এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > অর্থনৈতিক মন্দার মাঝেই আরও বড় দুঃসংবাদ! মোদী-নির্মলার দুশ্চিন্তা বাড়িয়ে কমছে জিএসটি সংগ্ৰহ

অর্থনৈতিক মন্দার মাঝেই আরও বড় দুঃসংবাদ! মোদী-নির্মলার দুশ্চিন্তা বাড়িয়ে কমছে জিএসটি সংগ্ৰহ

বর্তমানে ভারত বর্ষ চরম অর্থনৈতিক মন্দার মুখোমুখি হয়েছে। জিডিপির হার ক্রমশ কমছে। ক্রমাগত বেড়েই চলেছে ছাঁটাইয়ের ভয়। দেশের ছোট ও মাঝারি শিল্পগুলি দেখছে ক্ষতির মুখ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন নিত্যদিন অর্থনীতির হাল ফেরানোর চেষ্টা করে যাচ্ছেন। বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করে বর্তমানে ভারতের উপর এসে পড়া অর্থিক মন্দার কালো মেঘকে কাটানোর জন্য কেন্দ্রীয় সরকার ইতিমধ্যে জিএসটির হার কমিয়ে দিয়েছে এবং সেখানেই বেড়েছে চিন্তার কারণ।

দেশ এখন নির্মম অর্থনৈতিক সংকটের মুখে। এই অর্থনৈতিক সংকট থেকে উঠে দাঁড়াতে মরিয়া চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে গোটা দেশ। গোটা দেশকে সামলাতে রীতিমত হিমশিম খাচ্ছেন কেন্দ্রের মোদি সরকার। গোদের ওপর বিষফোঁড়ার মতো এবার জিএসটি সংগ্রহে যে আয় হয় তাতেও ঘাটতি দেখা দিল।

2017 সাল থেকে জিএসটি চালু হয়েছে সারা দেশে। এবং তার ফলে সরকারি কোষাগারে আর্থিক চাপ সেভাবে ছিলনা বলা চলে। কিন্তু অর্থনৈতিক সংকটের কথা মাথায় রেখেই জিএসটিতে ছাড় দেওয়া হয়েছে গত মাসে এবং তারপর থেকেই দেখা যাচ্ছে জিএসটি সংগ্রহ গত 19 মাসের তুলনায় 2.8 শতাংশ কমে গেছে।

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর আরও সহজে হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের যে কোনও এক্সক্লুসিভ সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপে। ক্লিক করুন এখানে – টেলিগ্রাম, হোয়াটস্যাপ, ফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউবফেসবুক পেজ

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

কেন্দ্রীয় সরকারের একটি অর্থনৈতিক রিপোর্টে প্রকাশ হয়েছে, গত মাসে জিএসটি থেকে সংগ্রহ হয়েছিল 91 হাজার 916 কোটি টাকা। গত 19 মাসের নিরিখে সবচেয়ে কম। গতবছর এই জিএসটি সংগ্রহের হার ছিল 94 হাজার 442 কোটি টাকা। শুধু তাই নয় রপ্তানী ক্ষেত্রেও জিএসটি এর মাধ্যমে আয় এর পরিমাণ অনেকটাই কমে গেছে।

অর্থনৈতিক বিপাকে পড়ে দেশের মূল শিল্প গুলির গোড়ায় আঘাত লেগেছে। দেশের আটটি মূল শিল্প দিনে-দিনে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। আর্থিক পরিস্থিতির সঙ্গীন অবস্হায় বিনিয়োগকারীরাও তাদের বিনিয়োগ সরিয়ে নিচ্ছে। মোদি সরকার নিত্যদিনই অর্থনৈতিক পরিস্থিতিকে চাঙ্গা করতে নানান রকম প্রকল্পের ঘোষণা করে চলেছেন। কিন্তু তাতেও হাতেনাতে কোন ফল মিলছে না। প্রায় প্রত্যেক দিন শেয়ার বাজার শুরু থেকেই নিম্নমুখী হয়ে রয়েছে। বেলা বাড়ার সাথে সাথেই সেখানে নামছে ধ্বস। এই শেয়ারবাজারকে চাঙ্গা করতেই মোদি সরকার জিএসটিতে ছাড় দিয়েছিল। শেয়ারবাজার সাময়িক চাঙ্গা হলেও জিএসটি সংগ্রহে সরকারি কোষাগারে যে আয় হয় তা অনেক কমে গেছে বলে খবর।

রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের দাবি, ঝিমিয়ে পড়া অর্থনীতির বাজারে এইভাবে নিত্যদিন প্রকল্প ঘোষণা করে কথাটা কি কাজ হবে তা এখনই বলা সম্ভব নয়। কারণ বাজার অগ্নিমূল্য হওয়ায় প্রতিটি ছোট মাঝারি কোম্পানিগুলি ক্ষতির মুখ দেখছে। তবে অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞদের দাবি, কেন্দ্রীয় সরকার যদি সঠিক পরিকল্পনা নিয়ে ভারতীয় অর্থনীতিকে সঠিক দিশা দেখাতে পারে, তাহলে সময় লাগলেও এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে যাওয়া যাবে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!