এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > প্রকৃত ‘দরিদ্রদের’ হাতেই সরকারি ঘর তুলে দিতে নতুন করে সমীক্ষা করবে পঞ্চায়েত দপ্তর

প্রকৃত ‘দরিদ্রদের’ হাতেই সরকারি ঘর তুলে দিতে নতুন করে সমীক্ষা করবে পঞ্চায়েত দপ্তর

 যথাযোগ্য ঘরবাড়ি রয়েছে তাও ঘর পাচ্ছেন ঠিক অন্যদিকে নিজস্ব ঘরবাড়ি নেই, আর যদিও বা থাকে তবে তা বসবাসের জন্য অযোগ্য তবুও তাদের নাম উঠছে না  প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার তালিকায়। পঞ্চায়েত দপ্তর সূত্রের খবর, গত 9 আগষ্ট দপ্তরের প্রধান সচিব জেলাশাসকদেরকে একটি নির্দেশ পাঠিয়ে জানিয়ে দিয়েছেন যে, এই যোজনায় যোগ্য প্রাপকদের নাম তালিকাভুক্ত করার জন্য প্রতিটি পঞ্চায়েতকে নতুন করে সার্ভে করতে হবে। আর এই কাজ শেষ করতে আগামী ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়ও দেওয়া হয়েছে এই পঞ্চায়েতগুলিকে ।

হুগলির জেলাশাসক জগদীশপ্রসাদ মিনা বলেন, পঞ্চায়েত দপ্তরের নির্দেশ হাতে পাওয়ার পরেই তা ব্লক প্রশাসনের মাধ্যমে পঞ্চায়েতগুলিকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। পঞ্চায়েত স্তরে যাঁরা সমীক্ষার কাজ করবেন তাঁদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজ চলছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই সমীক্ষার কাজ শেষ করা হবে। বীরভূমের অতিরিক্ত জেলাশাসক (জেলা পরিষদ) দীপ্তেন্দু বেরা বলেন, পঞ্চায়েত দপ্তর থেকে গ্রাম পঞ্চায়েত স্তরে সমীক্ষার একটি নির্দেশ এসেছে। নির্দেশ অনুযায়ী সমীক্ষার প্রস্তুতি চলছে।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

প্রসঙ্গত, ২০১০ সালের শেষের দিকে এই প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় সুবিধে পাওয়া ব্যাক্তিদের একটি সমীক্ষা করলে  ২০১১ সালের প্রথম দিকে প্রকাশিত হয় তার তালিকা। আর বর্তমানে সেই তালিকায় থাকা পরিবারগুলিই এই প্রকল্পের সুবিধা পেয়ে থাকেন। কিন্তু এরপরই নানা জায়গা থেকে অভিযোগ আসতে শুরু করে যে বঞ্চিত ব্যাক্তিদের তুলনায় স্বচ্ছ ব্যাক্তিরা বেশি করে এই প্রকল্পের আওতায় আসতে শুরু করেছে। আর এরপরই পঞ্চায়েত দপ্তর থেকে জারি করা এক নির্দেশিকায় বলা হয় যে, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা বা বাংলা আবাস যোজনার তালিকায় যে সমস্ত গরিব পরিবার বাদ পড়েছে, তাদের এই সার্ভের আওতায় আনতে হবে।”  

সূত্রের খবর, প্রধানত গৃহহীন, মাটি বা বাঁশ দিয়ে তৈরি টালি, প্লাস্টিক, পলিথিনের ছাউনি দিয়ে থাকা পরিবারগুলিকে এর তালিকার আওতায় রাখতে বলা হয়েছে। শুধু তাই নয়, সার্ভের সময় অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোনের মাধ্যমে আবাস অ্যাপে গিয়ে গ্রামের নাম, ঠিকানা, পরিবারের সদস্য সংখ্য, প্রত্যেকের আধার নম্বর ও বর্তমানে থাকা বাড়ির ছবি আপলোড করারও নির্দেশ দিয়েছে রাজ্যের পঞ্চায়েত দপ্তর। এমনকী এই কাজের সাথে যারা যুক্ত থাকবেন তাদের ভুলভ্রান্তি এড়াতে ব্লক স্তরে একটি প্রশিক্ষণের ব্যাবস্থাও গ্রহন করা হবে বলে খবর।

জানা গেছে, ইতিমধ্যেই সরকারের এই নির্দেশিকা হুগলি জেলায় পৌছোনোর পর এই সার্ভের কাজের সাথে যুক্ত কর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজও শুরু হয়েছে। এ প্রসঙ্গে হুগলির জেলাশাসক অরবিন্দকুমার মিনা বলেন, “পঞ্চায়েত দপ্তরের নির্দেশ হাতে পাওয়ার পরই তা ব্লকের মাধ্যমে জেলার সব পঞ্চায়েতকে জানানো হয়েছে।” কিন্তু এই সমীক্ষা কবে শেষ হবে? এই প্রশ্নের উত্তরে জেলাশাসক বলেন, ” প্রশিক্ষনের কাজ চলছে। নির্দিষ্ট সময়েই এই সমীক্ষার কাজ শেষ হবে।” সব মিলিয়ে গরিব মানোষদের হাতেই সরকারি ঘর তুলে দিতে সমীক্ষার উদ্যোগ রাজ্য পঞ্চায়েত দপ্তরের।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!