এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > “আমি চলে গেলেও কোনো ক্ষতি হবে না” – দাবি করে জল্পনা বাড়ালেন পার্থ

“আমি চলে গেলেও কোনো ক্ষতি হবে না” – দাবি করে জল্পনা বাড়ালেন পার্থ

লোকসভা নির্বাচনে বাংলায় বিজেপির প্রভাব বাড়ার সাথে সাথে তৃণমূলের অনেক বিধায়করা গেরুয়া শিবিরে নাম লেখাতে শুরু করেন। সম্প্রতি কলকাতা পৌরসভার প্রাক্তন মেয়র কথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত শোভন চট্টোপাধ্যায় গেরুয়া শিবিরে নাম লেখান। আর এরপরেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়।

অনেকেই বলতে শুরু করেন, কলকাতা পৌরসভায় শোভন চট্টোপাধ্যায়ের একটা আলাদা আধিপত্য রয়েছে। ফলে সেদিক থেকে তিনি বিজেপিতে চলে যাওয়ায় ভবিষ্যতে কলকাতা পৌরসভা দখল তৃণমূলের পক্ষে অত্যন্ত চাপে পড়বে। পাশাপাশি এককালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুর্দিনের সঙ্গী হিসেবে পরিচিত শোভন চট্টোপাধ্যায় তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে চলে যাওয়ায় তৃণমূলের অনেকেই হতাশ হয়ে গিয়েছেন বলে জানা গেছে।

কেননা বেহালা পূর্ব বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক শোভন চট্টোপাধ্যায় দক্ষ সংগঠক হিসেবে পরিচিত। ফলে তিনি তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে গেলে তার এফেক্ট কিছুটা হলেও পোয়াতে হবে রাজ্যের শাসক দলকে, সেই ব্যাপারে একপ্রকার নিশ্চিত রাজনৈতিক মহল। তবে শোভন চাত্বপাধ্যায় চলে গেলেও এর কোনো ক্ষতি হবে না বলে এবার জানিয়ে দিলেন তৃণমূল মহাসচিব তথা শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

সূত্রের খবর, বুধবার বিধানসভার অধিবেশন শুরুর আগে সর্বদল এবং কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে যোগ দেন পার্থবাবু। আর এরপরই নিজের ঘরে বসে শোভন চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেন তিনি। যেখানে পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “ওর দলত্যাগে কোনো ক্ষতি হল না। আমি চলে গেলেও ক্ষতি হবে না। ক্ষতি হবে সেদিন, যখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সক্রিয় থাকবেন না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন সক্রিয় আছেন, তখন আশেপাশের লতাপাতা ওকে জড়িয়ে থাকতে হবে। ছেড়ে গিয়ে কেউ দাঁড়াতে পারবে না। কত জনই তো গেল!”

আর তৃণমূল মহাসচিবের এই মন্তব্যেই এবার শুরু হয়েছে জল্পনা। অনেকে বলছেন, হঠাৎ করে শোভন চট্টোপাধ্যায় তৃণমূলে না থাকায় কোনো ক্ষতি হবে না বলতে গিয়ে তিনি তৃণমূলে না থাকলেও কোনো ক্ষতি হবে না এই কথা কেন বললেন পার্থবাবু! তাহলে কি তিনিও দলবদলের জল্পনাকে উস্কে দিলেন না! এখন এই প্রশ্নই করতে শুরু করেছে সমালোচক মহলের একাংশ।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ বলছেন, “দলে কেউ অপরিহার্য নয়” এই কথাটা বোঝাতে গিয়ে নিজেকে দিয়ে শোভন চট্টোপাধ্যায়কে গুরুত্বহীন করে দেওয়ার চেষ্টা করলেন তৃনমূল মহাসচিব। কিন্তু এক্ষেত্রে তিনি নিজের উদাহরণটা না টানলেই সব থেকে বেশি ভালো হত বলে মনে করছে একাংশ।

 

অন্যদিকে এই সুযোগ নিয়ে বিজেপির কর্মী সমর্থকদের দাবি এবার পার্থ চট্ট্যোপাধ্যায় এবার বিজেপিগামী হচ্ছেন আর এইভাবেই তার আগাম বার্তা দিয়ে দিলেন তিনি।কদিন জল্পনায় জল ঢেলে তৃণমূলের দাবি বিজেপির কাজ হচ্ছে শুধুমাত্র সন্দেহ তৈরী করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা। পার্থবাবুর কথাকে ভুল ব্যাখ্যা করছে তারা। এদিকে এই নিয়ে এখনো চুপ বিতর্কের কেন্দ্র পার্থবাবু।

প্রচারের যুগে এই সময় যখন দলবদলের হিড়িক চলছে, ঠিক তখনই তিনি নিজেও তৃণমূল ছেড়ে চলে গেলে দলের কোনো ক্ষতি হবে না বলে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের মন্তব্যকে নিয়ে এখন যে তীব্র চর্চা হবে রাজ্য রাজনীতিতে, সেই ব্যাপারে নিশ্চিত প্রায় প্রত্যেকেই।তবে সত্যি সত্যিই পার্থবাবু শোভন চট্টোপাধ্যায়কে গুরুত্বহীন করতে গিয়ে এই ধরনের মন্তব্য করলেন! নাকি নিজের ভবিষ্যতের রাস্তাকে জল্পনার দিকে ঠেলে দিলেন! তা নিয়ে জল্পনা কিন্তু রয়েই যাচ্ছে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!