এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > উত্তরবঙ্গ > পার্থপ্রতিম রায় নন কোচবিহার কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী হিসাবে জল্পনা এই ‘তৎকাল’ হেভিওয়েটের নাম নিয়ে

পার্থপ্রতিম রায় নন কোচবিহার কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী হিসাবে জল্পনা এই ‘তৎকাল’ হেভিওয়েটের নাম নিয়ে

আসন্ন লোকসভা ভোটে কোচবিহার কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী কে হবেন তা নিয়ে জোর তৎপরতা শুরু চলছে এই মুহূর্তে জেলা তৃণমূল শিবিরে। এবারের ভোটে কোচবিহার কেন্দ্র থেকে তৃণমূল প্রার্থী বদল হতে পারে বলেও কানাঘুষো শোনা যাচ্ছে। সেক্ষেত্রে ফরওয়ার্ড ব্লক ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে আসা প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী পরেশ অধিকারী প্রার্থী হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে।

কোচবিহার লোকসভা কেন্দ্রের সংসদ সদস্য পার্থ প্রতীম রায় এবার লোকসভা ভোটের টিকিট নাও পেতে পারেন বলেও জল্পনা শুরু হয়েছে। পার্থবাবুকে এবার অন্য কোনো কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করা হতে পারে বলেও একট খবর ছড়িয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। তবে কাকে প্রার্থী করা হবে এ নিয়ে এখনই কোনো বিতর্ক চাইছে না জেলা তৃণমূল নেতৃত্বরা।

সবাই লোকসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার অপেক্ষা করছে। তাছাড়া প্রার্থী ঠিক করার দায়িত্ব রয়েছেন কেবল তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তিনি দলের হিতে যাকে প্রার্থী নির্বাচন করবেন তাকেই সবাই মাথা পেতে নেবে বলেই জানালেন তৃণমূল কংগ্রেসের কোচবিহার জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ ঘোষ।

একই সুর শোনা যায় পার্থবাবুরও গলায়। তিনি বললেন,’দলনেত্রীর প্রার্থীই আমাদের প্রার্থী। তিনি যাঁকে প্রার্থী নির্বাচিত করবেন তাঁকেই আমরা জেতাবো।’ অন্যদিকে,এ ব্যাপারে এখনই কোনো মন্তব্য করতে চাইলেন না সদ্য তৃণমূলে আসা প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী পরেশবাবু। তিনি বললেন,’এই ব্যাপারে আমার কিছু বলার নেই। প্রার্থী ঠিক করবে রাজ্য নেতৃত্ব। আমাকে মেখলিগঞ্জের সাংগঠনিক দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সেটাই পালন করছি।’

প্রসঙ্গত,রেনুকা সিনহার মৃত্যুর পর কোচবিহার কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়ে আসছেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষের স্নেহধন্য পার্থবাবু। গত লোকসভা উপনির্বাচনে তৃণমূলের হয়ে ভোটে দাঁড়িয়ে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছিলেন পেশায় শিক্ষক এই তৃণমূল নেতা। রবীন্দ্রনাথ ঘোষের সঙ্গে তাঁর সখ্যতা এতোটাই বেশি যে তাকে কাকা বলেই ডাকেন পার্থবাবু।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

আপনার মতামত জানান -

কিন্তু বিধায়ক হওয়ার পর কিছুদিনের মধ্যে নানান ইস্যুতে কাকা-ভাইপোর সম্পর্কে চিড় ধরে৷ এ নিয়ে প্রকাশ্যে কেউ কোনো মন্তব্য না করলেও পার্থবাবু যুব তৃণমূলের সভাপতি হওয়ার পর সেই বিরোধ আরো তীব্র হয়। ভাইপোর আচরণে এতোটাই আঘাত পান রবীন্দ্রনাথ বাবু যে প্রকাশ্যেই বলে পার্থবাবুকে ইঙ্গিত করে বলে দেন তাকে যেন কেউ কাকা বলে না ডাকে।

এই কাকা-ভাইপোর সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যেই ফরওয়ার্ড ব্লক ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী পরেশ অধিকারী। এসময় রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করেন যে,পার্থবাবুর ক্ষমতা কমাতেই পরেশ অধিকারীকে দলে নেওয়ার পরিকল্পনা করেন উন্নয়ন মন্ত্রী। এদিকে রবীন্দ্রনাথ বাবুর বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কোনোরকম মন্তব্য না করলেও জেলায় রবীন্দ্রনাথ বিরোধীদের একত্রিত করতে থাকেন পার্থবাবু।

অন্যদিকে,রবীন্দ্রনাথবাবুর নায়েব আলি টেপু জন্মোৎসব পালন কমিটির পাল্টা আব্বাসউদ্দিন, প্যারীমোহন, নায়েব আলি টেপু জন্মোৎসব কমিটি তৈরি করেন। এই প্রেক্ষিতে বিরোধ মেটাতে পার্থবাবু রবীন্দ্রনাথ বাবুর পায়ে হাত দিয়ে প্রনাম করলেও সে জট কাটেনও।

বিরোধ এখন এতোটাই মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে যে পার্থবাবুর লোকসভা ভোটে প্রার্থী হওয়া নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এই অবস্থায় কোচবিহার কেন্দ্রে প্রার্থী হওয়ার তালিকায় এগিয়ে রয়েছেন পরেশ অধিকারী। এই অবস্থায় পার্থপ্রতীম রায় না পরেশ অধিকারী? কে কোচবিহার লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী হবেন তা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে জেলা তৃণমূল শিবিরে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!