এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > মহামারী আইন জারী হল রাজ্যে, শোরগোল সর্বত্র!

মহামারী আইন জারী হল রাজ্যে, শোরগোল সর্বত্র!


করোনা ভাইরাস ইতিমধ্যেই ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। সাবধানের মান রাখতে আগেভাগেই এই ব্যাপারে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। ইতিমধ্যেই স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। আর এবার এই করোনাভাইরাসকে রুখতে ব্রিটিশদের তৈরি আইন রাজ্যে লাগু করার কথা শোনালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

সূত্রের খবর, সোমবার করোনা ভাইরাস নিয়ে নবান্নে সরকারি আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর তারপরেই সাংবাদিক বৈঠকে রাজ্যে 1897 সালে মহামারী সম্পর্কিত আইনের 2 নম্বর ধারা লাগু করার কথা জানান তিনি। কিন্তু কি এই আইন?

জানা যায়, একসময় ব্রিটিশ সরকার প্রেসিডেন্সিতে প্লেগের জন্য যে মহামারী হয়েছিল, তা আটকাতেই এই আইন লাগু করেছিলেন। অর্থ্যাৎ এই আইনের ফলে বিভিন্ন বাড়িতে, যাত্রীদের মধ্যে সন্দেহভাজন রোগী খুঁজে বের করত তৎকালীন ব্রিটিশ সরকার। যেখানে সংক্রমিতদের আলাদা করে রেখে সেই সংক্রমিত এলাকাগুলো ধ্বংস করে দেওয়া হত।

WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

জানা গেছে, এই আইনের মোট চারটি ধারা রয়েছে। যেখানে স্পষ্টভাবে বলা আছে যে, দেশে যদি মহামারী আকার নেয়, তাহলে সরকার ঠিক কী কী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে। আর এই আইনের দ্বিতীয় ধারাতে উল্লেখ রয়েছে, রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় শাসিত অঞ্চলগুলিতে যদি কোনো রোগ ছড়িয়ে পড়ে তাহলে তা আটকাতে বিশেষ অধিকার অর্পণ করা হয়েছে সরকারের ওপর। অন্যদিকে যদি কোনো রাজ্য সরকার মনে করে যে, মহামারী ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে, তখন সরকার নিজে কোনো ব্যক্তিকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে অধিকার দিতে পারে এবং প্রয়োজনে এর জন্য জারি করা হতে পারে নোটিশ।

আর এই করোনা ভাইরাস যখন সর্বত্র ভয়াবহ আকার ধারণ করছে, ঠিক তখনই সেই ব্রিটিশদের লাগু করা আইন রাজ্যে প্রয়োগ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন এই প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “অনেক ব্যক্তিকে করোনা সন্দেহে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হলে তারা বিরক্ত বোধ করছেন। তারা জোর করে বাড়ি যেতে চাইছেন। ফলে রাজ্যবাসী স্বার্থে আমি বাধ্য হয়ে 1897 সালের মহামারী সম্পর্কিত দুই নম্বর আইনটি পুনরায় জারি করছি।” সব মিলিয়ে এখন রাজ্যবাসীর স্বার্থে করোনা ভাইরাসকে নিয়ে সকলকে সচেতন করতে নতুন আইন জারি করল রাজ্য সরকার।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!