এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > মেদিনীপুর > নন্দীগ্রামের জন্য সুখবর, খুব শীঘ্রই মানুষের কষ্ট দূর করতে চলেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার

নন্দীগ্রামের জন্য সুখবর, খুব শীঘ্রই মানুষের কষ্ট দূর করতে চলেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার

Priyo Bandhu Media

একদা রাজ্যের পরিবর্তনের গড় নন্দীগ্রাম। বহুদিন ধরেই সেইখানে কিছুটা জলকষ্টে রয়েছেন মানুষ। এবার সেই অসহায় মানুষগুলির পাশে দাড়াতে উদ্যোগী হল রাজ্য সরকার। সূত্রের খবর, এই নন্দীগ্রামের রুপনারায়ন নদ থেকে জল তুলে পরিশোধন করে এবার তা বাড়ি বাড়ি পৌছে দেওয়ার উদ্যোগ নিচ্ছে প্রশাসন। মূলত এই জল নন্দীগ্রাম 1 ও দুই নম্বর ব্লক, চন্ডীপুর এবং নন্দকুমার ব্লকের সাড়ে তিন হাজার মানুষ পাবেন। বহুদিন আগে এই পরিষেবা পাওয়ার কথা থাকলেও মূল সমস্যা ছিল জমি নিয়েই।

কেননা, বর্তমান রাজ্য সরকারের ঘোষিত নীতিই হল যে, বলপূর্বক জমি অধিগ্রহন করা যাবে না। আর সেই কারনে এই প্রকল্পে ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট তৈরির জন্য যে দুই একর জমির প্রয়োজন ছিল তা পেতে হাসফাস অবস্থা শুরু হয় জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের ইঞ্জিনিয়ারদের। একটি জমি চিহ্নত হলেও পরে তা নিয়ে মামলা হয়। আর সেই মামলায় সরকারপক্ষ জয়লাভ করায় বিধায়ক তথা রাজ্যের পরিবহন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উদ্যোগে সরকারি জমি চিহ্নিত করে সেখানেই প্ল্যান্ট তৈরির পরিকল্পনা করা হয়।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

এদিকে জমির সন্ধান পাওয়ার সাথে সাথেই এই প্রকল্পের বিস্তারিত রিপোর্ট তৈরি করে তাতে অনুমোদন দেয় মুখ্যসচিবের নেতৃত্বাধীন প্রজেক্ট মনিটারিং কমিটি। জানা গেছে, ইতিমধ্যে এই প্রকল্পে 700 কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে রাজ্যের অর্থদপ্তর। যেখানে 70 শতাংশ টাকা এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাঙ্ক এবং বাকি 30 শতাংশ টাকা দেবে রাজ্য সরকার। পুজোর পরেই এই কাজের টেন্ডারও ডাকা হবে বলে খবর। কিন্তু ঠিক কীভাবে হবে এই জল সরবরাহ? জানা যায়, রুপনারায়ন নদে যে যন্ত্রটি বসানো হবে সেখান থেকে ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টে সেই জল নিয়ে যাওয়া হবে। আর সেই প্ল্যান্ট থেকেই 132 মিলিয়ন লিটার প্রতিশ্রুত জল পাবেন বাসিন্দারা। এ প্রসঙ্গে এদিন নবান্নের এক কর্তা বলেন, “রুপনারায়ন নদে কখনও নোনা আবার কখনও মিষ্টি জল থাকে। নোনা জল বাদ দেওয়ার পরেই তা পরিশোধনে পাঠানো হবে।” সব মিলিয়ে এবার পরিশ্রুত পানীয় জলের প্রতিশ্রুতি দিয়ে কথা রাখায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি কৃতজ্ঞ নন্দীগ্রামবাসী।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!