এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > উপনির্বাচনে কি বিজেপি ঝড়ে বিধ্বস্ত হবে প্রাক্তন-বর্তমান শাসকদল

উপনির্বাচনে কি বিজেপি ঝড়ে বিধ্বস্ত হবে প্রাক্তন-বর্তমান শাসকদল

সম্প্রতি রাজ্যে বিজেপির বাড়-বাড়ন্ত নিয়ে রীতিমত চিন্তায় শাসকসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দল গুলি। সেই চিন্তার রেশ কয়েকগুন বেড়েছে সবং উপনির্বাচনের ফলাফলে বিজেপির অপ্রত্যাশিত ভোট বাড়ায়। । এরমধ্যেই প্রায় দোরগোড়ায় উপস্থিত নোয়াপাড়া ও উলুবেড়িয়া উপনির্বাচনের ভোট। রাজ্য-রাজনীতির মানচিত্রে কয়েকবছর আগে পদ্মের জায়গা না থাকলে, বিজেপির জেলা সম্মেলন ও কর্মসূচি কে ঘিরে মানুষের আগ্রহের ভাটা পড়েনি। তবে কি এবার বিজেপির ভোট অঙ্ক নিয়ে মাথা ঘামানোর সময় এসেছে? এ প্রশ্নের উত্তরে শাসকদল মন্ত্যব্য করতে নারাজ ।কিন্তু যতদূর জানা যাচ্ছে বামেরা আর বর্তমান শাসকদল তাদের উপর ভালোভাবে নজর রাখছে।

অন্যদিকে প্রাক্তন-বর্তমান শাসকদলের সঙ্গে টেক্কা দিতে কোমর কসেছেন বিজেপির রাজ্য-নেতৃত্ব। সেই ছবি আরও স্পষ্ট নোয়াপাড়া ও উলুবেড়িয়ার দিকে তাকালেই। এলাকার প্রতিটি গলি-মোড়ে পদ্ম প্রতীক জায়গা করে নিয়েছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে যা অত্যন্ত অপ্রত্যাশিত। যদিও তারা এই ছবির জন্য কেন্দ্রে বিজেপির ঝড়কেই দায়ী করেছেন। স্বভাবতই বিজেপির এই উত্থানকে ঘিরে আশঙ্কা দানা বেঁধেছে বাম ও তৃনমূলের অন্দরে। নোয়াপাড়া, উলুবেড়িয়ায় আগে কখনো সাংগঠনিক ভিত্তি মজবুত ছিলোনা। তাহলে রাতারাতি কিভাবে তা জন্ম নিল তা নিয়েও ধন্দে রয়েছে তারা।নোয়াপাড়া কেন্দ্রে ভোটের ওপর দীর্ঘ পরিচিত মুকুল রায়ের প্রভাব পড়বে বলেও মনে করছে আদি তৃণমূলীরা। তাদের মতে মুকুল রায় এলাকার হাল হাকিকত সম্পর্কে সব কিছুই জানেন পাশাপাশি তিনি একসময়ের তৃণমূলের সংঘঠক ছিলেন।

২০১৬সালে এই অঞ্চলে বিজেপি ভোট সংখ্যা ২৩হাজারের আশেপাশে ছিল ।এবার সেই সংখ্যাতা আরও বেড়ে যেতে পারে। সাংগঠনিক শক্তি ছাড়া ভোট বৃদ্ধি কিভাবে সম্ভব? সেই প্রশ্নের উত্তরে নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক এক শাসকদলের কর্মী বলেন, গেরুয়া হাওয়া রাজ্যে বইছে। তবে সেই হাওয়া ঝড়ো নয়। নোয়াপাড়া কেন্দ্র থেকে বিজেপির টিকিটে লড়বেন ব্যারাকপুর জেলার সভাপতি সন্দীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও তিনি বাকি তিন বিরোধী প্রার্থীর তুলনায় এলাকায় পরিচিত নন। এরপরেও কি ভোট বাড়বে ? ওই কর্মীর মতে প্রার্থী নয় ভোট বাড়াবে প্রতীক-ই। অবশ্য নোয়াপাড়া কেন্দ্রে ভোটের ওপর দীর্ঘ পরিচিত মুকুল রায়ের প্রভাব পড়বে কি না তা নিয়ে সন্দেহ থাকলেও , রাজ্যে বিজেপির সাংগঠনিক শক্তি যে উর্ধমুখী তা অস্বীকার করা যায়না।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!