এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > পঞ্চায়েত চত্বরেই শাসকদলের দুই গোষ্ঠীর হাতাহাতিতে গুরুতর জখম সংখ্যালঘু উপপ্রধান

পঞ্চায়েত চত্বরেই শাসকদলের দুই গোষ্ঠীর হাতাহাতিতে গুরুতর জখম সংখ্যালঘু উপপ্রধান

গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জন্য বারবার খবরের শিরোনামে আসছে শাসক দলের নাম। এবার চোপড়ার হাপতিয়াগছ গ্রামে। আসুক গালের দুই গোষ্ঠীর দ্বন্দ্বের ফলে গুরুতর জখম হন ওই পঞ্চায়েতের উপপ্রধান মহম্মদ শাকির। স্থানীয় সূত্রে খবর, দলের প্যানেল এর বিরুদ্ধে উপপ্রধান নির্বাচিত হওয়ায় তাকে এখন দলের একাংশ মানতে চাইছেন না এর জেরেই এদিনের সংঘর্ষ।

মহম্মদ শাকির জানান,”এদিন অফিসে কর্মীর উপস্থিতি কম ছিল।দলের একাংশ সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে আমাকে মারার জন্য আমার দপ্তরে আসেন। যারা আমাকে মারধর করেন।”মহম্মদ সাকিরের অভিযোগ, প্রাক্তন প্রধান শাহকামাল হোসেনের লোকজনই তাকে মারধোর করে।

কামাল হোসেন জানান,”আমার স্ত্রী নেহার আনজুম এবার ভোটে জিতেছে। এদিন সে পঞ্চায়েত অফিসের নিচে দাঁড়িয়ে ছিল। উপপ্রধান তাকে সিপিএম আখ্যা দিয়ে মারধর করে। আমরা কাউকে মারিনি।”
স্থানীয় বিধায়ক হামিদুল রহমান বলেন,”আমি জেলার বাইরে আছি। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখব।” স্থানীয় সূত্রে খবর, এদিন হাতাহাতির সময় শুনে কয়েক রাউন্ড গুলিও চলেছে।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

 

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

তৃণমূল সূত্রে খবর, এবার পঞ্চায়েতে তারা একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে। বোর্ড কাটুন এর আগে যে প্যানেল তৈরি করা হয় সেখানে উপপ্রধান হিসেবে নেহার আনজুমের নাম ছিল। কিন্তু মহম্মদ শাকির দলের প্যানেল এর বিরুদ্ধে গিয়ে উপপ্রধান পদে দাঁড়ান। এরপরই দুটি গোষ্ঠীতে ভাগ হয়ে গিয়ে চরম দ্বন্দ্ব শুরু হয়ে যায় সেখানে। গোষ্ঠী কোনোভাবেই মহম্মদ সাকিবকে মেনে নিতে পারছে না।

Top
error: Content is protected !!