এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > নদীয়া-২৪ পরগনা > পঞ্চায়েতে বোর্ডগঠন ঘিরে রণক্ষেত্র আমডাঙ্গা – চলল বোমা-গুলি, প্রাণ গেল তিনজনের

পঞ্চায়েতে বোর্ডগঠন ঘিরে রণক্ষেত্র আমডাঙ্গা – চলল বোমা-গুলি, প্রাণ গেল তিনজনের


ফের পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠনকে ঘিরে অশান্তির হাওয়া ছড়ালো উত্তপ্ত উত্তর ২৪ পরগনার আমডাঙা। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আমডাঙার তাড়াবেড়িয়ায় পঞ্চায়েত ভোটকে ঘিরে দ্বন্ধ বাঁধল সিপিএম ও তৃণমূলের মধ্যে| এই সংঘর্ষে মৃত্যু হয়েছে কুদ্দুস গনি ও নাসির হালদার নামে দুই তৃণমূল কর্মীর এবং মোজাফ্ফল পিয়াদা নামে এক সিপিএম কর্মীর । শুধু মাত্র তাই নয়, আহত হয়েছেন প্রায় ২৫-২৮ জন কর্মী সমর্থক। হাসপাতালে ভর্তি আছেন প্রায় সকালেই তার মধ্যে ৭ -৮ জনের অবস্থা আশঙ্কা জনক। যদিও এই নিয়ে একে অপরকে দুষতে ব্যাস্ত দুই দল। জানা গেছে শুধু সংঘর্ষই নয় চলেছে বোমা গুলিও। এলাকার পরিবেশ থমথমে। ইতিমধ্যেই পুলিশ ঘটনার সাথে যুক্ত থাকার জন্য ১০ জনকে গ্রেফতার করেছে। আর তাই এইসব কারণেই এলাকায় পঞ্চায়েতের বোর্ডগঠন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত রাখা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। 

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

সূত্রের খবর অনুযায়ী, এই গ্রামপঞ্চায়েতে মোট ১৯ টি আসন। তার মধ্যে ৯ টি গিয়েছে তৃণমূলের ঝুলিতে আর ৭ টি আসন নিজেদের ঝুলিতে রেখেছে সিপিআইএম। আর খুব ভালো ফল না করলেও ১ টি করে আসন দখল করেছিল বিজেপি, কংগ্রেস ও নির্দল প্রার্থীরা। তবে এদিনের সংঘর্ষ নতুন কিছু নয়। স্থানীয়দের দাবি এলাকায় তৃণমূল ও সিপিএম-এর মধ্যে লড়াই দীর্ঘদিনের।যা আবার নতুন করে দেখা গেলো বোর্ড গঠনের সময়। প্রসঙ্গত পঞ্চায়েত ভোটেও পঞ্চায়েতের মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময়েও অশান্তি ছড়িয়েছিলো আর ভোটের দিন প্রাণ হারান এক সিপিএম কর্মী।

 

জানা গেছে শুধু তাড়াবেড়িয়াতেই নয়, আশেপাশের এলাকাতেও উত্তেজনা ছড়িয়ে পরে। বোমাবাজি ও গুলির লড়াই চলে -পুলিশকে আটকাতে কাটা হয় রাস্তা বলেও অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে বিশাল সংখ্যক পুলিশ বাহিনী এসে পরিস্থিতি সামাল দেয়। সিপিএম এর দাবি যে তৃণমূলে এই কাজ করেছে। অন্যদিকে সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে তৃণমূল নেতা তথা রাজ্যের মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক দাবি করেছেন যে সিপিএম ও বিজেপি যৌথভাবে হামলা চালিয়েছে। তৃণমূলের দাবি, নির্দল সদস্যের তৃণমূলকে সমর্থনের সম্ভাবনা তৈরি হতেই হামলা চালায় বিরোধীরা।কিন্তু বিরোধীদের দাবি যে বিজেপির একটি অংশ সিপিএম-কে সমর্থনের কথা জানিয়েছিল।

 

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!