এখন পড়ছেন
হোম > বিশেষ খবর > রাজ্যে কয়েক হাজার অশিক্ষক কর্মীর নিয়োগ বাতিল, তীব্র ক্ষোভ সরকারের বিরুদ্ধে

রাজ্যে কয়েক হাজার অশিক্ষক কর্মীর নিয়োগ বাতিল, তীব্র ক্ষোভ সরকারের বিরুদ্ধে

রাজ্যে একদিকে বেকার সমস্যা তীব্র বলে অভিযোগ বিরোধীদের, তার ওপর এবার সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে চাকরি বাতিল‌ হতে চলেছে উচ্চবিদ্যালয়গুলির কয়েক হাজার অশিক্ষক কর্মচারীর। সূত্রের খবর, ২০১২ সাল থেকে যে সব নিয়োগ হয়েছে তা বাতিল ‌করা হবে। গত ৫ ডিসেম্বর বিচারপতি আদর্শকুমার গোয়েল ও‌ বিচারপতি উদয় উমেশ ললিতের ডিভিশন বেঞ্চ সাফ জানায় ২০১২ সালের ৫ অক্টোবর কলকাতা হাইকোর্টের যে নির্দেশনা অনুসারে নিয়োগ হয়, তা বাতিল করা হল। ২০১২ সালে ওই‌‌ নিয়োগ প্রক্রিয়ার পর রাজ্যে কার্যকর হয় দুটি আইন, ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল স্কুল সার্ভিস কমিসন’ (অ্যামেন্ডমেন্ট অ্যাক্ট, ২০০৮) এবং ‘সিলেকশন অব পার্সনস ফর অ্যপয়েন্টমেন্ট টু দি পোস্ট অব নন-টিচিং স্টাফ’। তবে এখন এই নতুন‌ নিয়োগ প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে এই‌ আইন কতাটা কর্যকরী সেটা নিয়েই বড়সড় প্রশ্ন উঠে গেল।
তবে এই‌ প্রশ্ন সংক্রান্ত এক মামলায় বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত বলেন যে নিয়োগ প্রক্রিয়া সবে শুরু হয়েছে তাই নয়া আইন কর্যকর করা যেতেই‌ পারে কারন এখনও‌ কোন প্রার্থীর কোন অধিকার জন্মায়নি উক্ত পদে। তবে বিচারপতি প্রণব চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন ডিভিসন বেঞ্চ এর বিপরীত মত প্রকাশ করে রায় দেন এবং‌ সেই‌মত নিয়োগ প্রক্রিয়াও‌ শুরু হয়, কিন্তু ডিভিসন বেঞ্চের ওই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা করা হয় সুপ্রিম কোর্টে। দেশের শীর্ষ আদালত অবশ্য এই‌ বিষয়ে বিচারপতি দত্তর বক্তব্যকেই সমর্থন করে বলেন নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলেই চাকরি‌ প্রার্থীদের কোন স্থায়ী অধিকার জন্মাইনি, নতুন প্রকল্প নির্বাচনে নতুন আইন কার্যকর করা যেতেই‌ পারে। ডিভিসন বেঞ্চের দেওয়া এই রায় একেবারেই যুক্তিযুক্ত নয়, তাই তা খারিজ করা হলো। আর এই রায় সামনে আসতেই চাকরি খোয়ানোর আতঙ্কে ভুগছেন ২০১২ সালের পর থেকে চাকরিতে যোগ দেওয়া কয়েক হাজার অশিক্ষক কর্মচারী।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!