এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > চাকরিপ্রার্থীদের জন্য দুঃসংবাদ, ইন্টার্ন শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে বড়সড় ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রী

চাকরিপ্রার্থীদের জন্য দুঃসংবাদ, ইন্টার্ন শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে বড়সড় ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রী

কিছুদিন আগেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সদ্য স্নাতক পাস করা ছাত্রছাত্রীদের ইন্টার্ন শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ করার কথা ঘোষণা করেছিলেন। যা নিয়ে বিভিন্ন মহলের তরফে নানা আলোচনা এবং সমালোচনার বন্যাও বয়ে গিয়েছিল। তবে অনেকে ভেবেছিলেন, এর ফলে কিছুটা হলেও বেকার যুবক যুবতীরা দিশা পাবেন। কিন্তু এবার মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা করা সেই ইন্টার্ন শিক্ষকের ব্যাপারে কার্যত জল ঢেলে দিলেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়।

সূত্রের খবর, সোমবার বিধানসভার অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে কংগ্রেসের বিধায়ক অসিত মিত্র লিখিতভাবে সরকারের কাছে একটি প্রশ্ন করে জানতে চান যে, রাজ্য সরকার বর্তমান শিক্ষাবর্ষে প্রাথমিক এবং মাধ্যমিক স্তরে ইন্টার্ন শিক্ষক হিসেবে কি শিক্ষক এবং শিক্ষিকা নিয়োগ করতে চলেছে?

আর যদি এটা সত্যি হয় তাহলে কবে এবং কিভাবে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হবে! আর এর উত্তরেই শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “শিক্ষক পদে নিয়োগের আবেদনকারীরা আদালতে গিয়ে দেরি করিয়ে দিচ্ছেন। যার জেরে নিয়োগ প্রক্রিয়া আটকে যাচ্ছে। তাই ইন্টার্ন নিয়োগের চিন্তাভাবনা শুরু হলেও তা এখন আলোচনা স্তরে রয়েছে।তাই এই মুহূর্তে এই বিষয়ে কোনো ভাবনা নেই। তাই আমার মনে হয় এখনই এই প্রকল্প নিয়ে কিছু হবে না।”

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

আপনার মতামত জানান -

আর শিক্ষামন্ত্রীর এই বক্তব্যই এবার শুরু হয়েছে বিভ্রান্তি। প্রথমে যখন মুখ্যমন্ত্রী ইন্টার্ন শিক্ষক নিয়োগের কথা বলেছিলেন, তারপরে কেন শিক্ষামন্ত্রীর সেই প্রকল্পে জল ঢেলে দিলেন, তা নিয়ে একাংশ প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে। অনেকে বলছেন, একেই তো এই প্রকল্প ঘোষণা করে রাজ্যের শিক্ষিত বেকারদের অসম্মান করা হয়েছিল। তার ওপর এখন সেই প্রকল্পকে বাতিল করার দিকে এগোচ্ছে রাজ্য সরকার। তাহলে এই প্রকল্প ঘোষণা করার দরকার কি ছিল!

প্রসঙ্গত, এই বছরেরই জানুয়ারি মাসে কলেজের অধ্যক্ষ এবং উপাচার্যদের নিয়ে বৈঠকের পর সাংবাদিক বৈঠকে শিক্ষক নিয়োগ জটিলতা কাটাতে ইন্টার্ন শিক্ষক নিয়োগের ভাবনার কথা জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যেখানে প্রাথমিক স্তরে ইন্টার্নেট শিক্ষকদের 2000 এবং মাধ্যমিক স্তরে আড়াই হাজার টাকা করে সম্মানী ভাতা দেওয়ার কথাও জানিয়েছিলেন তিনি।

কিন্তু এবার সেই ইন্টার্ন শিক্ষক প্রকল্পে নিয়োগ প্রক্রিয়া কবে থেকে শুরু হবে, তা নিয়ে কংগ্রেস বিধায়ক অসিত মিত্র সরকারের কাছে জানতে চাইলে সেই ব্যাপারে ধোঁয়াশা জিইয়ে রাখলেন শিক্ষামন্ত্রী। যা নিয়ে এবার সরকারের সদিচ্ছাতেই উঠতে শুরু করেছে প্রশ্ন।

এদিকে শিক্ষক নিয়োগ নয় দিনের বিধানসভায় বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “দাঁত পড়ে গিয়েছে এমন ব্যক্তিও শিক্ষক হবে বলে আদালতে চলে যাচ্ছে। আমরা কেস টু কেস আদালতে দরবার করব। প্রয়োজনে নিজে গিয়ে আদালতে দাঁড়াবো। আগের সরকার যাকে পেরেছে তাকে ঢুকিয়েছে। নতুন সরকার ক্ষমতায় এসে কর্মসংস্থান করবে নাকি আগের জঞ্জাল অপসারন করবে, গ্রেড পের বিষয় নিয়ে যে সমস্যা তৈরি হয়েছে সেই ব্যাপারে মুখ্যমন্ত্রী নিজেই হস্তক্ষেপ করেছেন।”

এদিকে এদিন শিক্ষক নিয়োগের ব্যাপারে প্রশ্ন তুলে দিয়ে বিধানসভার বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তীর সঙ্গে চরম বিবাদে জড়িয়ে পড়েন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। যা নিয়ে বিধানসভায় ব্যাপক হট্টগোলও হয়। কিন্তু ইন্টার্ন শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া ঘোষণা করেও যেভাবে এদিন সেই ব্যাপারে ধোঁয়াশা জিইয়ে রাখলেন শিক্ষামন্ত্রী, তা নিয়ে এবার সমালোচনায় সরব হয়েছে বিভিন্ন মহল।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!