এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > উত্তরবঙ্গ > সংকীর্ণ রাজনীতি ছেড়ে বন্যা পরিস্থিতি সামলাতে পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান মেয়রের

সংকীর্ণ রাজনীতি ছেড়ে বন্যা পরিস্থিতি সামলাতে পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান মেয়রের

বিগত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে বেহাল উত্তরবঙ্গ। মুখ্যমন্ত্রী আগাম সতর্কবার্তা পাঠিয়েছেন শিলিগুড়িতে। পরিস্থিতি ক্রশমঃ বিপদসীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছে। এমন সঙ্কটজনক অবস্থায় শহরবাসীকে আস্বস্ত করে এদিন শিলিগুড়ির মেয়র অশোক ভট্টাচার্য বিবৃতিতে বলেছেন “দুর্যোগ লাগাম ছাড়াচ্ছে। বৃষ্টির পরিমাণ বাড়ছে। বিপদসীমার কাছাকাছি বইছে মহানন্দা। তবে পরিস্থিতি মোকাবিলায় আমরা প্রস্তুত আছি।” শহরের বিচ্ছিন্ন অংশের পরিস্থিতি এবং পুরসভার পক্ষ থেকে বৃষ্টির জমা জল পরিষ্কারের ক্ষেত্রে কোথায় কীরকম ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে তা জানিয়ে এদিন মেয়র বললেন, “প্রবল বৃষ্টিতে জলপাইগুড়ি, ধুপগুড়ি বা আলিপুরদুয়ারের বহু এলাকা জলমগ্ন হলেও শিলিগুড়িতে কোথাও জল দাঁড়ায়নি। টানা বৃষ্টিতে জল জমলেও দ্রুত নেমে গেছে। তবে শক্তিগড়, সেবক রোডের একাংশ ও হাসপাতাল মোড়ে কিছু সমস্যা হচ্ছে। বৃষ্টি মোকাবিলায় পর্যাপ্ত ত্রাণ ও ২৪ ঘণ্টা কন্ট্রোল রুম চালু রাখা হয়েছে।”

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

গত বছরের সঙ্গে চলতি বছরের আবহাওয়ার তারতম্য এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় পুরসভার কার্যকরী ভূমিকা প্রসঙ্গে জনগনকে অবহিত করার সঙ্গে বিরোধীদের একহাত নিয়ে অশোক ভট্টাচার্য বলেন, “জুলাই মাসে গত কয়েক বছরের গড় বৃষ্টিপাত ৪৮২ মিলিমিটার। কিন্তু চলতি বছরে গত ছয় দিনেই ৪৮০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। বিরোধী দলের নেতা ও পদাধিকারীদের কেউ কেউ প্রচার করছেন, জল জমছে কেন মেয়র জবাব দিন। কিন্তু, মনে রাখা উচিত এটা প্রাকৃতিক দুর্যোগ। অন্য শহর ডুবলেও এখানে জল জমেনি পৌরসভা শহরের ড্রেনেজ ব্যবস্থাকে সাফ রেখেছে বলেই।” এদিন মেয়র একপ্রকার অভিযোগের সুরেই বলেন, তিনি জানেন কোথায় কোথায় সাধারণ মানুষকে পুরসভার কাজকর্মের বিরুদ্ধে উস্কে দেওয়া হচ্ছে। তাই মেয়র পুরসভার পক্ষ থেকে সকল শহরবাসী এবং রাজনৈতিক দলগুলির কাছে আর্জি জানিয়েছেন, “দুর্যোগের সময়ে সংকীর্ণ রাজনীতি ছেড়ে পাশে দাঁড়ান। কিন্তু তা হচ্ছে না। প্রচার করা হচ্ছে পৌরসভা কাজ করে না বলেই শিলিগুড়িতে জল হচ্ছে।” অন্যদিকে SJDA চেয়ারম্যান সৌরভ চক্রবর্তী এই কথা মানতে নারাজ। তাঁর মতে, “শিলিগুড়ি উঁচু এলাকা বলেই জলস্তর নেমে যায়। কিন্তু শহরের ড্রেনেজ ব্যবস্থা ভালো নয় বলে জল নামতে দেরি হচ্ছে। নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে পরিষেবা না পাওয়া ক্ষুব্ধ বাসিন্দাদের অভিযোগ ঢাকতে চাইছেন মেয়র।”

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!