এখন পড়ছেন
হোম > বিশেষ খবর > লোক ‘টানতে পারছেন না’ শুভেন্দু অধিকারীও, বীরভূম নিয়ে অস্বস্তি শাসকদলে

লোক ‘টানতে পারছেন না’ শুভেন্দু অধিকারীও, বীরভূম নিয়ে অস্বস্তি শাসকদলে

কিছুদিন আগেই বীরভূমের তাঁতীপাড়ায় এসে বিজেপি নেতা মুকুল রায় বীরভূমের তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অনুব্রত মন্ডলের বিরুদ্ধে একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগ এনেছিলেন। সাথে ঘোষণা করেছিলেন, শাসকদলের বাধা দেওয়ার পরেও যে জনসমাগম হয়েছে তাঁর জনসভায় তাতে আগামী পঞ্চায়েতে বীরভূম জেলায় ‘দুর্দান্ত’ ফল করার আশা তিনি করছেন। যদিও সেই সভায় করা মুকুল রায়ের দাবিকে কটাক্ষ করে অনুব্রতবাবু ঘোষণা করেন কয়েকদিনের মধ্যেই তিনি এর পাল্টা সভায় লক্ষ লোকের সমাগম করে দেখিয়ে দেবেন। সেই পাল্টা সাভার ব্যবস্থাও করেন তিনি, আর সেখানে প্রধান বক্তা হিসাবে উপস্থিত করান শাসকদলের যুবনেতাদের ‘হার্টথ্রব’ রাজ্যের পরিবহন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে। রাজ্যের যে কোনো প্রান্তেই শুভেন্দুবাবুর সভা হওয়া মানেই উপচে পড়া ভিড়।
কিন্তু, রাজ্য-রাজনীতির সেই ‘ট্রেন্ডকে’ যেন বদলে দিল গতকালের বীরভূমের জনসভা। লক্ষ লোক তো দূরের কথা, সরকারি পুলিশের হিসেব অনুযায়ী, সাকুল্যে হাজার তিরিশেক লোক এসেছিলেন সভায়। যদিও সেই ভিড়কে সামনে রেখেই মুকুল রায় তথা বিজেপির বিরুদ্ধে প্রথম থেকেই চূড়ান্ত আক্রমনাত্মক থাকেন শুভেন্দুবাবু। রাজ্যের পরিবহনমন্ত্রী বলেন, মুকুল রায় শত চেষ্টা করলেও বীরভূমের মাটিতে দাঁত ফোটাতে পারবেন না। কয়েকদিন আগে এখানে সভা করে একজন বড় বড় কথা বলেছেন। যিনি নিজের পাড়াতে জিততে পারেন না, তিনি আবার পঞ্চায়েতে জিতবে বলছেন। আসলে উনি মুর্খের স্বর্গে বাস করছেন। বীরভূমের শক্তমাটিতে শত চেষ্টা করলেও তৃণমূলকে কেউ দুর্বল করতে পারবেন না, পঞ্চায়েতে বীরভূমে কেষ্টর টিমই যথেষ্ঠ। কিন্তু একে বীরভূমের দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতা অনুব্রত মন্ডলের সভা, তাতে প্রধান বক্তা শুভেন্দু অধিকারী, সবথেকে বড়কথা এই সভা ছিল আদতে বিজেপি ও মুকুল রায়কে বীরভূমের মাটিতে নিজেদের ক্ষমতা ও জনসমর্থন দেখানোর। তা সত্ত্বেও এরকম ‘ভিড় পাতলা’ সভা রীতিমত শোরগোল ফেলে দিয়েছে রাজ্য-রাজনীতিতে। তাহলে কোথাও কি অনুব্রত মন্ডলের ধমক-চমকের রাজনীতি আর মানুষ মেনে নিচ্ছেন না? লাখ টাকার এই প্রশ্নটাই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের কাছে।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!