এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > বর্ধমান > নিজের কেন্দ্রে বিক্ষোভের মুখে পড়লেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, জেনে নিন

নিজের কেন্দ্রে বিক্ষোভের মুখে পড়লেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, জেনে নিন

দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় এসেই কেন্দ্রের তরফে ভারতীয় রেলে বেসরকারি বিনিয়োগের উদ‍্যোগ নেওয়া হয়েছে। বাজেটে রেলকে ‘পিপিপি’ মডেল বা ‘পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ’-এর প্রস্তাব দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। সেই অনুযায়ী ইতিমধ্যে রেলের সাতটি প্রোডাকশন ইউনিটে বিলগ্নিকরনের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। এর মধ‍্যে চিত্তরঞ্জনের রেল ইঞ্জিন কারখানা অন‍্যতম। কেন্দ্রের এই পদক্ষেপকে সমর্থন করে আসানসোলে বিক্ষোভের মুখে পরলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়।

লোকসানের কবলে পরা ভারতীয় রেলকে ফের চাঙ্গা করে তুলতে পিপিপি মডেল বা পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপের পথে চলতে চাইছে কেন্দ্রীয় সরকার,বাজেটে এমন কথা জানিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। এরপর গত ১৮ জুন রেল মন্ত্রকের তরফে ১০০ দিনের অ্যাকশন প্ল্যান সংক্রান্ত একটি চিঠি চিত্তরঞ্জন রেল ইঞ্জিন কারখানায় পৌঁছায়।

সেই চিঠিতে রেলের সাতটি প্রোডাকশন ইউনিটকে কর্পোরেট করার ভাবনার কথা উল্লেখ করেছিল মন্ত্রক। এর পরেই বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করে। বাম ও তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠন জোরদার আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দেয়।বিরোধী শ্রমিক সংগঠনগুলির তরফে আশংকা করা হয়েছে যে কেন্দ্রের এই পদক্ষেপের ফলে তাঁরাও না শেষ পর্যন্ত বার্ন স্ট‍্যান্ডার্ড বা হিন্দুস্থান কেবলসের কর্মীদের মত কর্মহীন হয়ে পরেন।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

এই পরিস্থিতিতে দিল্লি থেকে একরাতের জন‍্য আসানসোল পৌঁছে সাংসদ বাবুল সুপ্রিয় জানান,”রেল ইঞ্জিন কারখানাকে বিলগ্নিকরণের যে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, তার পেছনে সুস্পষ্ট নীতি ও স্বচ্ছ ভাবনা রয়েছে সরকারের। পিপিপি মডেল এখন দুনিয়াজুড়ে জনপ্রিয়। বিলগ্নিকরণ মানেই কিন্তু কারখানা বন্ধ করে দেওয়া নয়।” পাশাপাশি তিনি সাধারণ শ্রমিকদের কাছে আবেদন রাখেন তাঁরা যেন ইউনিয়নবাজির ফাঁদে পরে এই আন্দোলনে না জড়িয়ে পরেন।

আসানসোলের সাংসদের এইসব মন্তব্যের পর এলাকার শ্রমিক মহলে তীব্র চাঞ্চল‍্য ছড়িয়ে পরে।সেভ সিএলডব্লু জয়েন্ট অ্যাকশন কমিটির সদস্যরা জানিয়েছেন, ‘সাংসদের কথায় আমরা আহত হয়েছি। এই আন্দোলনে সাংসদকে পাশে পেতে চেয়েছিলাম। কিন্তু তিনি নিজেই বিলগ্নিকরণকেই সমর্থন করছেন।’

আসানসোল পুরনিগমের মেয়র জিতেন্দ্র তিওয়ারি সাংসদের এই মন্তব্যের বিরোধিতা করে সাংবাদিকদের জানান যে, ‘কিছু শিল্পপতিদের টাকায় প্রধানমন্ত্রী, অন্য মন্ত্রী ও সরকার চলছে। সেই শিল্পপতিদের সুযোগ পাইয়ে দিতে পাবলিক সেক্টরগুলিকে পিপিপি মডেলের আওতায় আনা হবে,তাতে আশ্চর্যের কী আছে?’

পাশাপাশি তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি কেন্দ্র সরকারের প্রতি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এই পদক্ষেপের পিছনে সরকারের দুর্নীতি করার উদ্দেশ্য আছে। তবে চিত্তরঞ্জন রেলইঞ্জিন কারখানাকে বিলগ্নিকরণ করার যে অপচেষ্টা হচ্ছে, সর্বশক্তি দিয়ে তার বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলনে নামবে তৃণমূল।

Top
error: Content is protected !!