এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > শুরু ‘অপারেশন লোটাস’ – লোকসভার আগেই কর্নাটকে সরকার গড়তে আরও একধাপ এগোল বিজেপি

শুরু ‘অপারেশন লোটাস’ – লোকসভার আগেই কর্নাটকে সরকার গড়তে আরও একধাপ এগোল বিজেপি

অপারেশন লোটাসকে হাতিয়ার করে লোকসভা ভোটের মুখে বড়সড় সাফল্য পেল বিজেপি। গেরুয়াশিবিরে নাম লেখালেন কংগ্রেস বিধায়ক উমেশ যাদব। বুধবার পূর্বপরিকল্পনা মতোই প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিলেন চিঞ্চোলি বিধানসভার দু’বারের বিধায়ক। স্বাভাবিকভাবেই এতে লোকসভা ভোটের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে বিজপির সংগঠন পোক্ত হল। ওদিকে কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়ল কুমারস্বামী সরকারের।

গত বছর মে মাসে বিধানসভা নির্বাচনে একক বৃহত্তম দল হিসাবে উঠে এলেও কর্নাটকে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি বিজেপি। সেই সুযোগে ছক্কা মেরে দেয় কংগ্রেস-জেডিএস জোট। জোট সরকারের পক্ষ থেকে মুখ্যমন্ত্রী হন কুমারস্বামী। তখন থেকেই জোট সরকার ভেঙে দেওয়ার ছক কষতে থাকে বিজেপি।

এমকি বিজেপির তরফ থেকে জোট সরকার ভেঙে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয় দফায় দফায়। বিজেপির হুমকি যে ফাঁপা ছিল না তার প্রমাণ বিভিন্ন সময়ে পাওয়া গিয়েছে। এসবের মধ্যে বেশ কয়েক মাস ধরে হুমকি এবং আতঙ্কের রেশ বাড়তে থাকে। একাধিক কংগ্রেস বিধায়কের হঠাৎ করে খোঁজ না মেলায় জল্পনা শুরু হয়। অভিযোগ ওঠে বিজেপির ‘অপারেশন লোটাস’-এর বিরুদ্ধে।

গুঞ্জন শুরু হয়,প্রায় নয় জন কংগ্রেস বিধায়ক বিজেপি শিবিরে নাম লেখাতে চলেছেন। এই অবস্থায় কর্নাটকের জোট সরকার প্রশ্নের মুখে পড়ে। তবে সেই প্রতিকূল পরিস্থিতিকে শক্ত হাতে নিয়ন্ত্রণ করেন কর্ণাটক প্রদেশ সরকার। সকল বিধায়ককে নির্দিষ্ট সময়সূচী দিয়েই তড়িঘড়ি করে বৈঠকে ডাকা হয় সেসময়। সেই বৈঠকে নিখোঁজ নয় বিধায়কের মধ্যে চারজন অনুপস্থিত ছিলেন সেসময়। এঁদের মধ্যেই একজন হলেন উমেশ যাদব,এমনটাই জানা গিয়েছে।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

আপনার মতামত জানান -

গত সোমবার বিধায়ক পদ থেকে উমেশ যাদবের ইস্তফা দেওয়ার পর প্রকাশ্যে আসে তাঁর বিজেপিতে যোগ দেওয়ার ব্যাপারটা। বুধবার প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে সভাস্থল থেকে যে তিনি গেরুয়া ঝাণ্ডা তুলে নেবেন সেটাও স্পষ্ট হয়ে যায়। গুলবার্গে কংগ্রেস নেতা মল্লিকার্জুন খাড়গের বিরুদ্ধে উমেশ যাদব যে বিজেপি প্রার্থী হচ্ছেন সেটাও জানা গিয়েছে বিজেপি সূত্রের খবরে।

এদিন কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে আসার পর উমেশ যাদব খোশমেজাজে জানান,”আমরা একটা নতুন ইতিহাস রচনা করতে চলেছি। একজন অতি সাধারণ বিধায়কের সঙ্গে বড় নেতার লড়াই হবে। আপনাদের সমর্থন আমাদের খুব দরকার। কিভাবে উন্নয়ন করতে তা আমরা আপনাদের দেখিয়ে দেবো।’

অন্যদিকে উমেশ যাদবের দলপরিবর্তন নিয়ে মিডিয়ার সামনে মুখ খুললেন কর্ণাটক কংগ্রেস সভাপতি দীনেশ গুন্ডু রাও। বললেন,যাদবের পদত্যাগ প্রত্যাশিত ছিল। কংগ্রেসের হাত ধরে রাজনৈতিক জগতে খ্যাতি পেয়ে সেই কংগ্রেসের সঙ্গেই বিশ্বাসঘাতকতা করলেন তিনি। অথচ কংগ্রেস কখনো তাঁর সঙ্গে অবিচার করেনি। তবে উমেশ যাদবের সূত্র ধরে আর কেউ এখনো পর্যন্ত দলত্যাগ করেনি বা আপাতত কেউ করছে না বলেই জানালেন তিনি।

এদিকে, কর্ণাটকে কংগ্রেস-জনতা দলের জোট সরকার আবার অভিযোগ করেছে,বিধায়কদের ফুঁসমন্তর দিয়ে দল ভাঙিয়ে গেরুয়াশিবিরের ওজন বাড়াচ্ছে বিজেপি। এরকম যদি চলতে থাকে তাহলে লোকসভা আসতে আসতে দক্ষিণ ভারতে বিজেপির খুঁটি আরো পোক্ত হবে বলেই আশঙ্কা করছে বিরোধীরা।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!