এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > রাজীব কুমারকে সিবিআই জেরায় নতুন মোড়, শিলংয়ে ডাকা হতে পারে দুই ‘প্রধান মাথাকে’

রাজীব কুমারকে সিবিআই জেরায় নতুন মোড়, শিলংয়ে ডাকা হতে পারে দুই ‘প্রধান মাথাকে’


শিলংয়ে রাজীব কুমারকে সিবিআইয়ের জেরা নিয়ে ক্রমশ জল্পনা বাড়ছে। রাজ্যে মাধ্যমিক শুরু হচ্ছে জানিয়ে কলকাতার পুলিশ কমিশনার জানিয়েছিলেন তিনদিনের মধ্যেই তাঁর জেরা-পর্ব মিটিয়ে ফেলতে। তিনদিন শেষ হয়ে আজ চিটফান্ড কাণ্ডে রাজীব কুমারকে জেরা চতুর্থ দিনে পড়ল। যদিও এই জেরা-পর্ব নিয়ে চূড়ান্ত গোপনীয়তা বজায় রেখেছে সিবিআই, তবুও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর থেকে যা জানা যাচ্ছে এই জেরা-পর্ব আগামী আরও ৪-৫ দিন চলতে পারে।

এদিকে, গত দুদিন শিলংয়ে সিবিআই দপ্তরে রাজীব কুমারের পাশাপাশি তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ তথা সারদা গ্রূপের মিডিয়া সেকশনের প্রধান কুনাল ঘোষকেও ডাকা হয়েছিল। বেশ কয়েকবার রাজীব কুমার ও কুনাল ঘোষকে মুখোমুখি বসিয়েও জেরা করা হয়। আপাতত কুনাল ঘোষকে জেরা করা হয়ে গেছে, তাঁকে কলকাতা ফিরে যাওয়ারও অনুমতি দেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, এর আগে কুনাল ঘোষ প্রকাশ্যেই যেভাবে সারদা কেলেঙ্কারির তদন্ত চলছে তা নিয়ে তদন্তকারী সিটের প্রধান রাজীব কুমারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন।

WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

এদিকে, বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের সূত্রের জানা যাচ্ছে, রাজীব কুমারের মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করার জন্য সারদা কেলেঙ্কারির দুই প্রধান ‘মাথাকে’ ডাকা হবে। যদিও কোনো নাম জানা যায় নি, তবে মনে করা হচ্ছে এই দুজন হলেন সারদা কর্তা সুদীপ্ত সেন ও তাঁর ‘সেকেন্ড ইন কম্যান্ড’ দেবযানী মুখোপাধ্যায়। প্রসঙ্গত, এর আগে জল্পনা ছড়ায়, সারদা কর্তার একটি ব্যক্তিগত ল্যাপটপ, কয়েকটি পেন ড্রাইভ ও একটি লাল ডায়েরি সিট ‘সিজ’ করলেও তা সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেয় নি। মনে করা হচ্ছে, ওই নথিগুলিতে কোন কোন প্রভাবশালীকে কবে কত টাকা দেওয়া হয়েছিল তার পূর্ণাঙ্গ তালিকা আছে।

এদিকে, এতদিন ধরে এই নথিগুলি নিয়ে জল্পনা চললেও – রাজীব কুমারকে সিবিআইয়ের জেরার ঠিক মুখেই বারাসত আদালতে সুদীপ্ত সেন জানান, এমন কোন ল্যাপটপ, পেন ড্রাইভ বা লাল ডায়েরির কথা তাঁর জানা নেই। অন্যদিকে, রাজীব কুমার নাকি সিবিআইকে জেরার মুখে জানিয়েছেন, তিনি সিটের প্রধান থাকলেও বকলমে তদন্ত চালাতেন এক অত্যন্ত দক্ষ গোয়েন্দা অফিসার। সুতরাং তিনি নথি ও তথ্য নষ্ট করেছেন এই ধারণাটাই ভুল। এদিকে আজ সকালে শিলংয়ে সিবিআই দপ্তরে মাঙ্কি ক্যাপ পড়া এক ব্যক্তিকে চূড়ান্ত গোপনীয়তায় হাজির করে সিবিআই – যাঁর পরিচয় ঘিরে শুরু হয়েছে চূড়ান্ত জল্পনা। সব মিলিয়ে ক্রমশ জমে উঠছে সারদাকাণ্ডে সিবিআই জেরা।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!