এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > বকেয়া ডিএ ও বেতন কমিশনের পাশাপাশি এবার নতুন আতঙ্ক তাড়া করছে সরকারি কর্মচারীদের!

বকেয়া ডিএ ও বেতন কমিশনের পাশাপাশি এবার নতুন আতঙ্ক তাড়া করছে সরকারি কর্মচারীদের!

চাকরি থেকে অবসর নিলে সাধারণ মধ্যবিত্তের ভরসা বলতে মাসের প্রথমে হাতে পেনশনের কটা টাকা! রাজ্যের বিরোধী নেত্রী থাকার সময় তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন – যে সরকার সরকারি কর্মচারীদের বঞ্চনা করে, তাদের এক মুহূর্তও ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই! আর তাই, মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব নিয়েই তিনি ঘোষণা করেছিলেন রাজ্যের সরকারি কর্মচারী, শিক্ষক ও সরকারি অনুদান প্রাপ্ত বেতনভোগী ও পেনশনভোগীরা নিজেদের প্রাপ্য মাস পয়লাতেই পেয়ে যাবেন।

এতদিন সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে যতই বকেয়া ডিএ বা বেতন কমিশন নিয়ে ক্ষোভ থাকুক – মুখ্যমন্ত্রীর দেওয়া কথামত মাস পয়লায় বেতন বা পেনশনটা কিন্তু ঠিকই পেয়ে যাচ্ছিলেন। কিন্তু সেই ‘সুখের’ দিনের কি অবসান হতে চলেছে? আতঙ্কিত সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীরা – কেননা মাসের প্রায় অর্ধেক পেরিয়ে গেলেও এখনো পেনশনের দেখা পেলেন না মুখ্যমন্ত্রীর অন্যতম বিশ্বস্ত ও অনুগত সৈনিক ফিরহাদ হাকিমের মন্ত্রীত্বে থাকা নগরোন্নয়ন দপ্তরের পেনশন ভোগীরা।

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

আপনার মতামত জানান -

নগরোন্নয়ন দপ্তরের অন্তর্গত প্রাক্তন কেএমডিএ, কেএমডব্লিউএসএ ও কেআইটি-র কর্মীরা পেনশন না পাওয়াই এই নিয়ে সরব হয়েছিল সরকারি কর্মচারী পরিষদ। এমনকি, গত বৃহস্পতিবার সংগঠনের রাজ্য আহ্বায়ক দেবাশীষ শীলের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল উন্নয়ন ভবনে প্রথমে কেএমডিএর স্পেশাল সেক্রেটারি ও পরে সর্বোচ্চ কর্তাব্যাক্তি তথা সিইও সঞ্জয় বনসালের সঙ্গে দেখা করেন। কেএমডিএ ও রাজ্য সরকারের অধীনস্থ অন্যান্য কয়েকটি উন্নয়নমূলক সংস্থার প্রায় ৮ হাজার অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের গত ডিসেম্বর মাসের পেনশন না হওয়াই দেবাশীষবাবুরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং কালবিলম্ব না করে তা মিটিয়ে দেবার দাবী করেন।

ওই প্রতিনিধিদলকে সিইও সঞ্জয় বনসাল সুষ্পষ্ট আশ্বাস দেন যে গত শুক্রবারের মধ্যেই পেনশন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকে যাবে। এমনকি, সংস্থার চেয়ারম্যান তথা নগরোন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম স্বয়ং সংবাদমাধ্যমকে জানান যে, অর্থ দপ্তর থেকে এই সংক্রান্ত ফাইলে অনুমোদন পাওয়া গিয়েছে – সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা শুক্রবারের মধ্যেই নিজেদের প্রাপ্য পেনশন পেয়ে যাবেন। কিন্তু, দুঃখের কথা এখনও সেই পেনশনের দেখা পান নি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

যদিও সঞ্জয়বাবু সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, শুক্রবারই টাকা ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। সোমবার সকালে ট্রেজারিতে বিল জমা পড়ে যাবে, বিকেলের মধ্যে কর্মীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পেনশনের টাকা জমা পড়ে যাবে। অন্যদিকে, অর্থ দপ্তরের তরফে সংবাদমাধ্যমকে জানানো হয়েছে, টাকা নিয়ে কোনও সমস্যা ছিল না। ডিসেম্বর মাসের ফাইলে বেশকিছু কারিগরি সমস্যা থাকায় এই সমস্যা তৈরি হয়েছে। শুক্রবারই তা মিটে গিয়েছে। কিন্তু, বিপুল পরিমান বকেয়া ডিএ ও সাড়ে তিন বছরেও বেতন কমিশন চালু না হওয়ার পর – এবার মাস পয়লায় বেতন ও পেনশন না পাওয়ার নতুন আতঙ্কে সরকারি কর্মচারীরা।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!