এখন পড়ছেন
হোম > অন্যান্য > ভাঁড়ে চা খান? পরেরবার খাওয়ার আগে পিছনের ভয়ঙ্কর সত্যিটা জেনে নিন

ভাঁড়ে চা খান? পরেরবার খাওয়ার আগে পিছনের ভয়ঙ্কর সত্যিটা জেনে নিন

সকালে ঘুম থেকে উঠেই এক কাপ ধোঁয়া ওঠা চা সামনে পেলেই আর কথা নেই! দিনের শুরুটা যে ভালোই হল তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। আর সেটা যদি হয় মাটির ভাঁড়ের চা, তাহলে তো আর কথাই নেই। এক চুমুকেই দিল খুশ! কিন্তু কখনো ভেবে দেখেছেন কী আপনার পাড়ায়, অলিতে-গলির, রাস্তার ধারে সচরাচর যে মাটির ভাঁড়ে চুমুক দিচ্ছেন সেই ভাঁড়ের আমদানি কোথা থেকে হচ্ছে? সত্যিটা জানলে রীতিমত আঁতকে উঠতে পারেন! হ্যাঁ, ভাগাড়ের ভাঁড় – মাংস নিয়ে ভাগাড় কান্ডের পর আমজনতার হুঁশ উড়িয়ে দিতে সামনে এলো ভাগাড়ের ভাঁড়। আস্তাকুঁড়, নর্দমা থেকে থেকে কিছু অভাবী মানুষ তুলে নিচ্ছে এসব ভাঁড়। তারপর এগুলোই ধুয়ে মুছে সাফ করে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে শহরের অলিতে গলিতে থাকা চায়ের দোকানে। ক্যামেরাবন্দি সেই ভিডিওটি দেখে নিন –

ভিডিওটি সম্প্রতি ঘুরছে সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্টে পোস্টে। তবে ভিডিওটির সত্যাসত্য যাচাই হয়েছে কিনা এ ব্যাপারে জানা যায়নি এখনো। এ ব্যাপারে পুলিশের কাছে যায়নি কোনো লিখিত অভিযোগ। তবে এমন হওয়ার আশঙ্কা একেবারে উড়িয়ে দিচ্ছেন না পুলিশ কর্তারা। এক পুলিশ আধিকারিক জানালেন, এমনটা হওয়া আশ্চর্য কিছু নয়। চা খেয়ে অনেকেই ভাঁড় না ভেঙে ফেলে দেন। জঞ্জাল থেকে তা কুড়িয়ে ফের সস্তায় দোকানে বেচলে দেখছে কে? তিনি আরো জানাচ্ছেন যে, বস্তুত কিছু মাদকাসক্ত লোকই পেটের দায়ে দু পয়সা বাড়তি রোজগার করতে এই অসৎ রাস্তা বেছে নিয়েছে। তাই ভিডিওটি ভুয়ো না হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি বলে মনে করছেন পুলিশ প্রশাসনের একাংশ।

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

প্রসঙ্গত,ভিডিও ফুটেজে দেখা যাচ্ছে ফুটপাতের উপর এক ডাস্টবিন থেকে ভাঁড় বেছে বেছে কুড়াচ্ছে এক ব্যক্তি। না ভাঙা ভাঁড়গুলোই সংগ্রহ করছে সে। ভিডিও করা ব্যক্তিটি ওই ব্যক্তিটিকে জিজ্ঞাসাও করছেন যে এই ভাঁড় নিয়ে কী করা হবে? সে এই ভাঁড়গুলে বিক্রি করবেন কিনা? বা এগুলো তিনি সরাসরি দোকানে বিক্রি করবেন না ভাঁড় ব্যবসায়ীদের হাতে তুলে দেবেন? এসব প্রশ্নের একটারও উওর দেয়নি ওই ব্যক্তি। একটু হেসে তাড়াতাড়ি ভাঁড় কুড়িয়ে ওই স্থান থেকে চম্পট দেয় সে। তবে পাওয়া যায়নি মোবাইলে ভিডিও করা ব্যক্তিটির হদিশও, শুধু ভিডিওটিই প্রকাশ্যে এসেছে মাত্র। ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। এ ব্যাপারে কোলকাতা পুরসভার কোনো প্রতিক্রিয়া এখনো জানা যায়নি। তবে সমস্যার পথ হিসাবে পাওয়া গেছে একাধিকক সমাধান। সাধারণত চায়ের দোকানে লাগোয়া ডাস্টবিনেই চা খেয়ে ভাঁড় ফেলেন সবাই। প্রত্যেকদিন সকালেই যদি কোলকাতা পুরসভার কর্মীরা সেই ভাঁড়গুলো তুলে নিয়ে যান, তাহলে এই সমস্যা তৈরি হবে না। কিন্তু জানা যাচ্ছে অনেক সকালেই নাকি ভাঁড় কুড়ানিরা রাস্তায় নেমে পড়েন। ফলত তাঁদের কবল থেকে মাটির চায়ের ভাঁড়কে কীভাবে রক্ষা করা যাবে এ নিয়ে প্রশাসন শীঘ্রই কোনো ব্যবস্থা নেবে বলে আশা করছেন শহরবাসী।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!