এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > পঞ্চায়েতে বিরোধীদের লিখিত ও অনলাইন অভিযোগের কি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে জমা পড়ল রিপোর্ট

পঞ্চায়েতে বিরোধীদের লিখিত ও অনলাইন অভিযোগের কি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে জমা পড়ল রিপোর্ট

রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোটে বিভিন্ন সময় শাসকদল তৃনমূলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে বিভিন্ন জেলা প্রশাসনের কাছে নিজেদের অভিযোগ দাখিল করেছিলেন বিরোধী দলের নেতা কর্মীরা। এবার বিরোধীদের সেই সমস্ত অভিযোগকে গুরুত্ব দিয়ে কোথায় কতটা পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়েছে তার বিস্তারিত রিপোর্ট মঙ্গলবার রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের দপ্তরে পাঠালেন পূর্ব বর্ধমান জেলার প্রশাসন। কিন্তু কিভাবে জেলা প্রশাসন সম্পন্ন করল এই প্রক্রিয়া?

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

——————————————————————————————-

 এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

জানা গেছে, জেলায় 15 টি লিখিত ও অনলাইনের মাধ্যমে চারটি অভিযোগ জেলা প্রশাসনের কাছে জমা পড়ার পরই জেলা পঞ্চায়েত দপ্তরের রিপোর্ট চাওয়া হলেই বিডিওরা তা জেলা প্রশাসনকে দিলেই তা পৌছে যায় রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের দপ্তরে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, সুপ্রিম কোর্টে পঞ্চায়েত মামলা যাওয়ার পরই রাজ্য নির্বাচন কমিশন বিরোধীরা প্রশাসনের কাছে যেসব অভিযোগ দাখিল করেছিল সেগুলি জেলায় জেলায় ফরোয়ার্ড করে প্রতিটি জেলা প্রশাসনের কাছে রিপোর্ট চাওয়া হলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বিভিন্ন জেলা সেই রিপোর্ট জমাই দিতে পারেনি।

এমতাবস্তায়, সোমবার ফের রাজ্য নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে প্রতিটি জেলায় নির্দেশ পাঠানো হয় যে, বিরোধীদের অভিযোগ নিয়ে জেলা প্রশাসন যে কোনো ব্যাবস্থাই নেয়নি তা সুপ্রিম কোর্টে জানিয়ে দেওয়া হবে। আর এরপরই নড়েচড়ে বসে জেলার প্রশাসন। সোমবার রাতেই রিপোর্ট তৈরি করে মঙ্গলবার তা কমিশনের দপ্তরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এ প্রসঙ্গে জেলা পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের আধিকারিক সুশান্তকুমার ভোক্তা বলেন, “আমরা মোট 19 টি অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কি কি ব্যাবস্থা নেওয়া হয়েছে তা নিয়ে একটি রিপোর্ট তৈরি করে পাঠিয়ে দিয়েছি।”

 এদিকে গত 16 ই জুলাই থেকে বর্ধমানের কালনা রোডের সাধনপুরে পঞ্চায়েত প্রশিক্ষন ও সম্পদ কেন্দ্রে জয়ী পঞ্চায়েত সদস্যদের প্রশিক্ষন শুরু হলেও সেখানে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় জয়লাভ করা সদস্যরা ডাক পাননি। এ প্রসঙ্গে আইএসজিপি প্রকল্পের জেলা সঞ্চালক তাপস মুখোপাধ্যায় বলেন, “প্রতিটি ব্যাচকে তিনদিন ধরে প্রশিক্ষন দেওয়া হবে।শুধুমাত্র ভোটে জেতা পঞ্চায়েত সদস্যদেরই দেওয়া হচ্ছে এই প্রশিক্ষন।” তবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় জয়ী সদস্যদের প্রশিক্ষন না দেওয়া নিয়েও তৈরি হয়েছে জল্পনা।

 

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!