এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > তৃণমূল ছাত্র পরিষদের যে ধরনা মঞ্চে হাজির বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরা, জোর চর্চা রাজনৈতিকমহলে

তৃণমূল ছাত্র পরিষদের যে ধরনা মঞ্চে হাজির বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরা, জোর চর্চা রাজনৈতিকমহলে

সিপিএম কংগ্রেসের হিংসার রাজনীতির প্রতিবাদে 13 ই জানুয়ারি রাজনীতিতে বিরোধী দলের বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী যোগ দেননি।  কিন্তু সেই বৈঠকের দিনেও এনআরসি সিএএ বিরোধী আন্দোলনে রাস্তায় থাকলেন তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ধর্মতলার ধরনা মঞ্চ থেকেই মুখ্যমন্ত্রী এদিন স্পষ্ট কথায় বুঝিয়ে দিলেন, তিনি এই আন্দোলনের একমাত্র পুরধা। পশ্চিমবঙ্গ থেকে এই আন্দোলন তাঁর দলই একমাত্র টেনে নিয়ে যেতে পারবে। এদিন তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, রাস্তায় নেমে আন্দোলন তার কাছে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

মঙ্গলবার তৃণমূল ছাত্র পরিষদের যে ধরনা মঞ্চ রয়েছে রানী রাসমণি এভিনিউতে। সেখানে যোগ দিলেন রাজ্যের তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী তথা তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে তুমুল সমালোচনা সৃষ্টি করেছে। প্রশ্ন উঠেছে, রাজনৈতিক মঞ্চে কিভাবে রাজ্যের উপাচার্য এসে যোগ দেন। এদিন উপস্থিত ছিলেন ধর্নামঞ্চে সিধু কানু বিশ্ববিদ্যালয়, উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় ও পঞ্চানন বর্মা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরা।

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর আরও সহজে হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের যে কোনও এক্সক্লুসিভ সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপে। ক্লিক করুন এখানে – টেলিগ্রাম, হোয়াটস্যাপ, ফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউবফেসবুক পেজ

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

সোমবার রানী রাসমণি এভিনিউ তৃণমূল ছাত্র পরিষদের ধরনা মঞ্চ থেকে সরাসরি তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানালেন, ”আন্দোলন করতে গেলে বিবেক, হৃদয় থাকতে হয়। আন্দোলন মানে হিংসা নয়। শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করুন”। উল্লেখ্য, গত শনিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যখন পশ্চিমবঙ্গের বুকে পা রেখেছিলেন ঠিক সে সময় এই মঞ্চ থেকেই সিএএ এবং এনআরসি বিরোধিতায় সরব হয়েছিল তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রীও শনিবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎকারের পরেই ধর্নামঞ্চে এসে বক্তব্য রাখেন এই বলে ”প্রধানমন্ত্রীকে বলেছি, আমরা সিএএ-এনআরসি মানা হবে না, বাতিল করুন”। ওই একই দিনে রাতের বেলা পুলিশের সঙ্গে ছাত্রদলের আবারও তুমুল ধস্তাধস্তি শুরু হয়। পরিস্থিতি রীতিমত অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। সামাল দিতে মুখ্যমন্ত্রী হাতে তুলে নেন। সরাসরি আবেদন করতে থাকেন শান্তি বজায় রাখার জন্য।

অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রীর বিরোধী দলের বৈঠকে না যাওয়া নিয়ে তুমুল প্রতিবাদ করেছে কংগ্রেস ও সিপিএম সংগঠন। তাঁদের মতে, মুখ্যমন্ত্রীর সস্তার প্রচার পাবার জন্যই বিরোধী দলের বৈঠকে যোগদান না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। অন্যদিকে, রাজনৈতিক মহলের দাবি, যেখানে মুখ্যমন্ত্রী এনআরসিসি এই আন্দোলনের প্রথমভাগে দেশের সমস্ত বিরোধীদলগুলিকে একত্রিত হবার আহ্বান জানিয়েছিলেন এবং চিঠিও দিয়েছিলেন। সেখানে তিনি নিজে এভাবে পিছিয়ে যাওয়ায় দেশের রাজনৈতিক মহলে তাঁর গুরুত্ব কিছুটা হলেও কম হলো বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। আপাতত সম্পূর্ণ পরিস্থিতির ওপর নজর রেখেছে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক।

আপনার মতামত জানান -
ট্যাগড
Top
error: Content is protected !!