এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > বুথে বুথে নজরদারি চালাতে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন লাইভ ওয়েব কাস্টিংয়ের সঙ্গে ইনবিল্ট মেমোরি কার্ডেরও ব্যবস্থা করছে

বুথে বুথে নজরদারি চালাতে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন লাইভ ওয়েব কাস্টিংয়ের সঙ্গে ইনবিল্ট মেমোরি কার্ডেরও ব্যবস্থা করছে

আসন্ন লোকসভা ভোটকে সুষ্ঠুভাবে চালানোর জন্য সমস্ত চেষ্টা চালাচ্ছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। কিন্তু সেই চেষ্টায় যাতে কোনরূপ ঘাটতি না দেখা যায় এবার তার জন্যেও ব্যবস্থা নিচ্ছেন কমিশনের কর্তারা। পাহাড়, জঙ্গলমহল বা সুন্দরবনের বিভিন্ন জায়গা বা প্রত্যন্ত প্রান্তে ভোটের নজরদারিতে থাকা কমিশনের কর্তারা যদি নেটওয়ার্কের সমস্যার কারণে কখনও লাইভ কাস্টিং দেখতে অসুবিধায় পড়েন তখন কি হবে? এবার সেই সব আশঙ্কার কথা চিন্তা করেই রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনি দপ্তরের পক্ষ থেকে ওয়েব কাস্টিংয়ে ব্যবহৃত ইপি ক্যামেরায় “ইনবিল্ড মেমোরি” কার্ড রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

 

ফেসবুকের কিছু টেকনিক্যাল প্রবলেমের জন্য সব আপডেট আপনাদের কাছে সবসময় পৌঁচ্ছাছে না। তাই আমাদের সমস্ত খবরের নিয়মিত আপডেট পেতে যোগদিন আমাদের হোয়াটস্যাপ বা টেলিগ্রাম গ্রূপে।

১. আমাদের Telegram গ্রূপ – ক্লিক করুন
২. আমাদের WhatsApp গ্রূপ – ক্লিক করুন
৩. আমাদের Facebook গ্রূপ – ক্লিক করুন
৪. আমাদের Twitter গ্রূপ – ক্লিক করুন
৫. আমাদের YouTube চ্যানেল – ক্লিক করুন

প্রিয় বন্ধু মিডিয়ায় প্রকাশিত খবরের নোটিফিকেশন আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারের ব্রাউসারে সাথে সাথে পেতে, উপরের পপ-আপে অথবা নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

আপনার মতামত জানান -

জানা গেছে, রাজ্যে 78 হাজার 799 টি বুথের মধ্যে প্রায় 15 থেকে 20 শতাংশ বুথে এই সিস্টেম লাগু করা হতে পারে। ভোট গ্রহণের লাইভ আপডেট দেখতে দেখতে নেটওয়ার্কের সমস্যার কারণে সেখানে যদি কোনো সমস্যা হয় তাহলে পরবর্তীতে ইনবিল্ড মেমোরি কার্ড সংবলিত ইপি ক্যামেরায় তা রেকর্ড হয়ে থাকবে। যা পরেও দেখা যাবে।

এমনকী লোডশেডিং হলেও যাতে কোনো সমস্যা না হয় সেই জন্য সিইও দপ্তরের পক্ষ থেকে এই সরবরাহ সংস্থাকে 7 থেকে 10 ঘণ্টার মত ব্যাটারিও দিতে বলা হয়েছে। সূত্রের খবর, রাজ্যের প্রায় 3500 বুথ ভয়েস ও ইন্টারনেট “শ্যাডো জোন” কাটাতে গত বৃহস্পতিবারই সিইও আরিজ আফতার এবং নির্বাচন কমিশনের অন্যান্য পদস্থ আধিকারিকেরা চারটি মোবাইল পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থার সঙ্গে একটি বৈঠকে বসেন।

এদিকে সব সংস্থার তরফে তাদের রিপোর্ট দেওয়া হলেও এখনও পর্যন্ত বিএসএনএল তাদের রিপোর্ট দেয়নি। জানা গেছে, আগামী 17 ই জানুয়ারি তাঁরা এই ব্যাপারে তাঁদের রিপোর্ট জমা দেবেন। এদিকে আগামী ফেব্রুয়ারিতে এই 4 সংস্থার সঙ্গে ফের বৈঠক করার কথা রয়েছে সিইও দফতরের কর্তাদের। এদিন এই প্রসঙ্গে দপ্তরের এক কর্তা বলেন, “শ্যাডো জোন নিয়ে বিকল্প রাস্তা ঠিক কী হতে পারে তা ফেব্রুয়ারির পরই স্থির করা হবে।” সব মিলিয়ে এবার বুথে বুথে নজরদারি চালাতে অত্যাধুনিক ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নিল কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন।

আপনার মতামত জানান -
Top
error: Content is protected !!