এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > বাংলায় এনআরসি চালু করতে গেলে অসহযোগিতা করবে রাজ্য সরকার! স্পষ্ট জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

বাংলায় এনআরসি চালু করতে গেলে অসহযোগিতা করবে রাজ্য সরকার! স্পষ্ট জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

এনআরসি নিয়ে বর্তমানে উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। রাজ্যে এনআরসির ব্যাপারে গুজব ছড়ানো হচ্ছে বলে এবার দাবি করে বসলেন তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনকি সাথে সাথে বাংলার মানুষের পাহারাদার হিসেবে নিজেকে তুলে ধরে রাজ্যে এনআরসি করতে আসলে রাজ্য সরকার তীব্র সহযোগিতা করবে বলেও জানিয়ে দিলেন তিনি।

সূত্রের খবর, সোমবার কেন্দ্রীয় সরকারি সংস্থার বিলগ্নীকরণের প্রতিবাদে তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের পক্ষ থেকে নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে একটি সভার আয়োজন করা হয়েছিল। আর সেখানেই বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই এনআরসি ইস্যুতে মুখ খোলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, “এনআরসি নিয়ে চিন্তাভাবনার কোনো কিছু নেই। কোনো নথি হারিয়ে গেলে থানায় গিয়ে এফআইআর করে রাখুন। পশ্চিমবঙ্গ কেন দেশের কোনো রাজ্যে এনআরসি হবে না। এনআরসি করব বললেই সেটা করা যায় না। এটা করার জন্য রাজ্য সরকারের মেশিনারিকে ব্যবহার করতে হবে। কিন্তু আমরা তা করতে দেব না।”

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী এই কথা বললেও কদিন আগে থেকেই যেভাবে বিজেপির রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় নেতারা এনআরসির পক্ষে সওয়াল করে আসছেন এবং তাকে কেন্দ্র করে বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে 6 জন মানুষের মৃত্যু হয়েছে এদিন সেই প্রসঙ্গ তুলে ধরেও গেরুয়া শিবিরের উদ্দেশ্যে তোপ দাগেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

তিনি বলেন, “এনআরসির কারণে আতঙ্কিত হয়ে রাজ্যে 6 জন মানুষের মৃত্যু হয়েছে। বিজেপি নিজেদের রাজনৈতিক প্রয়োজনে এই কথা বলে উত্তেজনা ছড়াচ্ছে। সংবাদমাধ্যমের একাংশ এটা নিয়ে টিআরপি বাড়াচ্ছে। আসলে এনআরসি নিয়ে হিন্দু-মুসলমান করা হচ্ছে। আর সেটা করতে গিয়েই অসমের 13 লক্ষ হিন্দুর নাম বাদ পড়েছে। কে বলেছে 971 সালের কাগজ বের করতে হবে! আমার মায়ের জন্ম সার্টিফিকেট যদি দিতে বলা হয়, তাহলে কোথা থেকে পাব! আমাদের উপর ভরসা রাখুন, কোনো চিন্তা করবেন না।”

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, যে কোনো মূল্যেই এবার বাংলার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা করাই প্রধান চ্যালেঞ্জ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে। আর তাই এনআরসি নিয়ে কোনোরকম আতঙ্কে যাতে রাজ্যবাসী হতাশাগ্রস্থ না হয়ে পড়েন, তার জন্য নেতাজি ইন্ডোরে শ্রমিক সংগঠনের সভা থেকে সকলকে আশ্বস্ত করলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। তবে মুখ্যমন্ত্রী একথা বললেও সারাদেশে যদি এই এনআরসি লাগু হয়, তাহলে কেন্দ্র যদি এই রাজ্যেও এনআরসি লাগু করতে আসে, তখন কি হবে! সেদিকেই নজর সকলের।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!