এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > খয়রাশোল কান্ডে নয়া মোড় – এফআইআরে নাম না থাকলেও গ্রেফতার বিজেপি নেতা

খয়রাশোল কান্ডে নয়া মোড় – এফআইআরে নাম না থাকলেও গ্রেফতার বিজেপি নেতা

অনুব্রত-গড়ে খয়রাশোল কান্ডের প্রেক্ষিতে সামনে এল নয়া তথ্য। লিখিত অভিযোগে কোথাও বিজেপির নামোল্লেখ না থাকলেও এদিন এক বিজেপি নেতা সহ মোট ৪ জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ।খয়রাশোলের তৃণমূল ব্লক সভাপতি দীপক ঘোষকে খুন করার অভিযোগে নিহত দীপক বাবুর স্ত্রী মিঠু ঘোষ ১৫ জনের নামে এফআইআর দায়ের করেন স্থানীয় থানায়। এফআইআরে মিঠু দেবী জানান, দীর্ঘদিন রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকায় দীপক বাবুর কিছু গুনগ্রাহী এবং কিছু বিরোধী মতের লোক ছিল। এই বিরোধীরাই বহুবার দীপক বাবুকে খুন করার চেষ্টা করেছে। তাছাড়া বেঁচে থাকাকালীন দীপক বাবু অনেকবার জানিয়েছিলেন,যে কিছু দুষ্কৃতিও তাকে খুন করতে চায়। এই অবস্থায় তাকে খুন করা হয়।

 

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

মিঠু দেবী যে ১৫ জনের বিরুদ্ধে অভি্যোগ এনে এফআইআর দায়ের করেছেন,তারা সকলেই খয়রাশোল দুবরাজপুর,লোকপুর থানা এলাকার বাসিন্দা। শুধুমাত্র ধৃত মধু বাউড়ির নাম থাকলেও এফআইআরে নাম নেই বাকি বিজেপি নেতাদের। তবুও বিজেপি নেতা চিন্ময় রায়,শেখ ভাসান,শেখ টাইগারকেও গ্রেফতার করেন মধু বাউড়ির সঙ্গে। এটা নিয়ে তীব্র আপত্তি জানিয়েছে বিজেপি। এই ঘটনায় ধৃত দুবরাজপুরের চিন্ময় রায় দলের অসংগঠিত কর্মচারী সেলের জেলা কনভেনর। যেহেতু সামনেই দুবরাজপুর পুরসভার নির্বাচন রয়েছে,তাই শাসকদলকে সন্তুষ্ট করতেই এফআইআরে নাম না থাকা সত্ত্বেও বিজেপি নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এমনটাই এদিন সিউড়ির সাংবাদিক সম্মেলন থেকে জানালেন বিজেপির জেলা সভাপতি রামকৃষ্ণ রায়।

পুলিশের সূত্র থেকে জানা যায়,দিন দুয়েক আগে খয়রাশোল এলাকায় দুষ্কৃতিদের ছোঁড়া গুলি এবং ধারালো অস্ত্রের কোপে খুন হন তৃনমূল ব্লক সভাপতি। এই নৃশংস হত্যাকান্ডের পর থেকেই থমথমে অবস্থা এলাকার। তারপরই নিহত দীপক বাবুর স্ত্রীর করা এফআইআরের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হল বিজেপি নেতাদের। এই ঘটনার জন্য বিজেপিকে সরাসরি দায়ী করে তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মন্ডল আবার দাবী করেছে, ঝাড়খন্ড থেকে দুষ্কৃতি এনে বিজেপি এই খুন করিয়েছে। তারপর থেকেই এফআইআরে নাম না থাকার সত্ত্বেও বিজেপি নেতাদের গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রাজ্যপুলিশের এহেন আচরণে রীতিমতো ক্ষুব্ধ স্থানীয় বিজেপি নেতারা। কেন শুধুমাত্র আন্দাজের ভিত্তিতে বাকি তিনজন বিজেপি নেতাদের গ্রেফতার করা হল? এ প্রশ্নে সরব রয়েছে তাঁরা। ফের একবার একটি নৃশংস খুনকে কেন্দ্র করে তৃণমূল-বিজেপি অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগে উত্তপ্ত বীরভূমের রাজনৈতিক ক্ষেত্র।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!