এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > “নেতাজিকে নিয়ে পিঁয়াজিদের না বলাই ভালো।” – দাবি হেভিওয়েটদের

“নেতাজিকে নিয়ে পিঁয়াজিদের না বলাই ভালো।” – দাবি হেভিওয়েটদের

মহান দেশনায়ক নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বোসের জন্মদিন পালন নিয়ে যখন ব্যস্ত ছিল গোটা দেশ,তখনও রাজনৈতিক আক্রমণ তথা পাল্টা আক্রমণের খেলার রাশ টানতে পারলেন না হেভিওয়েট নেতারা। নেতাজির জন্মদিন পালন করতে এসে নাম না করেই রাজ্যসরকারের মন্ত্রীকে তীব্র কটাক্ষ করলেন CPI(M)-র রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র। বললেন,”নেতাজিকে নিয়ে পিঁয়াজিদের না বলাই ভালো।”

আসলে বাম নেতার এভাবে কটাক্ষ করার নেপথ্যে রয়েছে অন্য কারণ। সম্প্রতি মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায় বাফফ্রন্টকে উদ্দেশ্য করে বলেছিলেন,”বামেরা কোনওকালেই নেতাজিকে গুরুত্ব দেয়নি। এখন নেতাজিকে নিয়ে তাঁরা রাজনীতি করছেন।” সুব্রত বাবুর এই কথারই পাল্টা দিতে সরব হন সূর্যকান্ত মিশ্র,এমনটাই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। নেতাজির জন্মদিবস পালনের প্রেক্ষিতেই ফের একবার বাম-তৃণমূলের পারস্পরিক আক্রমণ উত্তেজনা ছড়াল রাজনৈতিকমহলে।

এছাড়া দেশপ্রেম দিবস নিয়ে মোদী সরকারকে আক্রমণ করতেও ছাড়লেন না CPI(M)-র রাজ্য সম্পাদক। বললেন,তিনি আশা করেই ভুল করেছেন যে দেশপ্রেম দিবস পালন করবেন মোদী। আশাহত হয়ে জানালেন,”আগের সরকার, আমরা এবং বর্তমান সরকার সকলেই নেতাজির জন্মদিনকে দেশপ্রেম দিবস হিসেবে পালন করার জন্য কেন্দ্রের কাছে আবেদন জানিয়েছিলাম। কিন্তু, কেন্দ্রীয় সরকার সেই আবেদন শুনতে নারাজ।”

এরপর এক ঢিলে দুই পাখি মারার মতো তৃণমূল-বিজেপিকে একসঙ্গেই আক্রমণ শানালেন সাংসদ মহম্মদ সেলিম। গতকাল নেতাজির মূর্তিতে মাল্যদান করার পর বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন,’মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং নরেন্দ্র মোদি কোনও প্রশ্নের উত্তর দেন না। পঞ্চায়েতে যেভাবে মুখ্যমন্ত্রী দুর্নীতি করেছেন তা নজিরবিহীন।’

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর আরও সহজে হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের যে কোনও এক্সক্লুসিভ সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপে। ক্লিক করুন এখানে – টেলিগ্রাম, হোয়াটস্যাপ, ফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউবফেসবুক পেজ

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।


আপনার মতামত জানান -

এরপর ইভিএমের কারচুপির প্রসঙ্গ তুলে বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন তিনি। বিরোধীরা হাজার চেষ্টা করেও নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারকে বাতিল করতে পারেনি। তাতে কিছুতেই সায় ছিল না মোদী সরকারের। নির্বাচন কমিশনও এ ব্যাপারে কেন্দ্রকেই সমর্থন করেছে। আর এটাই মেনে পারেনি বামেরাও।

সেটা আরো একবার প্রকাশ্যে বুঝিয়ে দিলেন এই বাম নেতা। বললেন,ইভিএম কখনোই দুর্নীতিমুক্ত নয়। ইভিএম যথারীতি হ্যাক করা যায়। এরপর সরাসরি বিজেপি সরকারকে নিশানা করে বলেন,’যাঁরা মনে করেন EVM মেশিন নিরাপদ, তাঁরা সভ্যতার ইতিহাস জানেন না।’ মহম্মদ সেলিমের মতে,চিপ লাগানো যে কোনো মেশিন থেকে দুর্নীতি করা যায়। যেভাবে ব্যাঙ্ক জালিয়াতি হচ্ছে সেভাবেই ইভিএমেও দুর্নীতি হওয়া সম্ভব।

আসলে দুর্নীতিকে হাতিয়ার করেই রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে চায় বিজেপি। আর সেটা করতেই নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করতে চায় তাঁরা। আর অন্যদিকে,গনতন্ত্রকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে রাজ্য শাসন করছে স্বৈরাচারী শাসক,এমনটা বলেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে কটাক্ষ করলেন বামফ্রন্টের এই হেভিওয়েট নেতা।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!