এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > কর্ণাটকের জোটই কি ঠিক করে দিলো আগামী প্রধানমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী ?

কর্ণাটকের জোটই কি ঠিক করে দিলো আগামী প্রধানমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী ?

বিজেপিকে হারিয়ে জোটের সরকার হচ্ছে কর্নাটকে। বিজেপির হাত থেকে ছিনিয়ে নিতে পেরে খুশি কংগ্রেস ও জেডি (এস) জোট। কিন্তু শুধু কি তাই ? শুধুই কি এই দুই দল খুশি ? না তা নয় বিজেপিকে হারিয়ে কর্নাটকে জোট সরকার গড়ায় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী থেকে শুরু করে, অন্ধের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু, সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদব, আরজেডির তেজস্বী যাদব বিএসপি প্রধান মায়াবতী, তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও, ডিএমকে নেতা এস কে স্তালিন, এনসিপি প্রধান শরদ পাওয়ার, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল প্রত্যেকেই খুশি। বলতে গেলে ভাবটা এমন যেন কংগ্রেস আরজেডি (এস) সরকার গড়ছে না সরকারে থাকছেন তারাও। জিতেছেন তাঁরাও , মুখ্য়মন্ত্রী পদপ্রার্থী কুমারাস্বামীকে অভিনন্দন বার্তা দিয়েছেন। আর সেই খুশিই বিজেপির ঘুম কাড়ছে বলে মনে করছে রাজনৈতিকমহল।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

কেননা কর্ণাটকের সাফল্য ফের উস্কে দিয়েছে ২০১৯ লোকসভায় ফেডারেল ফ্রন্ট গড়ার স্বপ্নকে। আর এই সাফল্য প্রমান করলো যে একসঙ্গে জোট করলে আটকানো সম্ভব বিজেপিকে। প্রসঙ্গত, শোনা যাচ্ছে যে ফেডারেল ফ্রণ্টের ডাক ইতিমধ্যেই দিয়ে দিচ্ছে কংগ্রেস। আর তাই আগামী বুধবার কুমারাস্বামী মন্ত্রীসভার শপথ গ্রহন অনুষ্ঠানে এঁদের অনেকেই উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে। আর এখানেই রাজনৈতিকমহল মনে করছেন যে মমতা ব্যানার্জী ২০১৯ এ প্রধানমন্ত্রী হওয়ায় দিকে আর এক ধাপ এগোলেন। কেননা তার কয়েকটি কারণ :-

১. মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগে থেকে চেয়েছিলেন যে জোট করে লড়াই হোক তাতে সাফল্য আসবে। আর কর্ণাটকের জোট প্রমান করলো বিজেপিকে আটকানো সম্ভব।

২. কংগ্রেস নেতাদের প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা অনেক বেশি। আইনি দক্ষতা অনেক বেশি। কিন্তু বিজেপিকে আটকাতে মমতা বান্ধোপাধ্যা যেভাবে কংগ্রেসকে ,কখনো কুমারস্বামীকে,কোনো দেবগৌড়াকে ফোন করে পরামশ দিয়েছেন তাতে মনে করা হচ্ছে যে তিনি যে একজন জোটের যোগ্য নেত্রী তা প্রমান করেছেন।

৩. সোনিয়া গান্ধির সভাপতিত্বে আঞ্চলিক দলগুলির নেতাদের নিয়ে দিল্লিতে বৈঠকও হয়েছে অনেকবার কিন্তু তা তেমন কোনো উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ দেখতে পায়নি। কেননা কংগ্রেস চেয়েছিলো যে জোট হলেও প্রধানমন্ত্রী হবেন রাহুলগান্ধী। কিন্তু কর্ণাটকের জোট হিসাব বদলে দিলো। আগ্রাসী মনোভাবে পরিবর্তন করে বেশি আসন পেয়েও জেডি (এস)-এর সব আব্দার মেনে নিয়ে সরকার গড়ছে কংগ্রেস। আর এতেই তৃণমূল নেত্রীর জন্য রাস্তা পরিষ্কার দেখছেন রাজনৈতিকমহল।

৪, পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীকে পছন্দ করেন সব দলের নেতা নেত্রীরা। ফলে তাঁর সাথে সংঘাত তেমন নেই তাই রাজনৈতিকমহলের মতে প্রাধানমন্ত্রী পদ তিনি নিলে কারুর আপত্তিই করা উচিত নয়।
যদিও রাজনীতি ক্ষনে ক্ষনে পাল্টায় তাই এখন থেকে কি হবে বলা অসম্ভব কিন্তু এই জোট মমতা বান্ধোপাধ্যকে প্রধানমন্ত্রী হওয়ায় দিকে একধাপ এগিয়ে দিলো তা বলাই যায়।

আপনার মতামত জানান -
Top