এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > হাসি ফুটতে চলেছে এ রাজ্যের প্যারা টিচারদের? -আশায় বুক বাঁধছেন শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীরা

হাসি ফুটতে চলেছে এ রাজ্যের প্যারা টিচারদের? -আশায় বুক বাঁধছেন শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীরা

হাসি ফুটতে চলেছে এ রাজ্যের প্যারা টিচারদের। দীর্ঘদিন ধরেই বঞ্চনার শিকার তারা। এবার হয়তো তাঁদের ভাগ্যের শিকে ছিঁড়তে চলেছে। ভাতা বাড়তে চলেছে তাঁদের, এমনটাই প্রত্যাশা করছেন প্যারাটিচার হিসাবে কর্মরত শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মীদের একাংশ। ইতিমধ্যেই  এসএসকে-এমএসকে শিক্ষক ও শিক্ষক সহায়করা জোড়দার দাবী জানাচ্ছে ভাতা বৃদ্ধির জন্য। এদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে সঙ্গে আছে শিক্ষাবন্ধুরাও।

জানা গিয়েছে,শিক্ষাবন্ধু পদটির জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতা গ্র্যাজুয়েশান। অথচ মাসিক ৫০০০ টাকার সামান্য কিছু দেওয়া হয় তাঁদের। তাই ভাতা বৃদ্ধির জন্য সরকারের কাছে দাবীদাওয়া পেশ করার লক্ষ্য নিয়েই দিনদুয়েক আগে বৈঠকে বসেছিল তৃণমূলপন্থী সংগঠন পশ্চিমবঙ্গ শিক্ষাবন্ধু সমিতি। বৈঠকে হাজির ছিলেন সভাপতি প্রেমজিৎ ভট্টাচার্য,কার্যকারী সভাপতি লিয়াকৎ আলি সহ আরো বিশিষ্টজনেরা। দাবীতে তাঁরা জানিয়েছেন,অবিলম্বে বেতনবৃদ্ধি করার সঙ্গে  সারা দেশে সর্বশিক্ষা মিশনের রীতি মেনে তাঁদের ব্লক রিসোর্স কো-অর্ডিনেটর (বিআরসি) এবং ক্লাস্টার রিসোর্স কো-অর্ডিনেটর (সিআরসি)-এর মর্যাদা দিতে হবে। এর পাশাপাশি ৬৫ বছর পর্যন্ত চাকরির মেয়াদবৃদ্ধি এবং সার্ভিস রুল চালু করার দাবিও তোলা হয়েছে। দাবিদাওয়া নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের দপ্তরে স্মারকলিপিও জমা দিয়েছে এই সংগঠন এদিন।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

এদিকে,বুধবার ইদুজ্জোহা এখনও বেতন হয়নি প্যারাটিচারদের। এ প্রসঙ্গে শাসকপন্থী সংগঠন এসএসকে-এমএসকে যৌথ শিক্ষক সমিতির রাজ্য সভাপতি মুকলেস রহমান বিশ্বাস বলেন,প্রায় ৪৮ হাজার প্যারাটিচারের ৪০% ই মুসলিম। ফলত বেতন না হওয়ার কারণে ঈদের কোনো কেটাকাটায় হাত দিতে পারছেন না তাঁরা। এ বিষয়ে অভিযোগ জানাতে গেলে পঞ্চায়েত দপ্তর শিক্ষাদপ্তরের দিকে আঙুল দেখাচ্ছেন। শিক্ষাদপ্তরের আধিকারিকরা আবার পঞ্চায়েত দপ্তরে পাঠিয়ে দিচ্ছেন। দোষ দেওয়া হচ্ছে কেন্দ্রেরও। বলা হচ্ছে,কেন্দ্র থেকে টাকা পাঠানো হয় নি। এখানে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। রাজ্যসরকার নিজের ভাগের টাকা দিয়ে কেন আংশিক বেতন মেটাচ্ছে না এসব টিচারদের?  পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য শিক্ষক ও শিক্ষা বিষয়ক কর্মচারী ফেডারেশনের রাজ্য সম্পাদক সুব্রত চক্রবর্তী সমস্যাটির সমাধানে রাজ্যসরকারকে মানবিক হয়ে ভেবে দেখার আর্জি জানালেন এদিন।

Top
error: Content is protected !!