপোর’ পরিচয়ে কি ‘মা-ছেলে’? DNA টেস্টের বিস্ফোরক দাবিতে উত্তাল রাজ্য-রাজনীতি!

‘পিসি-ভাইপোর’ পরিচয়ে কি ‘মা-ছেলে’? DNA টেস্টের বিস্ফোরক দাবিতে উত্তাল রাজ্য-রাজনীতি!

Priyo Bandhu Media


পিসি-ভাইপো নয়, তারা কি মা-ছেলে?  আর সেই সম্পর্ক নিয়েই উঠলো বিস্ফোরক প্রশ্ন।গতকাল কণাদ মুখোপাধ্যায় নামে এক ব্যক্তি,তাঁর ফেসবুক পোস্টে লেখেন – “রাষ্ট্রপুঞ্জকে দিয়ে গণভোটের বদলে পিসি-ভাইপোর ডিএনএ পরীক্ষা করা হোক। মা-ছেলের পরিচয় বেরিয়ে পড়তে পারে।” যেখানে কোথাও লেখা নেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কিংবা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম। কিন্তু তৃণমূল সমর্থকরা এটিকে ভাইরাল করেছেন ওই ব্যাক্তির শাস্তির দাবিতে। তাঁরা ধরেই নিয়েছেন যে এই ‘পিসি – ভাইপো’ হলেন আদতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।যদিও বিতর্ক ছাড়াবার সাথে সাথে কণাদ মুখোপাধ্যায় তাঁর পোস্টটি ডিলিট করে দিয়েছেন।

তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বময় নেত্রীর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার নেতৃত্বেই গোটা তৃণমূল কংগ্রেস পরিবার চলে। একথা কারোরই অজানা নয়। তবে একসময় কংগ্রেস ছেড়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল কংগ্রেসে এসেছিলেন, কংগ্রেসের পরিবার তন্ত্রের নীতির বিরুদ্ধে সরব হয়ে।

তবে নিজের দল গঠন করার পর, সেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেখা গেছে তার ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দলের second-in-command করাতে। বর্তমানে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি। অনেকে বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পর তৃণমূল দলে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা রাখেন, তার নাম অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

এই নিয়ে আমাদের প্রকাশিত ভিডিওটি দেখে নিন! –

সেদিক থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পর্ক যে শুধুমাত্র পিসি-ভাইপোর সম্পর্ক, তা জানেন সকলেই। কিন্তু এবার কনদ মুখোপাধ্যায় নামে এক ব্যক্তি, যিনি সাংবাদিকও বটে। তাঁর ফেসবুক পোস্টে উঠে এল সেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পর্ক নিয়ে বিস্ফোরক উক্তি।(যদিও পোস্টে কোথাও লেখা নেই যে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বান্দ্যোপাধ্যের কথাই বলছেন। )

কিন্তু তাঁর পোস্ট এ যা লেখা কাছে তার সাথে গভীর যোগ রয়েছে তৃণমূল নেত্রী ও অভিষের। কেননা সম্প্রতি সম্প্রতি নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে সরব হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যেখানে একটি সভা থেকে এই ব্যাপারে রাষ্ট্রসঙ্ঘের গণভোটের দাবি করেন তিনি। যা নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে পাকিস্তানি যোগ রয়েছে বলে পাল্টা দাবি করে ভারতীয় জনতা পার্টি। আর  শুধু তাই নয় আমজনতা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে এক ডাকে ” পিসি – ভাইপো” বলেই চেনেন। আর সেখানে ওই ব্যাক্তি পিসি- ভাইপোর সম্পর্কের আড়ালে মা ছেলের সম্পর্ক নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে DNA টেস্টের দাবি তুলে রীতিমতো শোরগোল ফেলে দিয়েছেন।

এদিন তিনি ফেসবুকে লেখেন, “রাষ্ট্রপুঞ্জকে দিয়ে গণভোটের বদলে পিসি-ভাইপোর ডিএনএ পরীক্ষা করা হোক। মা-ছেলের পরিচয় বেরিয়ে পড়তে পারে।” আর কনদ মুখোপাধ্যায়ের বিস্ফোরক উক্তিকে ঘিরে এখন তোলপাড় হয়ে উঠেছে সোশ্যাল সাইট।

সম্প্রতি ‘মেদিনীপুর তৃণমূল কংগ্রেস এ আই টি সি সাপোর্টার্স” পেজ থেকে “শেয়ার করা হয়েছে। তাদের দাবি এই পোস্টে যে পিসি ভাইপোর কথা বলা হয়েছে তাঁরা আর কেউ নন – স্বয়ং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর ভাইপো অভিষেক ব্যানার্জী।  সঙ্গেই তৃণমূলের তরফ থেকে এই ব্যাক্তির শাস্তির দাবিও তোলা হয়েছে। আর এই ঘটনা আরও বিতর্ক তৈরি করেছে সর্বত্র।

 

বিশিষ্ট এই ব্যক্তি পিসি ভাইপোকে  নিয়ে যে সম্পর্কের কথা উল্লেখ করলেন, তাতে নিঃসন্দেহে বিতর্ক তৈরি হওয়াই স্বাভাবিক। তবে সেই পোস্ট ভাইরাল হয়েছে আর তা তৃণমূলী ভাইরাল করেছে তবে প্রশ্ন উঠছে এখনো কেন এই ব্যাক্তির বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যাবস্থা নেওয়া হয়নি। সাথেই প্রশ্ন তুলেছেন অনেক তাঁর কাছে কি প্রমান আছে, যদি থাকে তা দেখান , আর না থাকলে নতজানু হয়ে ক্ষমা চান। তবে বেশিরভাগই দাবি করেছেন যে তাঁর কঠোর শাস্তি চাই। যদিও অনেকে আবার বলছে যে কোথাও তো মমতা অবন্দ্যোপাধ্যায় বা অভিষেকের নাম নেওয়া হয়নি। তাহলে তাদেরকে জড়ানো হচ্ছে কেন এর সাথে? সব মিলিয়ে জোর বিতর্ক শুরু হয়েছে। ,

 

 

তবে এখনো পর্যন্ত এই নিয়ে মুখ খোলেননি তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিকে মুখ বন্ধ ওই ব্যাক্তির ও। সব মিলিয়ে পিসি ভাইপোর সম্পর্ক নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট অনেক প্রশ্ন তুলে দিল।

 

এই প্রতিবেদনটি সম্পূর্ণ ওই তৃণমূলের পেজ থেকে ভাইরাল হওয়া পোস্টটির ভিত্তিতে লেখা। এর সাথে কোনো রাজনীতি, কিংবা রাজনীতির সাথে যুক্ত থাকা কোনো ব্যাক্তির মানহানির উদ্দেশ্যে লেখা নয়। 

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!