এখন পড়ছেন
হোম > আন্তর্জাতিক > পরীক্ষায় পাশ করতে ডামি পাঠিয়ে ধরা পড়লেন সাংসদ নুসরত!

পরীক্ষায় পাশ করতে ডামি পাঠিয়ে ধরা পড়লেন সাংসদ নুসরত!

Priyo Bandhu Media


পরীক্ষায় কারচুপির ঘটনা অনেক শোনা যায় আমাদের এখানে। কিন্তু পরীক্ষায় কারচুপি করতে গিয়ে যেভাবে একের পর এক ডামি পাঠানো হয়েছে, তা নিয়ে রীতিমত চিন্তান্বিত বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তবে ঘটনাটি এদেশের নয়, বাংলাদেশের। সেখানে পরীক্ষা পর্ব থেকে বাঁচতে এক পরীক্ষার্থী একটা নয়, দুটো নয় পুরো আটজনকে ডামি বানিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছিল। ধরা পড়ার পর পরীক্ষকদের অনেকেরই চোখ কপালে। ঘটনাটি সামনে আসার পর এবং এর পেছনের ব্যক্তির নাম জানার পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলেও চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

বাংলাদেশের সাংসদ তমন্না নুসরাত এবার বাংলাদেশের আলোচনার কেন্দ্রে। নুসরতের বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা হবার কথা ছিল এদিন। তবে বাংলাদেশের সাংসদ তামান্না নুসরত পরীক্ষা পর্ব এড়াতে একজন,দুজন নয়, একেবারে আটজন ডামিকে পাঠান পরীক্ষা হলে। তাঁদের ঢুকিয়ে দেবার সুবন্দোবস্ত করেন স্বয়ং নুসরত। আর তারপরই শুরু হয় আসল কান্ড।

তেরোটি পরীক্ষার জন্য পরীক্ষাকেন্দ্রে বসেন আটজন ডামি। আর তাঁদের মধ্যে একজন এক্কেবারে তামান্না নুসরত এর মতন করেই বসেছিলেন। খবর যায় বাংলাদেশের মিডিয়া ‘নাগরিক টিভি’র কাছে। এই সংবাদমাধ্যমটির টিম খবর অনুসন্ধানে সোজা পৌঁছে যায় পরীক্ষাকেন্দ্রে হলের মধ্যে। আর সেখানে পৌঁছেই একেকজন ডামিকে একটার পর একটা প্রশ্ন করতেই পুরো ঘটনা সামনে আসে। আর তারপর থেকেই বাংলাদেশের শাসক দল আওয়ামী লীগের সাংসদ নুসরত আলোচনার কেন্দ্রে।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

এই মুহূর্তে ভারতবর্ষের প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশের সবথেকে বড় খবর বাংলাদেশ ওপেন ইউনিভার্সিটির ছাত্রী তামান্না নুসরত পরীক্ষা পর্ব এড়াতে ডামিদের দিয়ে পরীক্ষা দেওয়ানোর সুবন্দোবস্ত করেন। প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিককালে বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচনে 90% জনমত নিয়ে আওয়ামী লীগ সরকার প্রতিষ্ঠা করেন। সেই রাজনৈতিক দলের সাংসদের এহেন কাণ্ডে রীতিমতো ঝড় উঠেছে বাংলাদেশের রাজনৈতিক শিবিরেও। যদিও অপরাধী ধরা পড়ার পর বাংলাদেশের সাংসদ হিসেবে তিনি ছাড়পত্র পাননি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে। বরং তাঁকে বহিষ্কার করে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

এহেন কাণ্ডে রীতিমত আলোচনার ঝড় বইছে গোটা বাংলাদেশ জুড়ে। একজন সাংসদ হয় কিভাবে এই রকম অপরাধ করলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন সবার মনে। অনেকেই মনে করছেন, পরীক্ষায় বসার ভয়ে এহেন কান্ড ঘটিয়েছেন তামান্না নুসরত। তবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক বহিস্কৃত হওয়ায় আপাতত পড়াশোনায় ইতি তমন্না নুসরতের। সমগ্র পরিস্থিতির ওপর নজর রেখেছে বাংলাদেশ সরকার।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!